‘বঙ্গবন্ধুর সঞ্জীবনী স্পর্শে বাংলাদেশ জেগে ওঠে’
jugantor
‘বঙ্গবন্ধুর সঞ্জীবনী স্পর্শে বাংলাদেশ জেগে ওঠে’

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৫ আগস্ট ২০২০, ১৭:৪৮:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধুর সঞ্জীবনী স্পর্শে বাংলাদেশ জেগে ওঠে বলে মন্তব্য করেছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। তিনি বলেন, যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মাণই ছিল তার ব্রত। 

জাতীয় শোক দিবস ২০২০ পালন উপলক্ষে শনিবার রাজধানীর মিরপুর-১০ এ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মিরপুরের দরিদ্র অসহায়দের মাঝে  খাবার বিতরণকালে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে বঙ্গবন্ধু বাকশাল গঠনের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধী চক্র জাতির পিতাকে ১৫ আগস্ট সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে বাংলাদেশের উন্নয়নের গতিধারাকে স্তব্ধ করে দেয়। 

পঁচাত্তরে ১৫ আগস্ট পরবর্তীকালের পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে জয় বাংলা স্লোগানের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল, তাকে হত্যার পর সেই স্লোগান বন্ধ করে দেয়া হয়। ষড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে চিরতরে মুছে ফেলার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছে, কিন্তু তারা সফল হয়নি। ইতিহাসে বারবার প্রমাণিত হয়েছে বাংলাদেশ মানে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ। 

সভা শেষে শিল্প প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে মিরপুরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের প্রায় ১৩ হাজার মানুষের কাছে রান্না করা উন্নতমানের খাবার পৌঁছে দেয়া হয়। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। 

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার এএইচএম মাসুম বিল্লাহ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়।

‘বঙ্গবন্ধুর সঞ্জীবনী স্পর্শে বাংলাদেশ জেগে ওঠে’

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৫ আগস্ট ২০২০, ০৫:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধুর সঞ্জীবনী স্পর্শে বাংলাদেশ জেগে ওঠে বলে মন্তব্য করেছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। তিনি বলেন, যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মাণই ছিল তার ব্রত।

জাতীয় শোক দিবস ২০২০ পালন উপলক্ষে শনিবার রাজধানীর মিরপুর-১০ এ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মিরপুরের দরিদ্র অসহায়দের মাঝে খাবার বিতরণকালে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে বঙ্গবন্ধু বাকশাল গঠনের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধী চক্র জাতির পিতাকে ১৫ আগস্ট সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে বাংলাদেশের উন্নয়নের গতিধারাকে স্তব্ধ করে দেয়।

পঁচাত্তরে ১৫ আগস্ট পরবর্তীকালের পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে জয় বাংলা স্লোগানের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল, তাকে হত্যার পর সেই স্লোগান বন্ধ করে দেয়া হয়। ষড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে চিরতরে মুছে ফেলার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছে, কিন্তু তারা সফল হয়নি। ইতিহাসে বারবার প্রমাণিত হয়েছে বাংলাদেশ মানে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ।

সভা শেষে শিল্প প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে মিরপুরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের প্রায় ১৩ হাজার মানুষের কাছে রান্না করা উন্নতমানের খাবার পৌঁছে দেয়া হয়। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার এএইচএম মাসুম বিল্লাহ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়।

 

ঘটনাপ্রবাহ : অশ্রুঝরা আগস্ট