১২ ডিসেম্বর জাতীয় সাইবার ড্রিল
jugantor
১২ ডিসেম্বর জাতীয় সাইবার ড্রিল

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০১ ডিসেম্বর ২০২০, ২০:৪২:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

১২ ডিসেম্বর জাতীয় সাইবার ড্রিল

তথ্যপ্রযুক্তি খাতের নিরাপত্তায় দেশে এই প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় সাইবার ড্রিল (এনসিডি) ২০২০। সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের পক্ষে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।

অনলাইনে আগামী ১২ থেকে ১৩ ডিসেম্বর এই দুই দিন প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হবে। যে কোনো প্রতিষ্ঠানের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের কর্মকর্তা এতে অংশ নিতে পারবেন।

সাইবার বিষয়ে যেসব শিক্ষার্থী নিজেদের ক্যারিয়ার গড়তে চান তারাও এতে অংশ নিয়ে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন। দলগতভাবে এতে অংশ নিতে হবে।

আগামী ১২ ডিসেম্বর ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস উপলক্ষে এই ড্রিলের আয়োজন করা হয়েছে। এতে অংশ নিতে সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের আওতায় গঠিত সাইবার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিমের (সার্ট) ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে।

সার্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কম্পিউটার প্রযুক্তির বিকাশের ফলে প্রায় সব খাতে এর ব্যবহার বাড়ছে। ফলে নিরাপত্তা ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। প্রতিদিন লাখ লাখ ব্যবহারকারী সাইবার হামলার শিকার হচ্ছে। এতে আর্থিক ক্ষতি যেমন হচ্ছে, তেমনি তথ্য চুরি বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হচ্ছে। এ কারণে সাইবার নিরাপত্তা বাড়াতে এখন প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে, তেমনি এ বিষয়ে দক্ষ কর্মীও নিয়োগ করছে। ফলে এ খাতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ কর্মী নেই। এ খাতে দক্ষ কর্মীর সংখ্যা বাড়াতেই সার্ট সাইবার ড্রিলের উদ্যোগ নিয়েছে।

সাইবার ড্রিলের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সার্ভারে বেশকিছু তথ্য উপাত্ত দেয়া হয়। দলভিত্তিক অংশ গ্রহণ করে কে, কত উপাত্ত শনাক্ত করতে পারেন- তার ভিত্তিতে নাম্বার দেয়া হয়। অর্থাৎ ভাইরাস শনাক্ত বা অকেজো করে সাইবার সিস্টেমসকে সচল রাখতে অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এতে দলগুলো একে অপরের সিস্টেমকে আক্রমণ করে ক্ষত-বিক্ষত করার পাশাপাশি নিজের সিস্টেমকে রক্ষা করার জন্য কাজ করে।

এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে গত ১৮ নভেম্বর থেকে নিবন্ধন শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এর আগে গত মাসে শুধু আর্থিক খাতের জন্য সাইবার ড্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এতে ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধরনের সংস্থার মোট ৩৫টি দল অংশগ্রহণ করেছিল। এর মধ্যে ১৫টি ছিল ব্যাংকের বাইরের আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। এতে সাইবার ঝুঁকি চিহ্নিত করা ও তা মোকাবেলায় সর্বোচ্চ ৮৫ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছে এনসিসি ব্যাংক। দ্বিতীয় পূর্বালী ব্যাংক এবং তৃতীয় হয়েছে ইনফরমেশন টেকনোলজি কনসালটেন্ট লিমিটেড।

এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক ৪র্থ, আইএফআইসি ব্যাংক ৫ম, জনতা ব্যাংক ষষ্ঠ, ব্র্যাক নেট ৭ম, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক ৮ম, সাইবার ডিফন্ডার্স ৯ম এবং ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) ১০ম স্থান লাভ করে।

সাইবার ড্রিল পরিচালনা করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থ প্রতিম দেব এবং বিডি সার্টের প্রকল্প পরিচালক তারিক এম বরকতুল্লাহ।

