অস্ত্র মামলায় আদালতে ন্যায়বিচার চাইলেন সাহেদ
jugantor
অস্ত্র মামলায় আদালতে ন্যায়বিচার চাইলেন সাহেদ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৭:৫৫:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলায় রিজেন্ট গ্রুপ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মো. সাহেদ নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেছেন।

বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে সাহেদ এ দাবি করেন।

আদালত তার কাছে জানতে চান এ মামলায় আপনার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে, আপনি কি সাফাই সাক্ষী দেবেন। উত্তরে সাহেদ বলেন তিনি সাফাই সাক্ষী দেবেন না এবং নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। আদালত তার জবাব পেয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য পরবর্তী দিন ধার্য্য করেন। আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুজ্জামানসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। গত ১০ আগস্ট এ মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে দেয়া চার্জশিট (অভিযোগপত্র) আমলে নেন আদালত। গত ৩০ জুলাই এ মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।

গত ৬ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। অভিযানে ভুয়া করোনা টেস্টের রিপোর্ট, করোনা চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম উঠে আসে। এরপর রিজেন্ট হাসপাতালের দুটি শাখাকেই সিলগালা করা হয়। গত ৭ জুলাই রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় করোনা টেস্ট প্রতারণার অভিযোগে মামলাটি করে র‌্যাব।

মামলায় সাহেদসহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় গত ১৫ জুলাই সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকায় আনা হয়। পরদিন এ মামলায় তার ১০ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত। এরপর আদালতের অনুমতি নিয়ে ডিবি পুলিশ সাহেদকে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করে। সাহেদের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ সারা দেশে অর্ধশতাধিক মামলা রয়েছে।

অস্ত্র মামলায় আদালতে ন্যায়বিচার চাইলেন সাহেদ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলায় রিজেন্ট গ্রুপ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মো. সাহেদ নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেছেন। 

বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে সাহেদ এ দাবি করেন। 

আদালত তার কাছে জানতে চান এ মামলায় আপনার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে, আপনি কি সাফাই সাক্ষী দেবেন।  উত্তরে সাহেদ বলেন তিনি সাফাই সাক্ষী দেবেন না এবং নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।  আদালত তার জবাব পেয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য পরবর্তী দিন ধার্য্য করেন।  আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুজ্জামানসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী। 

এর আগে গত ২৭ আগস্ট আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। গত ১০ আগস্ট এ মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে দেয়া চার্জশিট (অভিযোগপত্র) আমলে নেন আদালত। গত ৩০ জুলাই এ মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।

গত ৬ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। অভিযানে ভুয়া করোনা টেস্টের রিপোর্ট, করোনা চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম উঠে আসে। এরপর রিজেন্ট হাসপাতালের দুটি শাখাকেই সিলগালা করা হয়। গত ৭ জুলাই রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় করোনা টেস্ট প্রতারণার অভিযোগে মামলাটি করে র‌্যাব।

মামলায় সাহেদসহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় গত ১৫ জুলাই সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।  পরে হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকায় আনা হয়।  পরদিন এ মামলায় তার ১০ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত। এরপর আদালতের অনুমতি নিয়ে ডিবি পুলিশ সাহেদকে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করে। সাহেদের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ সারা দেশে অর্ধশতাধিক মামলা রয়েছে।
 

 

ঘটনাপ্রবাহ : রিজেন্ট গ্রুপ চেয়ারম্যান সাহেদ কাণ্ড