এসপি বেলায়েতের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা
jugantor
এসপি বেলায়েতের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১২ আগস্ট ২০২০, ১৭:২৮:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে রাজশাহী রেঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) বেলায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।

বুধবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। গোলাম মোস্তফা নামের এক ব্যবসায়ী মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় এসপি বেলায়েত ছাড়াও আজ্ঞাত আরও ১৫-১৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, বাদীর নিকটাত্মীয় সাবেক আইজিপি ড. জাবেদ পাটোয়ারীর অফিসে দুই বছর আগে এসপি বেলায়েতের সঙ্গে পরিচয় হয়। সেই সুবাদে তার সঙ্গে বাদীর সম্পর্ক ভালো হয়। বাদীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অর্থের প্রতি আসামির কুনজর পড়ে। ২০১৯ সালের ১১ আগস্ট বাদীর বাবার কাছ থেকে নিয়ে বেলায়েতকে ৫ লাখ টাকা ঋণ দেন। পরে ঋণের টাকা বেলায়েত চেকের মাধ্যমে ফেরত দেন। ২০২০ সালের ৪ এপ্রিল বেলায়েত বাদীর বাবাকে ফোন করে বলেন, ৫ লাখ টাকা না দিলে তার ছেলের (বাদী) অসুবিধা হবে। পরে বাদির বাবা ৫ লাখ টাকার একটি চেক আসামিকে দেন। ১০ এপ্রিল বাদীর বাবা ও সাক্ষী কথা বলে জানতে পারেন, ব্ল্যাকমেইল করে চেকটি আসামি নিয়ে যায়।

গত ৮ আগস্ট বেলায়েতসহ অজ্ঞাতনামা ১৫-১৬ জন গোয়েন্দা পুলিশ ডিবির পরিচয় দিয়ে বাদীর বাসায় প্রবেশ করে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা না দিলে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানো হবে এবং নারায়ণগঞ্জের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভ্রামমাণ আদালত নিয়ে জরিমানাসহ জেলে দেয়া হবে বলে হুমকি দেয় তারা।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এ অবস্থায় বাদী কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন এবং বার বার আসামি বেলায়েতকে বলেন- আপনি আমাদের কাছের লোক, কী বলছেন? তখন আসামি বেলায়েত অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং টাকা দিতে না পারায় মারপিট করে মুক্তিপণের জন্য অপহরণ করে অন্যায় ও বেআইনিভাবে মিন্টু রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে বাদীকে ২৫ লাখ টাকা দিতে বলেন। নতুবা ক্রসফায়ার অথবা ফেনসিডিলসহ অস্ত্র দিয়ে মামলা দেয়া হবে বলে হুমকি দেন। তখন বাদীসাড়ে তিন লাখ টাকা আসামি বেলায়েতের হাতে তুলে দেন এবং ১০ আগস্ট আরও ৫০ হাজার টাকা দেন। আসামির সঙ্গে ১৫ লাখ টাকায় রফাদফা করে বাদীর বাবা ৫ লাখ টাকার চেক দিয়ে সমন্বয় করেন। আরও ৬ লাখ টাকা সাত দিনের মধ্যে দিতে বলেন। তা না হলে বাদীর ব্যবসা বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেন বেলায়েত।

এসপি বেলায়েতের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১২ আগস্ট ২০২০, ০৫:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে রাজশাহী রেঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) বেলায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।

বুধবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়।  গোলাম মোস্তফা নামের এক ব্যবসায়ী মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় এসপি বেলায়েত ছাড়াও আজ্ঞাত আরও ১৫-১৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।  

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, বাদীর নিকটাত্মীয় সাবেক আইজিপি ড. জাবেদ পাটোয়ারীর অফিসে দুই বছর আগে এসপি বেলায়েতের সঙ্গে পরিচয় হয়।  সেই সুবাদে তার সঙ্গে বাদীর সম্পর্ক ভালো হয়।  বাদীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অর্থের প্রতি আসামির কুনজর পড়ে।  ২০১৯ সালের ১১ আগস্ট বাদীর বাবার কাছ থেকে নিয়ে বেলায়েতকে ৫ লাখ টাকা ঋণ দেন। পরে ঋণের টাকা বেলায়েত চেকের মাধ্যমে ফেরত দেন। ২০২০ সালের ৪ এপ্রিল বেলায়েত বাদীর বাবাকে ফোন করে বলেন, ৫ লাখ টাকা না দিলে তার ছেলের (বাদী) অসুবিধা হবে।  পরে বাদির বাবা ৫ লাখ টাকার একটি চেক আসামিকে দেন।  ১০ এপ্রিল বাদীর বাবা ও সাক্ষী কথা বলে জানতে পারেন, ব্ল্যাকমেইল করে চেকটি আসামি নিয়ে যায়।

গত ৮ আগস্ট বেলায়েতসহ অজ্ঞাতনামা ১৫-১৬ জন গোয়েন্দা পুলিশ ডিবির পরিচয় দিয়ে বাদীর বাসায় প্রবেশ করে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।  টাকা না দিলে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানো হবে এবং নারায়ণগঞ্জের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভ্রামমাণ আদালত নিয়ে জরিমানাসহ জেলে দেয়া হবে বলে হুমকি দেয় তারা।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এ অবস্থায় বাদী কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন এবং বার বার আসামি বেলায়েতকে বলেন- আপনি আমাদের কাছের লোক, কী বলছেন? তখন আসামি বেলায়েত অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং টাকা দিতে না পারায় মারপিট করে মুক্তিপণের জন্য অপহরণ করে অন্যায় ও বেআইনিভাবে মিন্টু রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যান।  সেখানে নিয়ে বাদীকে ২৫ লাখ টাকা দিতে বলেন। নতুবা ক্রসফায়ার অথবা ফেনসিডিলসহ অস্ত্র দিয়ে মামলা দেয়া হবে বলে হুমকি দেন। তখন বাদী সাড়ে তিন লাখ টাকা আসামি বেলায়েতের হাতে তুলে দেন এবং ১০ আগস্ট আরও ৫০ হাজার টাকা দেন। আসামির সঙ্গে ১৫ লাখ টাকায় রফাদফা করে বাদীর বাবা ৫ লাখ টাকার চেক দিয়ে সমন্বয় করেন। আরও ৬ লাখ টাকা সাত দিনের মধ্যে দিতে বলেন।  তা না হলে বাদীর ব্যবসা বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেন বেলায়েত।