ছদ্মবেশে জামায়াত-শিবির ঝামেলা করার চেষ্টা করছে: পুলিশ
jugantor
ছদ্মবেশে জামায়াত-শিবির ঝামেলা করার চেষ্টা করছে: পুলিশ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১৮:০৮:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার বলেছেন, জুমার নামাজের সময় সাধারণ মুসল্লির ছদ্মবেশ নিয়ে জামায়াত-শিবির ঝামেলা করার চেষ্টা করেছে। তবে পুলিশ সতর্ক আছে, তাদের বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

শুক্রবার দুপুরে নয়াপল্টনে নিরাপত্তা তদারকি করতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

যুগ্ম কমিশনার বলেন, এই যে জামায়াতে ইসলামী এখানে ছিল... সাধারণ মুসল্লিদের ছদ্মবেশে জামায়াত-শিবির বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের সঙ্গে ঝগড়া করার চেষ্টা করছে, ঝামেলা করার চেষ্টা করছে। পুলিশের পক্ষ থেকে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কোনো অপরাধীকে অথবা দুষ্কৃতকারীকে অথবা নাশকতাকারীকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।

জুমার নামাজ পড়তে আসা অনেকেই পুলিশের বাধার মুখে পড়ার অভিযোগ করেছেন- সাংবাদিকরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, জুমার নামাজ পড়তে যেতে কাউকে বাধা দেওয়া হচ্ছে না বরং পুলিশ তাদের সহায়তা করছে। এখানে নারায়ে তাকবীর স্লোগান দিয়ে ৪০-৫০ জন ঢোকার চেষ্টা করছিল। এই স্লোগান কারা দেয় সেটা আপনাদের বুঝতে হবে। এটা দেয় জামায়াতে ইসলাম।

ডিএমপির এই যুগ্ম কমিশনার বলেন, পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে। এখানে নারায়ে তাকবীর স্লোগান দিয়ে পুলিশের সঙ্গে ঝামেলা করার চেষ্টা করেছে। আমরা তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছি। নারায়ে তাকবীর তো বিএনপির স্লোগান নয়, এটা জামায়াতের স্লোগান।

এদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শুক্রবারও একই পরিস্থিতি দেখা গেছে। এত কড়াকড়ি কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকমের নিরাপত্তা পরিকল্পনার প্রণয়ন করা হয়। টাইম টু টাইম এটা চেঞ্জ হয়। যখন আমরা নিরাপদ মনে করি তখন আমরা খুলে দিই।

ছদ্মবেশে জামায়াত-শিবির ঝামেলা করার চেষ্টা করছে: পুলিশ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার বলেছেন, জুমার নামাজের সময় সাধারণ মুসল্লির ছদ্মবেশ নিয়ে জামায়াত-শিবির ঝামেলা করার চেষ্টা করেছে। তবে পুলিশ সতর্ক আছে, তাদের বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

শুক্রবার দুপুরে নয়াপল্টনে নিরাপত্তা তদারকি করতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

যুগ্ম কমিশনার বলেন, এই যে জামায়াতে ইসলামী এখানে ছিল... সাধারণ মুসল্লিদের ছদ্মবেশে জামায়াত-শিবির বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের সঙ্গে ঝগড়া করার চেষ্টা করছে, ঝামেলা করার চেষ্টা করছে। পুলিশের পক্ষ থেকে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কোনো অপরাধীকে অথবা দুষ্কৃতকারীকে অথবা নাশকতাকারীকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।

জুমার নামাজ পড়তে আসা অনেকেই পুলিশের বাধার মুখে পড়ার অভিযোগ করেছেন- সাংবাদিকরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, জুমার নামাজ পড়তে যেতে কাউকে বাধা দেওয়া হচ্ছে না বরং পুলিশ তাদের সহায়তা করছে। এখানে নারায়ে তাকবীর স্লোগান দিয়ে ৪০-৫০ জন ঢোকার চেষ্টা করছিল। এই স্লোগান কারা দেয় সেটা আপনাদের বুঝতে হবে। এটা দেয় জামায়াতে ইসলাম।

ডিএমপির এই যুগ্ম কমিশনার বলেন, পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে। এখানে নারায়ে তাকবীর স্লোগান দিয়ে পুলিশের সঙ্গে ঝামেলা করার চেষ্টা করেছে। আমরা তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছি। নারায়ে তাকবীর তো বিএনপির স্লোগান নয়, এটা জামায়াতের স্লোগান।

এদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শুক্রবারও একই পরিস্থিতি দেখা গেছে। এত কড়াকড়ি কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকমের নিরাপত্তা পরিকল্পনার প্রণয়ন করা হয়। টাইম টু টাইম এটা চেঞ্জ হয়। যখন আমরা নিরাপদ মনে করি তখন আমরা খুলে দিই। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন