৮৬ হাজার দুস্থ ও অসহায় পরিবারকে ঈদ উপহার দেবে ডিএনসিসি

  যুগান্তর রিপোর্ট ২১ মে ২০২০, ২০:১৮:৩৩ | অনলাইন সংস্করণ

মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) নিজস্ব তহবিল থেকে ডিএনসিসি এলাকার ৮৬ হাজার দুস্থ ও অসহায় পরিবারকে ঈদ উপহার পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় ডিএনসিসির ওয়ার্ড কাউন্সিলর, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক অনলাইন সভায় তিনি এ কথা জানান।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৫৪জন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ১৮জন সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলরের প্রত্যেকের মাধ্যমে ১ হাজার করে ৭২ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদের উপহার বিতরণ করা হবে। এছাড়া অন্যদের মাধ্যমে আরও ১৪ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হবে। ঈদ উপহারের প্রতিটি প্যাকেটে চিনি ১ কেজি, সুজি ৫০০ গ্রাম, মুসুর ডাল ১ কেজি, মিনিকেট চাল ২ কেজি, ময়দা ১ কেজি ও গুড়া দুধ ২৫০ গ্রাম থাকবে।

যেসব পরিবার ইতিমধ্যে মানবিক সহায়তা, ওএমএস কার্ড এবং অন্য কোনোভাবে ত্রাণ সামগ্রী পাননি মেয়র তাদের মাঝে এসব ঈদ উপহার বিতরণ করার নির্দেশ দেন। কোনো পরিবারকে যেন একাধিকবার ঈদ উপহার দেয়া না হয় সেজন্য তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।

ডিএনসিসির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে এসব ঈদ উপহার বিতরণ করার পরামর্শ দেয়া হয়। এছাড়া করোনাভাইরাস মোকাবেলায় চলমান অন্যান্য ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সভায় আতিকুল ইসলাম জানান, ডিএনসিসি এলাকার ১ হাজার ৮৯০টি মসজিদের ইমামদের প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা এবং মুয়াজ্জিনদের প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে ঈদ উপহার ইতিমধ্যে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষতার সঙ্গে যেভাবে দুর্যোগ মোকাবেলা করছেন তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ আমাদেরকে অক্ষরে-অক্ষরে পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে আমাদেরকে দাঁড়াতে হবে। সব ত্রাণ সামগ্রী বা ঈদ উপহার স্বচ্ছতার সঙ্গে বিতরণ করতে হবে।

আতিকুল ইসলাম বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় দুই মাস ধরে হোল্ডিং ট্যাক্সসহ অন্যান্য রাজস্ব আদায় বন্ধ আছে। রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্প্রসারিত এলাকার কলকারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসমূহ অবিলম্বে করের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

এডিস মশা প্রতিরোধে চলমান চিরুনি অভিযান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চিরুনি অভিযান’ জনগণের কাছে অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছে। ব্যক্তি মালিকানাধীন বাসাবাড়ি, ভবন, নির্মাণাধীন স্থাপনা ছাড়াও যে কোনো প্রতিষ্ঠান, এমনকি সরকারি প্রতিষ্ঠানেও এডিস মশার লার্ভা কিংবা এডিস মশা বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঈদের নামাজের জামাত প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, করোনাভাইরাসে গণসংক্রমণ রোধে কোনো অবস্থাতেই বাইরে ঈদের জামাতের আয়োজন করতে দেয়া যাবে না। এজন্য সব কাউন্সিলরকে তিনি সচেতন থাকার নির্দেশনা দেন।

সভায় সব ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই, সচিব রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা তাজিনা সারোয়ার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও
 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত