এনআইডিতে ভুল হচ্ছে কী কারণে, জানালেন আইনমন্ত্রী
jugantor
এনআইডিতে ভুল হচ্ছে কী কারণে, জানালেন আইনমন্ত্রী

  সংসদ প্রতিবেদক  

২৭ জানুয়ারি ২০২২, ১৬:৪৫:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

এনআইডিতে ভুল হচ্ছে কী কারণে, জানালেন আইনমন্ত্রী

জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) তথ্য বা নামের বানান ভুল হচ্ছে- এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। নাগরিকরা এ নিয়ে চরম ভোগান্তিরও শিকার হচ্ছেন, ঝাড়ছেন ক্ষোভ। এমন অভিযোগের মুখে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় সংখ্যক দক্ষ টেকনিক্যাল জনবল না থাকায় এবং সময় স্বল্পতার কারণে এনআইডি প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু ভুল-ভ্রান্তি রয়ে গেছে, যার অধিকাংশই বানানজনিত ভুল।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, ২০০৭-০৮ সালে নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে এবং সশস্ত্র বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিদের সার্বিক সহযোগিতায় নাগরিকদের বায়োমেট্রিক সংগ্রহ করে জাতীয়ভাবে ভোটার ডাটাবেজ গড়ে তোলা হয়। বিভিন্ন পর্যায়ে জাতীয় তথ্য ভাণ্ডারে পরিলক্ষিত ভুলগুলোর বিষয়ে আইন ও বিধি অনুসারে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সংশোধনের সুযোগ প্রদান করা হলেও বিভিন্ন কারণে অনেকেই যথাসময়ে ওই সুযোগ গ্রহণ করেননি। বর্তমানে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুতের ক্ষেত্রে দেশের নাগরিকরা সচেতন হওয়ায় ভুলের পরিমাণ তুলনামূলক কম।

তিনি আরও বলেন, ২০১২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুতের সব ক্ষেত্রে ভোটারের নিবন্ধন ফরম কেন্দ্রীয় তথ্য ভাণ্ডারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এতে দেখা গেছে, এনআইডি সঠিকভাবেই মুদ্রিত হয়েছে। অপরদিকে সংশোধনের জন্য প্রাপ্ত আবেদনের অধিকাংশই সংশোধনের চাহিদা অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গত নয়। এসব আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে যথাযথ প্রমাণপত্র দলিলাদি দাখিলসহ ক্ষেত্রবিশেষ তদন্ত বা পুনঃতদন্তের প্রয়োজন পড়ে। এসব আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি সময় লাগে।

এনআইডিতে ভুল হচ্ছে কী কারণে, জানালেন আইনমন্ত্রী

 সংসদ প্রতিবেদক 
২৭ জানুয়ারি ২০২২, ০৪:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
এনআইডিতে ভুল হচ্ছে কী কারণে, জানালেন আইনমন্ত্রী
ফাইল ছবি

জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) তথ্য বা নামের বানান ভুল হচ্ছে- এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। নাগরিকরা এ নিয়ে চরম ভোগান্তিরও শিকার হচ্ছেন, ঝাড়ছেন ক্ষোভ। এমন অভিযোগের মুখে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় সংখ্যক দক্ষ টেকনিক্যাল জনবল না থাকায় এবং সময় স্বল্পতার কারণে এনআইডি প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু ভুল-ভ্রান্তি রয়ে গেছে, যার অধিকাংশই বানানজনিত ভুল।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, ২০০৭-০৮ সালে নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে এবং সশস্ত্র বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিদের সার্বিক সহযোগিতায় নাগরিকদের বায়োমেট্রিক সংগ্রহ করে জাতীয়ভাবে ভোটার ডাটাবেজ গড়ে তোলা হয়। বিভিন্ন পর্যায়ে জাতীয় তথ্য ভাণ্ডারে পরিলক্ষিত ভুলগুলোর বিষয়ে আইন ও বিধি অনুসারে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সংশোধনের সুযোগ প্রদান করা হলেও বিভিন্ন কারণে অনেকেই যথাসময়ে ওই সুযোগ গ্রহণ করেননি। বর্তমানে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুতের ক্ষেত্রে দেশের নাগরিকরা সচেতন হওয়ায় ভুলের পরিমাণ তুলনামূলক কম।

তিনি আরও বলেন, ২০১২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুতের সব ক্ষেত্রে ভোটারের নিবন্ধন ফরম কেন্দ্রীয় তথ্য ভাণ্ডারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এতে দেখা গেছে, এনআইডি সঠিকভাবেই মুদ্রিত হয়েছে। অপরদিকে সংশোধনের জন্য প্রাপ্ত আবেদনের অধিকাংশই সংশোধনের চাহিদা অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গত নয়। এসব আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে যথাযথ প্রমাণপত্র দলিলাদি দাখিলসহ ক্ষেত্রবিশেষ তদন্ত বা পুনঃতদন্তের প্রয়োজন পড়ে। এসব আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি সময় লাগে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন