এনামুল বাছিরের জামিন আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ
jugantor
এনামুল বাছিরের জামিন আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২০:৩৫:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

ঘুষ গ্রহণের মামলায় আট বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক থেকে বরখাস্ত খন্দকার এনামুল বাছিরের জামিন আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। এনামুল বাছিরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী।

পরে আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী বলেন, এখন অবকাশকালীন কোর্ট চলছে। তাই আদালত বলছেন, নিয়মিত কোর্টে যেতে। এ কারণে কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন। এখন কোর্ট খুললে নিয়মিত আদালতে আবেদন করব।

এর আগে গত ২৩ আগস্ট বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে জামিন দেন। কিন্তু আপিলের নথিতে জামিন আবেদন না থাকায় পরদিন সে জামিন আদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

গত ১৩ এপ্রিল দণ্ডের বিরুদ্ধে এনামুল বাছিরের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ৮০ লাখ টাকা জরিমানা স্থগিত করেছিলেন উচ্চ আদালত।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ মামলায় রায় দেন। রায়ে দুদকের বরখাস্তকৃত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে আট বছর ও পুলিশের বরখাস্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে তিন বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া বাছিরকে ৮০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এর মধ্যে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে মিজানকে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারায় ও বাছিরকে দণ্ডবিধির ১৬৫(এ) ধারায় তিন বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে মানিলন্ডারিং আইনের চার ধারায় বাছিরকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৮০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাছিরের দুটি দণ্ড একসঙ্গে চলবে বলে তাকে পাঁচ বছর দণ্ড ভোগ করতে হবে।

এনামুল বাছিরের জামিন আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঘুষ গ্রহণের মামলায় আট বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক থেকে বরখাস্ত খন্দকার এনামুল বাছিরের জামিন আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

বুধবার বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। এনামুল বাছিরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী।

পরে আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী বলেন, এখন অবকাশকালীন কোর্ট চলছে। তাই আদালত বলছেন, নিয়মিত কোর্টে যেতে। এ কারণে কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন। এখন কোর্ট খুললে নিয়মিত আদালতে আবেদন করব।  

এর আগে গত ২৩ আগস্ট বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে জামিন দেন। কিন্তু আপিলের নথিতে জামিন আবেদন না থাকায় পরদিন সে জামিন আদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

গত ১৩ এপ্রিল দণ্ডের বিরুদ্ধে এনামুল বাছিরের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ৮০ লাখ টাকা জরিমানা স্থগিত করেছিলেন উচ্চ আদালত।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ মামলায় রায় দেন। রায়ে দুদকের বরখাস্তকৃত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে আট বছর ও পুলিশের বরখাস্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে তিন বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া বাছিরকে ৮০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এর মধ্যে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে মিজানকে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারায় ও বাছিরকে দণ্ডবিধির ১৬৫(এ) ধারায় তিন বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে মানিলন্ডারিং আইনের চার ধারায় বাছিরকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৮০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাছিরের দুটি দণ্ড একসঙ্গে চলবে বলে তাকে পাঁচ বছর দণ্ড ভোগ করতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন