‘দুষ্টু আমলাদের’ কারণে আইনকানুন পাল্টানো যাচ্ছে না: মন্ত্রী
jugantor
‘দুষ্টু আমলাদের’ কারণে আইনকানুন পাল্টানো যাচ্ছে না: মন্ত্রী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৯ জুন ২০২২, ১৮:৫৩:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান আবারো আমলাতন্ত্রের ওপর বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। সাবেক এ আমলা বলেছেন, আমলাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে আইনকানুন পরিবর্তন করা যাচ্ছে না ‘দুষ্টু আমলাদের চাতুরির’ কারণে।

বুধবার রাজধানীর লেকশোর হোটেলে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ও দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশন যৌথভাবে আয়োজিত এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

সাবেক এ আমলা বলেন,‘কিছু কিছু বিধি বা আমলান্ত্রিকতা অন্যায় এবং অমানবিক। যে কাজ নয় সেকেন্ডে করা যায়, সে কাজে আমলারা ৯০ দিন লাগান। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৯০ দিনের তিনগুণ সময়ও লাগান। দুষ্টু আমলাদের ধরা যায় না। তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে যে নিয়মকানুনগুলো আছে- তা কঠোর নয়। এখন সময় এসেছে আইনকানুনের সংস্কারের। তবে সেগুলো পারা যাচ্ছে না।’

মন্ত্রী বলেন, প্রশাসনের অনেক বিধি অপ্রয়োজনীয়। ব্রিটিশরা করে গেছে, যা এখনোবয়ে বেড়াতে হচ্ছে।এগুলোরএখন কোনো বাস্তবতা নেই। কিন্তু অনেক ‘দুষ্টু আমলারা’ এসব বিধান চাতুরির সঙ্গে কাজে লাগাচ্ছেন।প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ আছে এসব বদলানোর, তা সত্ত্বেও এসব পরিবর্তন করা যাচ্ছে না। আইনকে আইন দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে হবে। আমরা সেই চেষ্টা করে যাচ্ছি।

‘সরকারের অন্যতম লক্ষ্য জনগণকে তুষ্ট রাখা হলেও অনেক সময় আমলাতান্ত্রিক আইনের ধারার কারণে সম্ভব হচ্ছে না’ বলেও উল্লেখ করেন সাবেক এ আমলা।

‘সরকারি অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন’ শীর্ষক সংলাপে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ, সংসদ সদস্য এনামুল হক। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি রিজওয়ান রহমান, পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ প্যানেল আলোচক হিসেবে অনুষ্ঠানে ছিলেন।

‘দুষ্টু আমলাদের’ কারণে আইনকানুন পাল্টানো যাচ্ছে না: মন্ত্রী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৯ জুন ২০২২, ০৬:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান আবারো আমলাতন্ত্রের ওপর বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। সাবেক এ আমলা বলেছেন, আমলাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে আইনকানুন পরিবর্তন করা যাচ্ছে না ‘দুষ্টু আমলাদের চাতুরির’ কারণে।

বুধবার রাজধানীর লেকশোর হোটেলে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ও দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশন যৌথভাবে আয়োজিত এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

সাবেক এ আমলা বলেন, ‘কিছু কিছু বিধি বা আমলান্ত্রিকতা অন্যায় এবং অমানবিক। যে কাজ নয় সেকেন্ডে করা যায়, সে কাজে আমলারা ৯০ দিন লাগান। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৯০ দিনের তিনগুণ সময়ও লাগান। দুষ্টু আমলাদের ধরা যায় না। তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে যে নিয়মকানুনগুলো আছে- তা কঠোর নয়। এখন সময় এসেছে আইনকানুনের সংস্কারের। তবে সেগুলো পারা যাচ্ছে না।’

মন্ত্রী বলেন, প্রশাসনের অনেক বিধি অপ্রয়োজনীয়। ব্রিটিশরা করে গেছে, যা এখনো বয়ে বেড়াতে হচ্ছে।এগুলোর এখন কোনো বাস্তবতা নেই। কিন্তু অনেক ‘দুষ্টু আমলারা’ এসব বিধান চাতুরির সঙ্গে কাজে লাগাচ্ছেন।প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ আছে এসব বদলানোর, তা সত্ত্বেও এসব পরিবর্তন করা যাচ্ছে না। আইনকে আইন দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে হবে। আমরা সেই চেষ্টা করে যাচ্ছি।

‘সরকারের অন্যতম লক্ষ্য জনগণকে তুষ্ট রাখা হলেও অনেক সময় আমলাতান্ত্রিক আইনের ধারার কারণে সম্ভব হচ্ছে না’ বলেও উল্লেখ করেন সাবেক এ আমলা।

‘সরকারি অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন’ শীর্ষক সংলাপে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ, সংসদ সদস্য এনামুল হক। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি রিজওয়ান রহমান, পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ প্যানেল আলোচক হিসেবে অনুষ্ঠানে ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর