দশমিনা প্রতিনিধি    |    
প্রকাশ : ২১ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
দশমিনার মামুনের পরিবারে কান্না থামেনি
২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত মামুনের পরিবার বিচারের অপেক্ষায়। ২০০৪ সালের এই দিনে ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউর আওয়ামী লীগের আয়োজিত জনসভায় বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তৃতা শুনতে গিয়ে বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার পশ্চিম আলিপুর গ্রামের দিনমজুর মতলেব মৃধার একমাত্র ছেলে মেধাবী ছাত্র মামুন মৃধা নিহত হয়। সে ঢাকা কবি নজরুল সরকারী কলেজের শিক্ষার্থী ছিল। ২১ আগস্ট এলেই মামুনের মা মোর্শেদা বেগম ছেলে হারানোর শোকে কান্নায় ভেঙে পড়েন। মামুনের মা মোর্শেদা বেগম বলেন - আমার মামুনেরে যারা খুন করেছে তারা আমার মামুনের কি অন্যায় পাইয়া খুন করছে, তাহা আমি আজও জানি না। আজ ১৩ বছর অতিবাহিত হলেও আমাদের কেউ খোঁজ খবর রাখেনি। তিনি মামুনের হত্যাকারীদের বিচারের দাবি জানান। প্রতি বছরের এই দিন আসলেই শুধু সকলের নজর এই বাড়িটির দিকে। নিহত মামুনের পিতা মতলেব মৃধা জানায়, আমার ৪ মেয়ে, ১ ছেলে । আমার ছেলেকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করবো বলে ঢাকার কলেজে ভর্র্তি করি। কোন কাজ কর্ম করতে গেলে চোখের সামনে বাবা মামুনের ছবি ভেসে ওঠে। তখন আর আমি কোন কাজ করতে পারি না। আমি বেকার, এ দিক সে দিক ঘুরে বেড়াই। মামুনের মৃত্যু বার্ষিকীতে কিছু নেতা আর কিছু সাংবাদিকরা বাড়ী আইসা খোজ খবর নেয় তবুও ভাল লাগছে বর্তমান সরকার গ্রেনেড হামলার মামলা দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিচ্ছে। কোন বাবার আদরের সন্তান যেন অহেতুক শাস্তি না পায়, এ জন্য সরকারকে অনুরোধ জানান মামুনের শোকার্ত পিতা।



আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত