এএম জুবায়েদ রিপন, কুষ্টিয়া থেকে    |    
প্রকাশ : ২১ আগস্ট, ২০১৬ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
প্রধানমন্ত্রীর দেয়া অর্থেই চলে সংসার
কুষ্টিয়ায় শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত দেহরক্ষী নিহত মাহবুব ও তার স্ত্রী-সন্তানদের এ ছবিটি কেবলই স্মৃতি -যুগান্তর

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত দেহরক্ষী মাহবুব রশীদ ছুটিতে ছিলেন। তারপরও প্রিয় নেত্রীর জনসভায় যোগ দিতে ঢাকার বাসা থেকে দুপুরের খাবার খেয়ে হাজির হন সেখানে। বিকাল ৫টা বাজার কিছু সময় পর শেখ হাসিনার বক্তব্য শুরু হয়। ঠিক এমন সময় জনসভার ওপরে পড়তে থাকে একের পর এক গ্রেনেড। গ্রেনেড হামলায় ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন শেখ হাসিনা তার বুলেট প্র“ফ গাড়ির দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। সাহসী মাহবুব তাকে গাড়িতে প্রবেশ করতে অনুরোধ জানান। কিন্তু শেখ হাসিনা মাহবুবকে চিৎকার করে বলে, ‘না আমি যাব না, ওরা মারে আমাকে মারুক।’ নেত্রীর সে কথায় কান না দিয়ে মাহবুব বুক দিয়ে আগলে গাড়ির মধ্যে তাকে ঠেলে দেন। আর ঠিক এ সময় একটি বুলেট তার মাথার পেছন দিয়ে প্রবেশ করে মুখ দিয়ে বেরিয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে আরও কয়েকটি গুলি তার বুকে বিদ্ধ হয়। রাজপথে লুটিয়ে পড়েন মাহবুব। কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর তার অবস্থা আশংকাজনক হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু সব চেষ্টা বিফল হয়। ২১ আগস্ট রাতেই মাহবুব শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার এ অকাল মৃত্যু বদলে দিয়েছে গোটা পরিবারের জীবন চিত্র। কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের মাহবুবের পরিবার। তবে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মাহবুব রশীদ প্রাণ বিসর্জন দিলেও আফসোস নেই পরিবারের সদস্যদের। সেই আত্মত্যাগের সম্মানস্বরূপ প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতায় দুই ছেলেকে নিয়ে ঢাকায় রয়েছেন তার স্ত্রী শামীমা আক্তার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া এককালীন পাঁচ লাখ টাকা ও বঙ্গবন্ধু কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে মাসিক ৭ হাজার টাকা দিয়ে চলছে দুই ছেলের লেখাপড়াসহ পরিবারের সব খরচ। মাহবুবের স্ত্রী শামীমা আক্তার জানান, প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে প্রতিমাসে কিছু টাকা পেয়ে থাকি।


 


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত