লকডাউনে আটকেপড়া পোশাক শ্রমিকরা চাকরি হারাবেন না
jugantor
লকডাউনে আটকেপড়া পোশাক শ্রমিকরা চাকরি হারাবেন না

  বাসস  

৩১ জুলাই ২০২১, ২০:৪৬:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

লকডাউন পুরোপুরি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত গ্রামে অবস্থানরত কোনো পোশাক শ্রমিক-কর্মচারী কারখানায় কাজে যোগদান করতে না পারলে তার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিজিএমইএ।

এই সময় কারখানার আশে-পাশে অবস্থানরত শ্রমিকদের নিয়ে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কারখানা মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার সন্ধ্যায় এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে সংগঠনের পক্ষ থেকে এই আহ্বান জানানো হয়। আগামীকাল রোববার থেকে কারখানা খুলে দেওয়ার খবরে অনেক শ্রমিক কর্মস্থলে ফেরার চেষ্টা করছেন। ফেরিতে এবং মহাসড়কে বিভিন্ন পয়েন্টে শহরমুখী শ্রমিকরা ভিড় করছেন। লকডাউনে গণপরিবহণ বন্ধ থাকায় শহরে ফিরতে বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েছেন তারা। এ খবরের পরিপ্রেক্ষিতে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে সন্ধ্যায় বিবৃতি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, সব রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানাগুলো কঠোর বিধিনিষেধের আওতা বহির্ভূত রাখার জন্য শুক্রবার সরকার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর প্রেক্ষিতে রোববার থেকে সব ধরনের রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা চালু হবে।

এদিকে পোশাক কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে বিজিএমইএ।একইসঙ্গে পোশাক শিল্পে কর্মরতদের সম্মুখসারির যোদ্ধা উল্লেখ করে তাদেরকে টিকার আওতায় আনার অনুরোধ করেছেন মালিকরা।

পোশাক ব্যবসায়ী নেতারা জানান, শ্রমিকদের নিরাপত্তায় করোনার টিকার ব্যাপারে সহায়তা চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ক্রেতা প্রতিষ্ঠানদের কাছে তারা ইতোমধ্যে অনুরোধ করেছেন।

লকডাউনে আটকেপড়া পোশাক শ্রমিকরা চাকরি হারাবেন না

 বাসস 
৩১ জুলাই ২০২১, ০৮:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

লকডাউন পুরোপুরি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত গ্রামে অবস্থানরত কোনো পোশাক শ্রমিক-কর্মচারী কারখানায় কাজে যোগদান করতে না পারলে তার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিজিএমইএ।

এই সময় কারখানার আশে-পাশে অবস্থানরত শ্রমিকদের নিয়ে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কারখানা মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার সন্ধ্যায় এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে সংগঠনের পক্ষ থেকে এই আহ্বান জানানো হয়। আগামীকাল রোববার থেকে কারখানা খুলে দেওয়ার খবরে অনেক শ্রমিক কর্মস্থলে ফেরার চেষ্টা করছেন। ফেরিতে এবং মহাসড়কে বিভিন্ন পয়েন্টে শহরমুখী শ্রমিকরা ভিড় করছেন। লকডাউনে গণপরিবহণ বন্ধ থাকায় শহরে ফিরতে বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েছেন তারা। এ খবরের পরিপ্রেক্ষিতে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে সন্ধ্যায় বিবৃতি দেওয়া হয়। 

উল্লেখ্য, সব রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানাগুলো কঠোর বিধিনিষেধের আওতা বহির্ভূত রাখার জন্য শুক্রবার সরকার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর প্রেক্ষিতে রোববার থেকে সব ধরনের রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা চালু হবে।

এদিকে পোশাক কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে বিজিএমইএ।একইসঙ্গে পোশাক শিল্পে কর্মরতদের সম্মুখসারির যোদ্ধা উল্লেখ করে তাদেরকে টিকার আওতায় আনার অনুরোধ করেছেন মালিকরা।  

পোশাক ব্যবসায়ী নেতারা জানান, শ্রমিকদের নিরাপত্তায় করোনার টিকার ব্যাপারে সহায়তা চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ক্রেতা প্রতিষ্ঠানদের কাছে তারা ইতোমধ্যে অনুরোধ করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১