১২ ডিসেম্বর জাতীয় সাইবার ড্রিল

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
১২ ডিসেম্বর জাতীয় সাইবার ড্রিল
ছবি: সংগৃহীত

তথ্যপ্রযুক্তি খাতের নিরাপত্তায় দেশে এই প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় সাইবার ড্রিল (এনসিডি) ২০২০। সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের পক্ষে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। 

অনলাইনে আগামী ১২ থেকে ১৩ ডিসেম্বর এই দুই দিন প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হবে। যে কোনো প্রতিষ্ঠানের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের কর্মকর্তা এতে অংশ নিতে পারবেন। 

সাইবার বিষয়ে যেসব শিক্ষার্থী নিজেদের ক্যারিয়ার গড়তে চান তারাও এতে অংশ নিয়ে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন। দলগতভাবে এতে অংশ নিতে হবে।

আগামী ১২ ডিসেম্বর ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস উপলক্ষে এই ড্রিলের আয়োজন করা হয়েছে। এতে অংশ নিতে সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের আওতায় গঠিত সাইবার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিমের (সার্ট) ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে।

সার্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কম্পিউটার প্রযুক্তির বিকাশের ফলে প্রায় সব খাতে এর ব্যবহার বাড়ছে। ফলে নিরাপত্তা ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। প্রতিদিন লাখ লাখ ব্যবহারকারী সাইবার হামলার শিকার হচ্ছে। এতে আর্থিক ক্ষতি যেমন হচ্ছে, তেমনি তথ্য চুরি বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হচ্ছে। এ কারণে সাইবার নিরাপত্তা বাড়াতে এখন প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে, তেমনি এ বিষয়ে দক্ষ কর্মীও নিয়োগ করছে। ফলে এ খাতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ কর্মী নেই। এ খাতে দক্ষ কর্মীর সংখ্যা বাড়াতেই সার্ট সাইবার ড্রিলের উদ্যোগ নিয়েছে।

সাইবার ড্রিলের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সার্ভারে বেশকিছু তথ্য উপাত্ত দেয়া হয়। দলভিত্তিক অংশ গ্রহণ করে কে, কত উপাত্ত শনাক্ত করতে পারেন- তার ভিত্তিতে নাম্বার দেয়া হয়। অর্থাৎ ভাইরাস শনাক্ত বা অকেজো করে সাইবার সিস্টেমসকে সচল রাখতে অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এতে দলগুলো একে অপরের সিস্টেমকে আক্রমণ করে ক্ষত-বিক্ষত করার পাশাপাশি নিজের সিস্টেমকে রক্ষা করার জন্য কাজ করে।

এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে গত ১৮ নভেম্বর থেকে নিবন্ধন শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এর আগে গত মাসে শুধু আর্থিক খাতের জন্য সাইবার ড্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এতে ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধরনের সংস্থার মোট ৩৫টি দল অংশগ্রহণ করেছিল। এর মধ্যে ১৫টি ছিল ব্যাংকের বাইরের আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। এতে সাইবার ঝুঁকি চিহ্নিত করা ও তা মোকাবেলায় সর্বোচ্চ ৮৫ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছে এনসিসি ব্যাংক। দ্বিতীয় পূর্বালী ব্যাংক এবং তৃতীয় হয়েছে ইনফরমেশন টেকনোলজি কনসালটেন্ট লিমিটেড। 

এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক ৪র্থ, আইএফআইসি ব্যাংক ৫ম, জনতা ব্যাংক ষষ্ঠ, ব্র্যাক নেট ৭ম, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক ৮ম, সাইবার ডিফন্ডার্স ৯ম এবং ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) ১০ম স্থান লাভ করে।

সাইবার ড্রিল পরিচালনা করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থ প্রতিম দেব এবং বিডি সার্টের প্রকল্প পরিচালক তারিক এম বরকতুল্লাহ।