রিজেন্টের সাহেদ ও মাসুদের ৫৮ ব্যাংক হিসাব জব্দ
jugantor
রিজেন্টের সাহেদ ও মাসুদের ৫৮ ব্যাংক হিসাব জব্দ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:২৫:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

রিজেন্টের সাহেদ ও মাসুদের ৫৮ ব্যাংক হিসাব জব্দ

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ও প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ পারভেজের মোট ৫৮টি ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১১ কোটি টাকা রয়েছে।

বুধবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন।

জানতে জাইলে সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল যুগান্তরকে বলেন, সাহেদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং মামলার তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তদন্তে তারা ওই ৫৮টি ব্যাংক হিসাব জব্দের আবেদন করেছে। এরমধ্যে সাহেদের ৪৩টি ও মাসুদের ১৩টি ব্যাংক হিসাব রয়েছে। এসব হিসাবে মোট প্রায় ১১ কোটি টাকা রয়েছে।

এর আগে গত ২৫ আগস্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ১১ কোটি দুই লাখ ২৭ হাজার ৮২৭ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সাহেদ ও মাসুদসহ আরও ৬-৭ জন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলাটি করে সিআইডি।

প্রসঙ্গত, করোনা পরীক্ষা ও চিকিৎসার নামে প্রতারণা মামলায় গত ১৫ জুলাই সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরদিন এ মামলায় তার ১০ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত। এ রিমান্ড শেষে গত ২৬ জুলাই সাহেদের ঢাকার অপর চার মামলায় ২৮ দিন ও সাতক্ষীরার এক মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। এরপর আদালতের অনুমতি নিয়ে ডিবি পুলিশ সাহেদকে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করে। এ ঘটনায়ও অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়।

এ ছাড়া গত ২৭ জুলাই সাহেদসহ চার জনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে আরেকটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় পদ্মা ব্যাংকের এক কোটি টাকা (সুদাসলসহ দুই কোটি ৭১ লাখ টাকা) আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়। সাহেদের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ সারা দেশে অর্ধশতাধিক মামলা রয়েছে।

রিজেন্টের সাহেদ ও মাসুদের ৫৮ ব্যাংক হিসাব জব্দ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:২৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
রিজেন্টের সাহেদ ও মাসুদের ৫৮ ব্যাংক হিসাব জব্দ
ফাইল ছবি

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ও প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ পারভেজের মোট ৫৮টি ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।  এসব ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১১ কোটি টাকা রয়েছে।  

বুধবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন।

জানতে জাইলে সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল যুগান্তরকে বলেন, সাহেদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং মামলার তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তদন্তে তারা ওই ৫৮টি ব্যাংক হিসাব জব্দের আবেদন করেছে। এরমধ্যে সাহেদের ৪৩টি ও মাসুদের ১৩টি ব্যাংক হিসাব রয়েছে। এসব হিসাবে মোট প্রায় ১১ কোটি টাকা রয়েছে।

এর আগে গত ২৫ আগস্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ১১ কোটি দুই লাখ ২৭ হাজার ৮২৭ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সাহেদ ও মাসুদসহ আরও ৬-৭ জন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলাটি করে সিআইডি।

প্রসঙ্গত, করোনা পরীক্ষা ও চিকিৎসার নামে প্রতারণা মামলায় গত ১৫ জুলাই সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।  পরদিন এ মামলায় তার ১০ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত।  এ রিমান্ড শেষে গত ২৬ জুলাই সাহেদের ঢাকার অপর চার মামলায় ২৮ দিন ও সাতক্ষীরার এক মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। এরপর আদালতের অনুমতি নিয়ে ডিবি পুলিশ সাহেদকে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করে।  এ ঘটনায়ও অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। 

এ ছাড়া গত ২৭ জুলাই সাহেদসহ চার জনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে আরেকটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।  মামলায় পদ্মা ব্যাংকের এক কোটি টাকা (সুদাসলসহ দুই কোটি ৭১ লাখ টাকা) আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়।  সাহেদের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ সারা দেশে অর্ধশতাধিক মামলা রয়েছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : রিজেন্ট গ্রুপ চেয়ারম্যান সাহেদ কাণ্ড