গরিব মানুষের দুঃসময় কেটে যাবে: অর্থমন্ত্রী
jugantor
গরিব মানুষের দুঃসময় কেটে যাবে: অর্থমন্ত্রী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১০ আগস্ট ২০২২, ২১:৫৩:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

গরিব মানুষের জন্য সরকার কাজ করছে। আশা করছি, দুঃসময় কেটে যাবে। গরিব মানুষের জন্য প্রণোদনাসহ বেশ কিছু উদ্যোগ রয়েছে। জনগণকে সহযোগিতা করা এবং তাদের ভালোভাবে রাখা সরকারের দায়িত্ব। সেই কাজটি সরকার করে যাচ্ছে এবং করে যাবে।

বুধবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

অর্থমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে জনজীবনে কী প্রভাব পড়ছে তার মূল্যায়ন হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে আলোচনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ জন্য জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে নিয়ে বসবেন প্রধানমন্ত্রী।

মূল্যবৃদ্ধির ফলে দরিদ্র ও সীমিত আয়ের মানুষের ওপর প্রভাবের বিষয়ে একাধিক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পায়, গরিব মানুষের ওপর প্রভাব পড়ে। স্বাভাবিকভাবে মূল্যস্ফীতিও বৃদ্ধি পায়। সরকার দরিদ্র জনগণের সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে, আগামীতেও করবে। দরিদ্র ও সীমিত আয়ের মানুষকে স্বস্তি দিতে সরকার উদ্যোগ নেবে। তবে দাম কেন বাড়ল, তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। এর বাইরে আমি কিছু বলব না বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্য সম্মিলিত প্রাইস লেভেল...। সেখানে (বিশ্ববাজারে) দাম বাড়লে এখানেও বাড়বে। সেখানে কমলে এখানেও কমবে।

ডলারের বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িত ৬ ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে অপসারণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে যেভাবে সাহায্য করা দরকার, তা যদি না করা হয়, তাহলে তো সমস্যা। আপনার ব্যাংকে আপনি কত টাকা রাখতে পারেন, ডলার কত রাখবেন, নগদ টাকা কত রাখবেন, সেটির বিষয় আছে। এর বাইরে যদি রাখেন, তাহলে মনে হবে অন্য কিছু করছেন। আমি বিষয়টি সঠিকভাবে জানি না।’

গরিব মানুষের দুঃসময় কেটে যাবে: অর্থমন্ত্রী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১০ আগস্ট ২০২২, ০৯:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গরিব মানুষের জন্য সরকার কাজ করছে। আশা করছি, দুঃসময় কেটে যাবে। গরিব মানুষের জন্য প্রণোদনাসহ বেশ কিছু উদ্যোগ রয়েছে। জনগণকে সহযোগিতা করা এবং তাদের ভালোভাবে রাখা সরকারের দায়িত্ব। সেই কাজটি সরকার করে যাচ্ছে এবং করে যাবে।

বুধবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। 

অর্থমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে জনজীবনে কী প্রভাব পড়ছে তার মূল্যায়ন হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে আলোচনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ জন্য জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে নিয়ে বসবেন প্রধানমন্ত্রী। 

মূল্যবৃদ্ধির ফলে দরিদ্র ও সীমিত আয়ের মানুষের ওপর প্রভাবের বিষয়ে একাধিক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পায়, গরিব মানুষের ওপর প্রভাব পড়ে। স্বাভাবিকভাবে মূল্যস্ফীতিও বৃদ্ধি পায়। সরকার দরিদ্র জনগণের সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে, আগামীতেও করবে। দরিদ্র ও সীমিত আয়ের মানুষকে স্বস্তি দিতে সরকার উদ্যোগ নেবে। তবে দাম কেন বাড়ল, তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। এর বাইরে আমি কিছু বলব না বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। 

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্য সম্মিলিত প্রাইস লেভেল...। সেখানে (বিশ্ববাজারে) দাম বাড়লে এখানেও বাড়বে। সেখানে কমলে এখানেও কমবে।

ডলারের বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িত ৬ ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে অপসারণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে যেভাবে সাহায্য করা দরকার, তা যদি না করা হয়, তাহলে তো সমস্যা। আপনার ব্যাংকে আপনি কত টাকা রাখতে পারেন, ডলার কত রাখবেন, নগদ টাকা কত রাখবেন, সেটির বিষয় আছে। এর বাইরে যদি রাখেন, তাহলে মনে হবে অন্য কিছু করছেন। আমি বিষয়টি সঠিকভাবে জানি না।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর