জামিন পেলেন সেই চিত্ত রঞ্জন দাস
jugantor
জামিন পেলেন সেই চিত্ত রঞ্জন দাস

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২১ অক্টোবর ২০২১, ১৭:১৬:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কৃত ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর চিত্ত রঞ্জন দাসকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলায় জামিন দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালত সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চিত্ত রঞ্জন দাসের বিরুদ্ধে কে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গত ১৪ অক্টোবর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ইয়াসমিন আরা তার জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ১১ সেপ্টেম্বর সবুজবাগ থানার ভুক্তভোগী নারী মামলাটি করেন।

জানা যায়, সবুজবাগ কালীবাড়ি রাস্তাসংলগ্ন ওই নারীর শ্বশুরের দোকান রয়েছে। তার পাশের চা দোকানি নিজের দোকান সংস্কার করতে চাইলে কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাস সেই দোকানদারের কাছে ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন। চাঁদার বিষয়ে সত্যতা যাচাই করার জন্য ওই নারী চিত্তরঞ্জন দাসকে ফোন করেন। তখন চিত্তরঞ্জন তাকে রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে তার রাজারবাগ কালীবাড়ি কার্যালয়ে যেতে বলেন। রাত পৌনে ১০টার দিকে ওই নারী স্বামীসহ কাউন্সিলরের কার্যালয়ে যান। সেখানে চাঁদার বিষয়ে জানতে চাইলে চিত্তরঞ্জন দাস ওই নারীকে পাশের কক্ষে বসতে বলেন। পরে চিত্তরঞ্জন ওই কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন এবং ওই নারীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এ অভিযোগে ১১ সেপ্টেম্বর সবুজবাগ থানায় ওই নারী চিত্তরঞ্জন দাসের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

জামিন পেলেন সেই চিত্ত রঞ্জন দাস

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২১ অক্টোবর ২০২১, ০৫:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কৃত ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর চিত্ত রঞ্জন দাসকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলায় জামিন দিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালত সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

 ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চিত্ত রঞ্জন দাসের বিরুদ্ধে  কে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গত ১৪ অক্টোবর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ইয়াসমিন আরা তার জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ১১ সেপ্টেম্বর সবুজবাগ থানার ভুক্তভোগী নারী মামলাটি করেন।

জানা যায়, সবুজবাগ কালীবাড়ি রাস্তাসংলগ্ন ওই নারীর শ্বশুরের দোকান রয়েছে। তার পাশের চা দোকানি নিজের দোকান সংস্কার করতে চাইলে কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাস সেই দোকানদারের কাছে ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন। চাঁদার বিষয়ে সত্যতা যাচাই করার জন্য ওই নারী চিত্তরঞ্জন দাসকে ফোন করেন। তখন চিত্তরঞ্জন তাকে রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে তার রাজারবাগ কালীবাড়ি কার্যালয়ে যেতে বলেন। রাত পৌনে ১০টার দিকে ওই নারী স্বামীসহ কাউন্সিলরের কার্যালয়ে যান। সেখানে চাঁদার বিষয়ে জানতে চাইলে চিত্তরঞ্জন দাস ওই নারীকে পাশের কক্ষে বসতে বলেন। পরে চিত্তরঞ্জন ওই কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন এবং ওই নারীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এ অভিযোগে ১১ সেপ্টেম্বর সবুজবাগ থানায় ওই নারী চিত্তরঞ্জন দাসের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর