আর্ম গ্যাং গুলি করবে, আমরা কি শহীদ হয়ে আসব, প্রশ্ন আইজিপির
jugantor
আর্ম গ্যাং গুলি করবে, আমরা কি শহীদ হয়ে আসব, প্রশ্ন আইজিপির

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৮:১৭:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

সাবেক মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর কথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা এখন নেই বললেই চলে। কিন্তু দীর্ঘ প্রায় ৫ মাস পর সেই কক্সবাজারেই একটি বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত হয়েছেন। এ প্রসঙ্গে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ সাংবাদিকদের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেছেন, বন্দুকযুদ্ধ হলে কি আমাদের লোকজন বন্দুক ফেলে পালিয়ে চলে আসবে?

বুধবার দুপুরে রাজধানীর রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের (সিপিএইচ) নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি পাল্টা এ প্রশ্ন রাখেন।

আইজিপি বলেন, জকির (বন্দুকযুদ্ধে নিহত) ভয়াবহ ডাকাত, কক্সবাজারে গিয়ে খবর নেন। গত তিন বছরে তার কাছ থেকে কমপক্ষে দেড়শ’ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল (মঙ্গলবার) যখন গোলাগুলিতে সে মারা গেছে, তখনো তার কাছ থেকে নয়টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। যখন এ ধরনের কোনো বিপজ্জনক আর্ম গ্যাং গুলি করবে, তখন কি আমরা শহীদ হয়ে আসব?

তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা গুলি করলে সেটা প্রতিহত করতেই সরকার পুলিশকে অস্ত্র দিয়েছে। প্রয়োজনের নিরিখে জীবন রক্ষার জন্য সরকারি অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি আরও বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার এলাকার মানুষ জানে, জকির ডাকাত কী জিনিস। তার হাতে কত লোক অপহৃত হয়েছেন, আর কতজন মারা গেছেন। তাই যেটা হয়েছে, সেটা আমি মনে করি, প্রয়োজন হলে হবে না হলে হবে না। এখানে ঘোষণা দিয়ে চালু করা বা বন্ধ করার কোনো বিষয় নেই।

সরকার অস্ত্র দিয়েছে লাঠি হিসেবে ব্যবহারের জন্য না উল্লেখ করে পুলিশপ্রধান বলেন, যেখানে আর্ম গ্যাং আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবহার করবে, সেখানে আমরা প্রয়োজনের নিরিখে জীবন রক্ষার জন্য সরকারি অস্ত্র ব্যবহার করব।

আর্ম গ্যাং গুলি করবে, আমরা কি শহীদ হয়ে আসব, প্রশ্ন আইজিপির

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৬:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সাবেক মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর কথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা এখন নেই বললেই চলে। কিন্তু দীর্ঘ প্রায় ৫ মাস পর সেই কক্সবাজারেই একটি বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত হয়েছেন। এ প্রসঙ্গে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ সাংবাদিকদের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেছেন, বন্দুকযুদ্ধ হলে কি আমাদের লোকজন বন্দুক ফেলে পালিয়ে চলে আসবে? 

বুধবার দুপুরে রাজধানীর রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের (সিপিএইচ) নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি পাল্টা এ প্রশ্ন রাখেন।

আইজিপি বলেন, জকির (বন্দুকযুদ্ধে নিহত) ভয়াবহ ডাকাত, কক্সবাজারে গিয়ে খবর নেন। গত তিন বছরে তার কাছ থেকে কমপক্ষে দেড়শ’ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল (মঙ্গলবার) যখন গোলাগুলিতে সে মারা গেছে, তখনো তার কাছ থেকে নয়টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। যখন এ ধরনের কোনো বিপজ্জনক আর্ম গ্যাং গুলি করবে, তখন কি আমরা শহীদ হয়ে আসব?

তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা গুলি করলে সেটা প্রতিহত করতেই সরকার পুলিশকে অস্ত্র দিয়েছে। প্রয়োজনের নিরিখে জীবন রক্ষার জন্য সরকারি অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।  

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি আরও বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার এলাকার মানুষ জানে, জকির ডাকাত কী জিনিস। তার হাতে কত লোক অপহৃত হয়েছেন, আর কতজন মারা গেছেন। তাই যেটা হয়েছে, সেটা আমি মনে করি, প্রয়োজন হলে হবে না হলে হবে না। এখানে ঘোষণা দিয়ে চালু করা বা বন্ধ করার কোনো বিষয় নেই।

সরকার অস্ত্র দিয়েছে লাঠি হিসেবে ব্যবহারের জন্য না উল্লেখ করে পুলিশপ্রধান বলেন, যেখানে আর্ম গ্যাং আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবহার করবে, সেখানে আমরা প্রয়োজনের নিরিখে জীবন রক্ষার জন্য সরকারি অস্ত্র ব্যবহার করব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন