রুনুর ‘জয় বাংলা’ ধ্বনিতে করোনার টিকা দেওয়া শুরু
jugantor
রুনুর ‘জয় বাংলা’ ধ্বনিতে করোনার টিকা দেওয়া শুরু

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ জানুয়ারি ২০২১, ১৭:০৫:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

রুনুর ‘জয় বাংলা’ ধ্বনিতে করোনার টিকা দেওয়া শুরু

ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের এক নার্সকে করোনার টিকা দেওয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার বিকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে এই টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

ভিডিও কনফারেন্সে প্রথম ৫ জনের ওপর টিকার প্রয়োগ সরাসরি প্রত্যক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সরকারপ্রধান বলেন, বর্তমান সরকার দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে তা আবারও প্রমাণ হলো।শিগগিরই সারা দেশে টিকা দেওয়া শুরু হবে, যাতে দেশের মানুষ করোনার বিরুদ্ধে সুরক্ষা পায়।

প্রথম করোনার টিকা দেওয়া হয় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তাকে। টিকা নিয়ে নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন।

প্রথম দিন রুনু কস্তার সঙ্গে একই হাসপাতালের দুজন সিনিয়র স্টাফ নার্স মুন্নী খাতুন ও রিনা সরকারও টিকা নেন।

এদিন আরও টিকা নেন ডা. আহমেদ লুৎফুল মবিন, চিকিৎসক কুর্মিটোলা; অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদফতর; দিদারুল ইসলাম, ট্রাফিক মতিঝিল বিভাগ; ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম ইমরান হামিদ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

প্রথম যারা টিকা পাবেন, তাদের মধ্যে ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়াও পুলিশ, সেনাবাহিনী, গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

উল্লেখ্য, ভারত থেকে টিকার প্রথম চালানে ৫০ লাখ ডোজ গতকাল সোমবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকায় পৌঁছায়। পরে তা নিয়ে যাওয়া হয় টঙ্গীতে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ওয়্যারহাউজে। সেখান থেকে প্রতিটি লটের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরে পাঠানো হয়।

পরদিন মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান জানান, ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট থেকে সরকারিভাবে কেনা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৫০ লাখ টিকা মানবদেহে প্রয়োগের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

তিন কোটি ডোজ কিনতে গত ৫ নভেম্বর সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ সরকার। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি মাসে টিকার ৫০ লাখ ডোজ করে পাঠানোর কথা সেরাম ইনস্টিটিউটের।

এর আগে ভারত সরকারের কাছ থেকে সহায়তার নিদর্শন হিসাবে একই টিকার ২০ লাখ ডোজ পাওয়া গেছে।

রুনুর ‘জয় বাংলা’ ধ্বনিতে করোনার টিকা দেওয়া শুরু

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ জানুয়ারি ২০২১, ০৫:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
রুনুর ‘জয় বাংলা’ ধ্বনিতে করোনার টিকা দেওয়া শুরু
ছবি: পিআইডি

ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের এক নার্সকে করোনার টিকা দেওয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার বিকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে এই টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

ভিডিও কনফারেন্সে প্রথম ৫ জনের ওপর টিকার প্রয়োগ সরাসরি প্রত্যক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সরকারপ্রধান বলেন, বর্তমান সরকার দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে তা আবারও প্রমাণ হলো।শিগগিরই সারা দেশে টিকা দেওয়া শুরু হবে, যাতে দেশের মানুষ করোনার বিরুদ্ধে সুরক্ষা পায়।

প্রথম করোনার টিকা দেওয়া হয় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তাকে। টিকা নিয়ে নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন।

প্রথম দিন রুনু কস্তার সঙ্গে একই হাসপাতালের দুজন সিনিয়র স্টাফ নার্স মুন্নী খাতুন ও রিনা সরকারও টিকা নেন। 

এদিন আরও টিকা নেন ডা. আহমেদ লুৎফুল মবিন, চিকিৎসক কুর্মিটোলা; অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদফতর; দিদারুল ইসলাম, ট্রাফিক মতিঝিল বিভাগ;  ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম ইমরান হামিদ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

প্রথম যারা টিকা পাবেন, তাদের মধ্যে ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়াও পুলিশ, সেনাবাহিনী, গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

উল্লেখ্য, ভারত থেকে টিকার প্রথম চালানে ৫০ লাখ ডোজ গতকাল সোমবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকায় পৌঁছায়। পরে তা নিয়ে যাওয়া হয় টঙ্গীতে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ওয়্যারহাউজে। সেখান থেকে প্রতিটি লটের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরে পাঠানো হয়। 

পরদিন মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান জানান, ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট থেকে সরকারিভাবে কেনা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৫০ লাখ টিকা মানবদেহে প্রয়োগের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

তিন কোটি ডোজ কিনতে গত ৫ নভেম্বর সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ সরকার। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি মাসে টিকার ৫০ লাখ ডোজ করে পাঠানোর কথা সেরাম ইনস্টিটিউটের। 

এর আগে ভারত সরকারের কাছ থেকে সহায়তার নিদর্শন হিসাবে একই টিকার ২০ লাখ ডোজ পাওয়া গেছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১