সবাইকে চোখ-কান খোলা রাখতে বললেন ডিএমপি কমিশনার
jugantor
সবাইকে চোখ-কান খোলা রাখতে বললেন ডিএমপি কমিশনার

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৪ অক্টোবর ২০২১, ২১:৪৬:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, সম্প্রতি কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, সেটির যেন আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে- সেজন্য সবাইকে তৎপর থাকতে হবে।

রোববার ডিএমপি সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা মহানগর যেহেতু দেশের রাজধানী। তাই এখানে যেন এ ধরনের কোনো ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে আমাদের আরও বেশি সজাগ থাকতে হবে। সবাইকে চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়াতে হবে।

কমিশনার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি বাড়ানোর জন্য ডিএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে বিশেষভাবে নির্দেশনা দিয়ে বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের প্রতিবাদে শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বী নয়, সব সম্প্রদায়ের লোকজন অংশগ্রহণ করছে। জোনাল ডিসিরাও সে প্রতিবাদ সমাবেশে যোগদান করে একাত্মতা ঘোষণা করে বলবে- ‘আমরাও আপনাদের পাশে আছি’।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ইতোমধ্যে ঢাকার বড় বড় পূজামণ্ডপ ও উপাসনালয়ে পুলিশের উপস্থিতি ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তাদের যে কোনো প্রয়োজনে আমরা সর্বাত্মক সহায়তা দিতে প্রস্তুত।মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে ধর্মীয় অসাম্প্রদায়িকতা বজায় রাখতে পুলিশ দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন ডিএমপিপ্রধান।

থানায় কেউ জিডি বা পুলিশি সহায়তা নিতে আসলে পুলিশের কেউ টাকা দাবি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে- এমন হুশিয়ারি দিয়ে কমিশনার বলেন, ডিএমপির কোনো সদস্য দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। আমরা সবাই একটি টিম, একটি পরিবার। কেউ ভালো কাজ করলে সবাই প্রশংসিত হবে, আর কেউ খারাপ কাজ করলে সবাই আমাদেরকে ভর্ৎসনা করবে।

সবাইকে চোখ-কান খোলা রাখতে বললেন ডিএমপি কমিশনার

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, সম্প্রতি কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, সেটির যেন আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে- সেজন্য সবাইকে তৎপর থাকতে হবে।

রোববার ডিএমপি সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা মহানগর যেহেতু দেশের রাজধানী। তাই এখানে যেন এ ধরনের কোনো ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে আমাদের আরও বেশি সজাগ থাকতে হবে। সবাইকে চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়াতে হবে।

কমিশনার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি বাড়ানোর জন্য ডিএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে বিশেষভাবে নির্দেশনা দিয়ে বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের প্রতিবাদে শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বী নয়, সব সম্প্রদায়ের লোকজন অংশগ্রহণ করছে। জোনাল ডিসিরাও সে প্রতিবাদ সমাবেশে যোগদান করে একাত্মতা ঘোষণা করে বলবে- ‘আমরাও আপনাদের পাশে আছি’।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ইতোমধ্যে ঢাকার বড় বড় পূজামণ্ডপ ও উপাসনালয়ে পুলিশের উপস্থিতি ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তাদের যে কোনো প্রয়োজনে আমরা সর্বাত্মক সহায়তা দিতে প্রস্তুত।মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে ধর্মীয় অসাম্প্রদায়িকতা বজায় রাখতে পুলিশ দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন ডিএমপিপ্রধান।

থানায় কেউ জিডি বা পুলিশি সহায়তা নিতে আসলে পুলিশের কেউ টাকা দাবি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে- এমন হুশিয়ারি দিয়ে কমিশনার বলেন, ডিএমপির কোনো সদস্য দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। আমরা সবাই একটি টিম, একটি পরিবার। কেউ ভালো কাজ করলে সবাই প্রশংসিত হবে, আর কেউ খারাপ কাজ করলে সবাই আমাদেরকে ভর্ৎসনা করবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর