মির্জা জাকির, চাঁদপুর থেকে    |    
প্রকাশ : ২১ আগস্ট, ২০১৬ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
দোষীদের ফাঁসি দেখতে চান কুদ্দুছ-আতিকের স্বজনরা
গ্রেনেড হামলায় নিহত চাঁদপুরের আতিক উল্লাহর পরিবারের সদস্যরা। ডানে নিহত শহীদ আবদুল কুদ্দুছ -যুগান্তর

২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় নিহত হয়েছেন চাঁদপুরের মতলব উত্তরের আতিক উল্লাহ ও হাইমচরের আবদুল কুদ্দুছ। ১২ বছরেও এ নির্মম হামলায় দোষীদের বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়ায় স্বজনদের আক্ষেপ রয়েছে। তারপরও তারা দোষীদের একদিন ফাঁসি হবে এমন আশায় আছেন। মরহুম কুদ্দুছের স্মরণে পারিবারিকভাবে আজ দোয়া অনুষ্ঠানের পাশাপাশি হাইমচর উপজেলা ২১ আগস্ট উদ্যাপন কমিটি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও আ. কুদ্দুছের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ, জাতীয় ও কালো পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের কর্মসূচি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন কমিটির আহ্বায়ক কাউছার মিয়াজী। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত হন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা হাইমচর উপজেলার চরকৃষ্ণপুর গ্রামের আবদুল কুদ্দুছ পাটওয়ারী। অবিবাহিত ছিলেন তাই পিছুটান বলতে কিছু ছিল না কুদ্দুছের। ছেলে হত্যার বিচার দেখে যেতে পারেননি কুদ্দুছের মা। তিনি গত বছরের ১৫ ফেব্র“য়ারি না ফেরার দেশে চলে গেছেন। শহীদ আবদুল কুদ্দুছের বড় ভাই রুহুল আমিন জানান, বর্তমান সরকার তাদের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা প্রদান করেছে। এ টাকা তাদের পরিবারের সচ্ছলতা আনলেও খুনিদের দ্রুত ফাঁসি দেখতে চায় কুদ্দুছের স্বজনরা। অপরদিকে একই ঘটনায় নিহত হন মতলব উত্তর উপজেলার পাঁচআনী গ্রামের আতিক উল্লাহ সরকার। ৩ ছেলে আর এক মেয়েকে বড় অসহায় করে ফেলে গেছেন একমাত্র উপার্জনক্ষম আতিক। আতিকের মৃত্যুর পর অতিকষ্টে জীবনধারণ করা অসহায় পরিবারটি বর্তমান সরকারে সহযোগিতার কিছুটা ভালো আছে। ৫ ভাই-বোনের মধ্যে আতিক ছিল বড়। বাবার মৃত্যুর পর সংসারের দায়িত্ব নিয়েছিল আতিক। তিনি ঢালাই শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন ঢাকার যাত্রাবাড়ী। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট কাজ শেষে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে যান। ওই সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় আতিক নিহত হন। আতিকের মৃত্যুর পর পরই ভাইয়েরা আলাদা হয়ে যান। তার সংসারে ছিল ৪ সন্তান, স্ত্রী ও বৃদ্ধা মা। তার বড় মেয়ে তানিয়া এবার এইচএসসি পাস করেছে ও বড় ছেলে মিথুন এইচএসসিতে পড়ছে।


 


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত