নিয়োগে দুর্নীতি: জীবন বীমার এমডির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
jugantor
নিয়োগে দুর্নীতি: জীবন বীমার এমডির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২০ জানুয়ারি ২০২২, ২১:১৮:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

নিয়োগে দুর্নীতি: জীবন বীমার এমডির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

জীবন বীমা করপোরেশনে নিয়োগে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় সংস্থার এমডিসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুদকের সহকারী পরিচালক নুর আলম সিদ্দিকী বাদী হয়ে কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা করেন।

আসামিরা হলেন- জীবন বীমা করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জহুরুল হক ও সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (প্রশাসন) মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম।

এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন দুদক সচিব মো. মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও দপ্তরগুলো সব নিয়ম-কানুন মেনে চললে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি সম্ভব হতো না। আশা করছি, নিয়োগ দুর্নীতি বন্ধ হবে। এ দুর্নীতির সঙ্গে আরও যারা জড়িত তাদের বিষয়েও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধে দুদক প্রতিনিয়ত কাজ করে চলছে। সরকারি বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে আরও কঠোরভাবে নজরদারি করবে দুদক।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার প্রেস ব্রিফিংয়ে দুদক সচিব জীবন বীমার দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে করা মামলার বিভিন্ন বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে পছন্দের লোকদের নিয়োগের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ও উত্তরের ক্রমবিন্যাস নিজের মতো করে সাজানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুদক সচিব মাহবুব হোসেন জানান, ওই নিয়োগ দুর্নীতির বিষয়ে দুদকের হটলাইনে কল করে অভিযোগ দেওয়া হয়। সেপ্টেম্বরে অভিযোগ পেয়ে কমিশনের এনফোর্সমেন্ট টিম সেখানে অভিযান চালায়। সেখান থেকে বেশকিছু নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়। পরে আরও অনুসন্ধান করে মামলাটি করা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, অসৎ উদ্দেশ্যে আসামিরা জীবন বীমা করপোরেশনে নিয়োগের জন্য প্রক্রিয়াধীন উচ্চমান সহকারী, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ও অফিস সহায়ক পদে লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন কমিটি কর্তৃক সরবরাহকৃত প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র নিজেদের মনমতো পরিবর্তন করেন। পছন্দের প্রার্থীদের প্রশ্ন ও উত্তর জানিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ করেছেন। আসামিরা তাদের ওপর অর্পিত সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধজনকভাবে বিশ্বাস ভঙ্গের কাজ করে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। মামলার এজাহারে ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে বলে উল্লে­খ করা হয়।

নিয়োগে দুর্নীতি: জীবন বীমার এমডির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২০ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নিয়োগে দুর্নীতি: জীবন বীমার এমডির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
ফাইল ছবি

জীবন বীমা করপোরেশনে নিয়োগে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় সংস্থার এমডিসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুদকের সহকারী পরিচালক নুর আলম সিদ্দিকী বাদী হয়ে কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা করেন। 

আসামিরা হলেন- জীবন বীমা করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জহুরুল হক ও সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (প্রশাসন) মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম। 

এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন দুদক সচিব মো. মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও দপ্তরগুলো সব নিয়ম-কানুন মেনে চললে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি সম্ভব হতো না। আশা করছি, নিয়োগ দুর্নীতি বন্ধ হবে। এ দুর্নীতির সঙ্গে আরও যারা জড়িত তাদের বিষয়েও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধে দুদক প্রতিনিয়ত কাজ করে চলছে। সরকারি বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে আরও কঠোরভাবে নজরদারি করবে দুদক। 

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার প্রেস ব্রিফিংয়ে দুদক সচিব জীবন বীমার দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে করা মামলার বিভিন্ন বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন। 

তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে পছন্দের লোকদের নিয়োগের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ও উত্তরের ক্রমবিন্যাস নিজের মতো করে সাজানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। 

দুদক সচিব মাহবুব হোসেন জানান, ওই নিয়োগ দুর্নীতির বিষয়ে দুদকের হটলাইনে কল করে অভিযোগ দেওয়া হয়। সেপ্টেম্বরে অভিযোগ পেয়ে কমিশনের এনফোর্সমেন্ট টিম সেখানে অভিযান চালায়। সেখান থেকে বেশকিছু নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়। পরে আরও অনুসন্ধান করে মামলাটি করা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, অসৎ উদ্দেশ্যে আসামিরা জীবন বীমা করপোরেশনে নিয়োগের জন্য প্রক্রিয়াধীন উচ্চমান সহকারী, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ও অফিস সহায়ক পদে লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন কমিটি কর্তৃক সরবরাহকৃত প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র নিজেদের মনমতো পরিবর্তন করেন। পছন্দের প্রার্থীদের প্রশ্ন ও উত্তর জানিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ করেছেন। আসামিরা তাদের ওপর অর্পিত সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধজনকভাবে বিশ্বাস ভঙ্গের কাজ করে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। মামলার এজাহারে ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে বলে উল্লে­খ করা হয়। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন