‘বিদেশ যেতে হলে আবারও খালেদা জিয়াকে জেলে যেতে হবে’
jugantor
‘বিদেশ যেতে হলে আবারও খালেদা জিয়াকে জেলে যেতে হবে’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৮ আগস্ট ২০২১, ১৭:৫৮:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

‘বিদেশ যেতে হলে আবারও খালেদা জিয়াকে জেলে যেতে হবে’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে হলে জেলে গিয়ে নতুন করে আবেদন করতে হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

শনিবার রাজধানীর হোটেল লা ভিঞ্চিতে সাংবাদিকদের এক কর্মশালায় তিনি এ কথা জানান। ল রিপোর্টার্স ফোরাম ও এমআরডিআই যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে।

আইনমন্ত্রী বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে আবারও তাকে জেলে যেতে হবে। এর পর নতুন করে তাকে আবেদন করতে হবে। কারণ যে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তার আলোকে তাকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সেই আবেদন নিষ্পত্তি হয়ে গেছে।

দুর্নীতির দুইমামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি তাকে কারাগারে যেতে হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে। দুই বছরের বেশি সময় কারাভোগের পর গত বছরের (২০২০) ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল থেকে মুক্তি পান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ মার্চ খালেদা জিয়ার দণ্ডাদেশ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে শর্ত সাপেক্ষে তাকে মুক্তি দেয় সরকার। পরে সেই মেয়াদ কয়েক দফা বাড়ানো হয়েছে। যা এখনো চলমান।

যে দুই শর্তে মুক্তি দেওয়া হয়, তা হলো- খালেদা জিয়া ঢাকায় নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন এবং এই সময়ে দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। সে সময় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গুলশানে নিজ বাসভবনে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন, খালেদা জিয়ার ভাইয়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বয়স বিবেচনায় মানবিক কারণে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

খালেদা জিয়া মুক্তির পর থেকে গুলশানে তার ভাড়া বাসা ‘ফিরোজায়’ আছেন।

‘বিদেশ যেতে হলে আবারও খালেদা জিয়াকে জেলে যেতে হবে’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৮ আগস্ট ২০২১, ০৫:৫৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘বিদেশ যেতে হলে আবারও খালেদা জিয়াকে জেলে যেতে হবে’
ফাইল ছবি

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে হলে জেলে গিয়ে নতুন করে আবেদন করতে হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

শনিবার রাজধানীর হোটেল লা ভিঞ্চিতে সাংবাদিকদের এক কর্মশালায় তিনি এ কথা জানান।  ল রিপোর্টার্স ফোরাম ও এমআরডিআই যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে।

আইনমন্ত্রী বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে আবারও তাকে জেলে যেতে হবে। এর পর নতুন করে তাকে আবেদন করতে হবে।  কারণ যে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তার আলোকে তাকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সেই আবেদন নিষ্পত্তি হয়ে গেছে।

দুর্নীতির দুই মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি তাকে কারাগারে যেতে হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে। দুই বছরের বেশি সময় কারাভোগের পর গত বছরের (২০২০) ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল থেকে মুক্তি পান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ মার্চ খালেদা জিয়ার দণ্ডাদেশ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে শর্ত সাপেক্ষে তাকে মুক্তি দেয় সরকার।  পরে সেই মেয়াদ কয়েক দফা বাড়ানো হয়েছে। যা এখনো চলমান।

যে দুই শর্তে মুক্তি দেওয়া হয়, তা হলো- খালেদা জিয়া ঢাকায় নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন এবং এই সময়ে দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। সে সময় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গুলশানে নিজ বাসভবনে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন, খালেদা জিয়ার ভাইয়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বয়স বিবেচনায় মানবিক কারণে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। 

খালেদা জিয়া মুক্তির পর থেকে গুলশানে তার ভাড়া বাসা ‘ফিরোজায়’ আছেন। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : খালেদা জিয়ার চিকিৎসা

আরও খবর