শিশুদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে ফেসবুক লাইভে এসে যা বললেন হেলথ ডিজি
jugantor
শিশুদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে ফেসবুক লাইভে এসে যা বললেন হেলথ ডিজি

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৩২:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রাণঘাতী করোনার সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন বন্ধ রাখা হয়েছিল। ৫৪৪ দিন পর গত ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হয়েছে। এখন দ্রুত শিশুদের টিকা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে।

রোববার ফেসবুক লাইভে এসে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে শিশুদের টিকা কার্যক্রম শুরু করা হবে।

হেলথ ডিজি বলেন, শিশুদের টিকা দেওয়ার বিষয়টি অনেক সংবেদনশীল। এটা নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমরা চেষ্টা করছি প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন মাথায় রেখে কীভাবে শিশুদের টিকার আওতায় আনা যায়। স্কুল খুলে দেওয়া হয়েছে, তাই এই কাজটি দ্রুত করার নির্দেশনা রয়েছে। আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে তিনি বলেন, দেশে আবারও স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকাদান কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে সরকার। সপ্তাহের নির্ধারিত একদিন এ সুযোগ থাকবে। প্রতি সপ্তাহে নির্ধারিত একদিনের ভিত্তিতে নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত এবং ষাটোর্ধ্ব জনগোষ্ঠীকে স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকা নিতে বলা হবে। টিকা দেওয়ার সময় যারা বয়স্ক, তারা যেন পান- এ বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

টিকা প্রদান পরিকল্পনা নিয়ে হেলথ ডিজি বলেন, দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি প্রবাসী শ্রমিকরা। তাদের টিকাদানের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রবাসী শ্রমিক-বিদেশগামী শিক্ষার্থীসহ যাদের সুনির্দিষ্ট টিকা ছাড়া দেশের বাইরে যাওয়া সম্ভব নয়, সে কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি এবং তাদের টিকা দিয়ে যাব।

শিশুদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে ফেসবুক লাইভে এসে যা বললেন হেলথ ডিজি

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রাণঘাতী করোনার সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন বন্ধ রাখা হয়েছিল। ৫৪৪ দিন পর গত ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হয়েছে। এখন দ্রুত শিশুদের টিকা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে।

রোববার ফেসবুক লাইভে এসে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে শিশুদের টিকা কার্যক্রম শুরু করা হবে।

হেলথ ডিজি বলেন, শিশুদের টিকা দেওয়ার বিষয়টি অনেক সংবেদনশীল। এটা নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।  আমরা চেষ্টা করছি প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন মাথায় রেখে কীভাবে শিশুদের টিকার আওতায় আনা যায়। স্কুল খুলে দেওয়া হয়েছে, তাই এই কাজটি দ্রুত করার নির্দেশনা রয়েছে। আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে তিনি বলেন, দেশে আবারও স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকাদান কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে সরকার। সপ্তাহের নির্ধারিত একদিন এ সুযোগ থাকবে। প্রতি সপ্তাহে নির্ধারিত একদিনের ভিত্তিতে নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত এবং ষাটোর্ধ্ব জনগোষ্ঠীকে স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকা নিতে বলা হবে। টিকা দেওয়ার সময় যারা বয়স্ক, তারা যেন পান- এ বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

টিকা প্রদান পরিকল্পনা নিয়ে হেলথ ডিজি বলেন, দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি প্রবাসী শ্রমিকরা। তাদের টিকাদানের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রবাসী শ্রমিক-বিদেশগামী শিক্ষার্থীসহ যাদের সুনির্দিষ্ট টিকা ছাড়া দেশের বাইরে যাওয়া সম্ভব নয়, সে কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি এবং তাদের টিকা দিয়ে যাব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

২০ অক্টোবর, ২০২১
১৭ অক্টোবর, ২০২১
আরও খবর