গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী
jugantor
গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৬ অক্টোবর ২০২২, ১৮:৩৫:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

গুম প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি গুম হয়। সবচেয়ে বড় কথা হলো, কেউ যদি অপরাধ করে বাংলাদেশে বিচার হয়, কিন্তু আমেরিকার ক্ষেত্রে বিচারই হয় না।

বৃহস্পতিবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদানসহ যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফর সম্পর্কে জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনে আসেন সরকারপ্রধান।

শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী তার সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান। পরে প্রশ্নোত্তর পর্বে গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে গুমের যে কথা বলা হয়, একজন গুম হয়েছে বলা হলো। পরে দেখা গেল তিনি ‍খুলনায় নিউ মার্কেটে গিয়ে ঘোরাঘুরি করছেন। গুমের তালিকায় ভারতের নাগরিকের নামও আছে।

তিনি বলেন, ‘গুমের হিসাব যখন বের হতে শুরু হলো, তখন দেখা গেল সবচেয়ে বেশি গুম হয়েছে জিয়াউর রহমানের আমলে। আর তারপর থেকে চলছে। যখন আমরা তালিকা চাইলাম, ৭৬ জনের তালিকা পাওয়া গেল। এর মধ্যে মাকে লুকিয়ে রেখে আরেকজনকে শায়েস্তা করার ঘটনা ঘটেছে। কেউ ঢাকা থেকে খুলনা গেলেন, বলা হলো তাকে গুম করা হয়েছে। এরকম ঘটনা আছে। তালিকায় দেখা গেছে, ভারতে কিছু পলাতক আসামি আছে, তাদের নামও আছে তালিকায়। তালিকায় এমন নামও আছে, যারা হয়ত যুক্তরাষ্ট্রেই লুকিয়ে আছে। সেরকম তথ্য আছে। আমরা তাদের সামনে এগুলো তুলে ধরেছি। গুমের ঘটনা ঘটলে আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিন্তু তাদের খুঁজে বের করে। সে খবর কিন্তু আসে না। গুম যত বড় করে দেখানো হয়, উদ্ধার সমানভাবে দেখানো হয় না।’

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ৪০ বছর তালেবানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, সেই তালেবানের হাতেই রেখে চলে আসল আফগানিস্তান। নিজেদের ব্যর্থতার কথা তারা বলে না। বাংলাদেশে পাকিস্তানিদের মদদ দিলো। এখন আবার ইউক্রেন যুদ্ধে মদদ দিয়ে যাচ্ছে, স্যাংশন দিয়ে যাচ্ছে। আমেরিকা তো নিজেদের ব্যর্থতার কথা বলে না। এখন ইউক্রেন যুদ্ধের সময় রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিল। এই নিষেধাজ্ঞায় ক্ষতি হয় কাদের, সাধারণ মানুষের।কথায় কথায় স্যাংশন- এটা কেমন কথা?

উল্লেখ্য, গত বছর জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের গুমবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপ বিভিন্ন সময় গুমের শিকার হওয়া ৭৬ জনের একটি তালিকা বাংলাদেশ সরকারকে দেয়। সেই তালিকার ৩৫ জনকে সরকার এমনিতেই বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে খুঁজছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও সেই কথা জানিয়েছেন।

গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৬:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গুম প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি গুম হয়। সবচেয়ে বড় কথা হলো, কেউ যদি অপরাধ করে বাংলাদেশে বিচার হয়, কিন্তু আমেরিকার ক্ষেত্রে বিচারই হয় না।

বৃহস্পতিবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদানসহ যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফর সম্পর্কে জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনে আসেন সরকারপ্রধান।

শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী তার সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান। পরে প্রশ্নোত্তর পর্বে গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে গুমের যে কথা বলা হয়, একজন গুম হয়েছে বলা হলো। পরে দেখা গেল তিনি ‍খুলনায় নিউ মার্কেটে গিয়ে ঘোরাঘুরি করছেন। গুমের তালিকায় ভারতের নাগরিকের নামও আছে।

তিনি বলেন, ‘গুমের হিসাব যখন বের হতে শুরু হলো, তখন দেখা গেল সবচেয়ে বেশি গুম হয়েছে জিয়াউর রহমানের আমলে। আর তারপর থেকে চলছে। যখন আমরা তালিকা চাইলাম, ৭৬ জনের তালিকা পাওয়া গেল। এর মধ্যে মাকে লুকিয়ে রেখে আরেকজনকে শায়েস্তা করার ঘটনা ঘটেছে। কেউ ঢাকা থেকে খুলনা গেলেন, বলা হলো তাকে গুম করা হয়েছে। এরকম ঘটনা আছে। তালিকায় দেখা গেছে, ভারতে কিছু পলাতক আসামি আছে, তাদের নামও আছে তালিকায়। তালিকায় এমন নামও আছে, যারা হয়ত যুক্তরাষ্ট্রেই লুকিয়ে আছে। সেরকম তথ্য আছে। আমরা তাদের সামনে এগুলো তুলে ধরেছি। গুমের ঘটনা ঘটলে আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিন্তু তাদের খুঁজে বের করে। সে খবর কিন্তু আসে না। গুম যত বড় করে দেখানো হয়, উদ্ধার সমানভাবে দেখানো হয় না।’

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ৪০ বছর তালেবানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, সেই তালেবানের হাতেই রেখে চলে আসল আফগানিস্তান। নিজেদের ব্যর্থতার কথা তারা বলে না। বাংলাদেশে পাকিস্তানিদের মদদ দিলো। এখন আবার ইউক্রেন যুদ্ধে মদদ দিয়ে যাচ্ছে, স্যাংশন দিয়ে যাচ্ছে। আমেরিকা তো নিজেদের ব্যর্থতার কথা বলে না। এখন ইউক্রেন যুদ্ধের সময় রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিল। এই নিষেধাজ্ঞায় ক্ষতি হয় কাদের, সাধারণ মানুষের।কথায় কথায় স্যাংশন- এটা কেমন কথা?

উল্লেখ্য, গত বছর জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের গুমবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপ বিভিন্ন সময় গুমের শিকার হওয়া ৭৬ জনের একটি তালিকা বাংলাদেশ সরকারকে দেয়। সেই তালিকার ৩৫ জনকে সরকার এমনিতেই বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে খুঁজছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও সেই কথা জানিয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন