‘স্বামী বদলাতে পারবেন কিন্তু প্রতিবেশী বদলাতে পারবেন না’
jugantor
‘স্বামী বদলাতে পারবেন কিন্তু প্রতিবেশী বদলাতে পারবেন না’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১৯:৪৮:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, আঞ্চলিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ-ভারত যৌথভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় নেতৃত্ব দেবে, এমনকি বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে।

বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর সিরডাপ আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রীর ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘মৈত্রীর বন্ধনে সুবর্ণ সম্প্রীতি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে সম্প্রীতি বাংলাদেশ।

সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যয়ের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী, সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী শিকদার (অব.)।

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, দু’দেশের মধ্যে আবেগ-অনুভূতি ও পারস্পারিক স্বার্থ একই সূত্রে গাঁথা। আমাদের উন্নয়নের সহযোগী অনেক দেশ আছে, কিন্ত ভারত সরকার ও ভারতের জনসাধারণ আমাদের ক্রান্তিকালে যে আন্তরিকতা দেখিয়েছে, বাংলাদেশের মানুষ তা স্মরণ করে। বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ভারতের জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধারণ করেন।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, স্বামী বদলাতে পারবেন কিন্তু প্রতিবেশী বদলাতে পারবেন না। ভারত আমাদের এমন প্রতিবেশী, যেখানে আমাদের একদিকে বঙ্গোপসাগর আর তিন দিকে ভারত। ভারত আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ভারত নানাভাবে আমাদের পাশে ছিল। সহযোগিতা করেছে। কিন্তু আমাদের দেশের একটি পক্ষ আছে যারা ভারতের নাম শুনলেই শত্রু মনে করে। ৭১ সালে শত্রু মনে করেছে, এখনো শত্রু মনে করে। ১৯৭১ সালে ভারত আমাদের এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে। আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছি আমাদের ট্রেনিং দিয়েছে। থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করেছে।

বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বলেন, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যে বন্ধন রয়েছে তা অত্যান্ত সুসর্ম্পকের। স্বাধীনতার সময়, তথা এখনও বাংলাদেশের পাশে ভারত আছে-থাকবে। ভারত সৈন্য, অস্ত্র, অর্থ দিয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে ফাঁসির হাত থেকে বাঁচাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনমত সৃষ্টি করেছে। স্বাধীন হওয়ার পরও ভারত খাদ্য ওষুধ সামগ্রী প্রদান অব্যাহত রেখেছে। ভারত সব সময় বাংলাদেশে পাশে আছে, থাকবে।

‘স্বামী বদলাতে পারবেন কিন্তু প্রতিবেশী বদলাতে পারবেন না’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, আঞ্চলিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ-ভারত যৌথভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় নেতৃত্ব দেবে, এমনকি বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে। 
 
বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর সিরডাপ আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রীর ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘মৈত্রীর বন্ধনে সুবর্ণ সম্প্রীতি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে সম্প্রীতি বাংলাদেশ।  

সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যয়ের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী, সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী শিকদার (অব.)। 

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী  শ ম রেজাউল করিম বলেন, দু’দেশের মধ্যে  আবেগ-অনুভূতি ও পারস্পারিক স্বার্থ একই সূত্রে গাঁথা। আমাদের উন্নয়নের সহযোগী অনেক দেশ আছে, কিন্ত ভারত সরকার ও ভারতের জনসাধারণ আমাদের ক্রান্তিকালে  যে আন্তরিকতা দেখিয়েছে, বাংলাদেশের মানুষ তা স্মরণ করে। বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ভারতের জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধারণ করেন। 

 মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, স্বামী বদলাতে পারবেন কিন্তু প্রতিবেশী বদলাতে পারবেন না। ভারত আমাদের এমন প্রতিবেশী, যেখানে আমাদের একদিকে বঙ্গোপসাগর আর তিন দিকে ভারত। ভারত আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ভারত নানাভাবে আমাদের পাশে ছিল। সহযোগিতা করেছে। কিন্তু আমাদের দেশের একটি পক্ষ আছে যারা ভারতের নাম শুনলেই শত্রু মনে করে। ৭১ সালে শত্রু মনে করেছে, এখনো শত্রু মনে করে। ১৯৭১ সালে ভারত আমাদের এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে। আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছি আমাদের ট্রেনিং দিয়েছে। থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করেছে। 

বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বলেন, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যে বন্ধন রয়েছে তা অত্যান্ত সুসর্ম্পকের। স্বাধীনতার সময়, তথা এখনও বাংলাদেশের পাশে ভারত আছে-থাকবে। ভারত সৈন্য, অস্ত্র, অর্থ দিয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে ফাঁসির হাত থেকে বাঁচাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনমত সৃষ্টি করেছে। স্বাধীন হওয়ার পরও ভারত খাদ্য ওষুধ সামগ্রী প্রদান অব্যাহত রেখেছে। ভারত সব সময় বাংলাদেশে পাশে আছে, থাকবে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন