চীনের রাষ্ট্রদূতের বিবৃতির পর যা বলল ঢাকা
jugantor
চীনের রাষ্ট্রদূতের বিবৃতির পর যা বলল ঢাকা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৪ আগস্ট ২০২২, ১৮:০১:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

তাইওয়ান ইস্যুতে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিংয়ের বিবৃতির পর বাংলাদেশও বিবৃতি দিয়েছে। ঢাকা জানিয়েছে, তাইওয়ান পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ। এ ইস্যুতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম অবলম্বনের আহ্বান জানাচ্ছে ঢাকা।

আজ (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশের সমর্থন চেয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বিবৃতি দেন।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর কেন্দ্র করে দেওয়া বিবৃতিতে চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘চীন বিশ্বাস করে এ অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য বেইজিংয়ের সঙ্গে কাজ করবে ঢাকা।বাংলাদেশ ও চীন ভালো প্রতিবেশী, বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু এবং নির্ভরযোগ্য অংশীদার। সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভূখণ্ডের অখণ্ডতার মতো মৌলিক স্বার্থের বিষয়ে উভয় দেশ সবসময় একে অপরকে বোঝে এবং সমর্থন করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি যে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ এক-চীন নীতি মেনে চলবে, তাইওয়ান প্রশ্নে চীনের ন্যায্য এবং ন্যায্য অবস্থান বুঝতে ও সমর্থন করবে। আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি রক্ষায় চীনের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করবে। এক-চীন নীতির প্রতি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতি এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতা এর দৃঢ় বিরোধিতাকে অত্যন্ত প্রশংসা করে।’

এরপরই ঢাকা বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে ঢাকা বলেছে, বাংলাদেশ ‘এক চীন’ নীতির প্রতি তার দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে। একইসঙ্গে জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী এবং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের মতপার্থক্য নিরসনের জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আহ্বান জানায়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তাইওয়ান ইস্যুতে উত্তেজনা বাড়তে পারে এবং এই অঞ্চলে ও এর বাইরে শান্তি-স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারে এমন কোনো কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।

বিবৃতির পরই বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে দেশের একই অবস্থান তুলে ধরেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম।

শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘এটা নতুন কিছু নয়। বাংলাদেশ বরাবরই এক চীন নীতিতে বিশ্বাস করে। এ নিয়ে নতুন কোনো উত্তেজনা চায় না ঢাকা।’তিনি বলেন, ‘এমনিতেই বিশ্ব এখন নানা সমস্যায় জর্জরিত। নতুন সমস্যা তৈরি হোক, এটা আমরা চাই না। বাংলাদেশ সব সময়ই এক চীন নীতিতে বিশ্বাস করে। এ নিয়ে নতুন করে কোনো সংঘাত চায় না বাংলাদেশ।’

উল্লেখ্য, মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা চলছে।

চীনের রাষ্ট্রদূতের বিবৃতির পর যা বলল ঢাকা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৪ আগস্ট ২০২২, ০৬:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

তাইওয়ান ইস্যুতে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিংয়ের বিবৃতির পর বাংলাদেশও বিবৃতি দিয়েছে। ঢাকা জানিয়েছে, তাইওয়ান পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ। এ ইস্যুতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম অবলম্বনের আহ্বান জানাচ্ছে ঢাকা।

আজ (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশের সমর্থন চেয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বিবৃতি দেন।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর কেন্দ্র করে দেওয়া বিবৃতিতে চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘চীন বিশ্বাস করে এ অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য বেইজিংয়ের সঙ্গে কাজ করবে ঢাকা।বাংলাদেশ ও চীন ভালো প্রতিবেশী, বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু এবং নির্ভরযোগ্য অংশীদার। সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভূখণ্ডের অখণ্ডতার মতো মৌলিক স্বার্থের বিষয়ে উভয় দেশ সবসময় একে অপরকে বোঝে এবং সমর্থন করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি যে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ এক-চীন নীতি মেনে চলবে, তাইওয়ান প্রশ্নে চীনের ন্যায্য এবং ন্যায্য অবস্থান বুঝতে ও সমর্থন করবে। আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি রক্ষায় চীনের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করবে। এক-চীন নীতির প্রতি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতি এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতা এর দৃঢ় বিরোধিতাকে অত্যন্ত প্রশংসা করে।’

এরপরই ঢাকা বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে ঢাকা বলেছে, বাংলাদেশ ‘এক চীন’ নীতির প্রতি তার দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে। একইসঙ্গে জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী এবং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের মতপার্থক্য নিরসনের জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আহ্বান জানায়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তাইওয়ান ইস্যুতে উত্তেজনা বাড়তে পারে এবং এই অঞ্চলে ও এর বাইরে শান্তি-স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারে এমন কোনো কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।

বিবৃতির পরই বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে দেশের একই অবস্থান তুলে ধরেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম। 

শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘এটা নতুন কিছু নয়। বাংলাদেশ বরাবরই এক চীন নীতিতে বিশ্বাস করে। এ নিয়ে নতুন কোনো উত্তেজনা চায় না ঢাকা।’তিনি বলেন, ‘এমনিতেই বিশ্ব এখন নানা সমস্যায় জর্জরিত। নতুন সমস্যা তৈরি হোক, এটা আমরা চাই না। বাংলাদেশ সব সময়ই এক চীন নীতিতে বিশ্বাস করে। এ নিয়ে নতুন করে কোনো সংঘাত চায় না বাংলাদেশ।’

উল্লেখ্য, মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর