সাবেক সেনাপ্রধান হারুনের জামিন আবেদন খারিজ
jugantor
সাবেক সেনাপ্রধান হারুনের জামিন আবেদন খারিজ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৯ জুন ২০২২, ২২:০২:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

সাবেক সেনাপ্রধান হারুনের জামিন আবেদন খারিজ

গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় নিম্ন আদালতে চার বছরের সাজাপ্রাপ্ত ডেসটিনির প্রেসিডেন্ট ও সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদের জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে নিম্ন আদালত থেকে মামলার নথি তলব করা হয়েছে।

হারুন-অর-রশিদের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে হারুনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট রবিউল আলম বুদু ও ব্যারিস্টার মাইনুল ইসলাম। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের দায়ে ১২ মে ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনকে ১২ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কিন্তু একই মামলায় কোম্পানির প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে হারুনের আইনজীবীরা আপিলের পাশাপাশি জামিনের আবেদনও করেছিলেন।

ডেসটিনি মালটিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির প্রায় ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই কলাবাগান থানায় মামলা করে দুদক। ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট অভিযোগ গঠন করে আদালত আসামিদের বিচার শুরুর আদেশ দেন।

সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে চার হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে ডেসটিনির বিরুদ্ধে। এর মধ্যে মালটিপারপাস কো-অপারেটিভের নামে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা সংগ্রহ করে ডেসটিনি। সেখান থেকে ১ হাজার ৮৬১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। তাতে সাড়ে ৮ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়েন।

সাবেক সেনাপ্রধান হারুনের জামিন আবেদন খারিজ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৯ জুন ২০২২, ১০:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সাবেক সেনাপ্রধান হারুনের জামিন আবেদন খারিজ
ফাইল ছবি

গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় নিম্ন আদালতে চার বছরের সাজাপ্রাপ্ত ডেসটিনির প্রেসিডেন্ট ও সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদের জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে নিম্ন আদালত থেকে মামলার নথি তলব করা হয়েছে।

হারুন-অর-রশিদের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে হারুনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট রবিউল আলম বুদু ও ব্যারিস্টার মাইনুল ইসলাম। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের দায়ে ১২ মে ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনকে ১২ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কিন্তু একই মামলায় কোম্পানির প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে হারুনের আইনজীবীরা আপিলের পাশাপাশি জামিনের আবেদনও করেছিলেন। 

ডেসটিনি মালটিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির প্রায় ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই কলাবাগান থানায় মামলা করে দুদক। ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট অভিযোগ গঠন করে আদালত আসামিদের বিচার শুরুর আদেশ দেন।

সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে চার হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে ডেসটিনির বিরুদ্ধে। এর মধ্যে মালটিপারপাস কো-অপারেটিভের নামে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা সংগ্রহ করে ডেসটিনি। সেখান থেকে ১ হাজার ৮৬১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। তাতে সাড়ে ৮ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়েন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন