যুগান্তর রিপোর্ট    |    
প্রকাশ : ১১ আগস্ট, ২০১৬ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
৪ পরিবারকে অনুদান
জঙ্গিরা ফিরলে সহযোগিতা দেবে পুলিশ : আইজিপি
যারা বিপথগামী হয়ে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়েছে তারা ফিরে এলে পুলিশ কোনো ধরনের ডিস্টার্ব করবে না বলে আবারও ঘোষণা দিয়েছেন আইজিপি একেএম শহীদুল হক। বুধবার পুলিশ সদর দফতরে গুলশান ও শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলায় নিহত ৪ পুলিশ সদস্যের পরিবারকে ৯০ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন। এসময় আইজিপি বলেন, যারা জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েছে কিন্তু বড় ধরনের কোনো অপরাধে জড়ায়নি তারা ফিরে আসলে পুলিশ তাদের সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।
আইজিপি বলেন, যারা গুলশান ও শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলায় দেশের জন্য শহীদ হয়েছেন তারা আমাদের ঋণী করে গেছেন। তাদের ঋণ শোধ করার সামর্থ্য আমাদের নেই। আমরা এ অনুদানের মাধ্যমে শুধু তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি। যতদিন বাংলাদেশ পুলিশ থাকবে ততদিন তাদের স্মরণ করা হবে। এসময় আইজিপি প্রত্যেক জেলার পুলিশ সুপারকে নিহত পুলিশ সদস্যদের বিষয়ে রেজিস্ট্রার খোলার নির্দেশ দেন।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজিপি মঈনুর রহমান চৌধুরী বলেন, কোরআন-হাদিসের ব্যাখ্যা দিয়ে বলতে পারি ইসলামের কোথাও এভাবে মানুষ মারার পক্ষে কোনো প্রমাণ নেই। কেউ আমাদের সঙ্গে এ বিষয়ে বাহাস করতে চাইলে আসেন আমরা বাহাস করতে প্রস্তুত। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ১ জুলাই আহত-নিহত পুলিশ সদস্যের পরিবারকে সহায়তা করতে ডিএমপির পক্ষ থেকে এক কোটি ১০ লাখ টাকার ফান্ড সংগ্রহ করা হয়েছে। ডিএমপির পুলিশ সদস্যরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী এ অর্থ সহায়তা দিয়েছেন। ১৫ আগস্টের পর টাকা তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে কশিনার বলেন, কিছু ‘কুলাঙ্গার’ ছাড়া সারা দেশের ১৬ কোটি মানুষ আপনাদের সঙ্গে আছে।
অনুষ্ঠানে আইজিপি ডিবি পুলিশের সহকারী কমিশনার রবিউল করিমের মা করিমন নেসাকে ৫ লাখ টাকা ও মধুমতি ব্যাংকের পক্ষ থেকে আড়াই লাখ টাকা, রবিউলের স্ত্রী সালমা আক্তার অসুস্থ থাকায় তার পক্ষে সালমার বাবার কাছে ১৫ লাখ টাকা ও মধুমতি ব্যাংকের পক্ষ থেকে আড়াই লাখ টাকার চেক এবং সঞ্চয়পত্র হস্তান্তর করেন। পুলিশ পরিদর্শক সালাহউদ্দিনের স্ত্রী রেমকিম খানকে ২০ লাখ টাকা ও মধুমতি ব্যাংকের পক্ষ থেকে ৫ লাখ টাকার চেক ও সঞ্চয়পত্র দেয়া হয়। কনস্টেবল জহিরুলের মা জোবেদা খাতুনকে ১৫ লাখ টাকা ও ব্যাংকের পক্ষ থেকে ৫ লাখ টাকার চেক দেয়া হয়। কনস্টেবল আনসারুল ইসলামের মা রাবেয়া খাতুনকে সাড়ে ৭ লাখ টাকা ও মধুমতি ব্যাংকের পক্ষ থেকে আড়াই লাখ টাকা ও আনসারুলের স্ত্রী লুনা আক্তারকে সাড়ে ৭ লাখ টাকা, মধুমতি ব্যাংকের পক্ষ থেকে আড়াই লাখ টাকার চেক এবং সঞ্চয় পত্র দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, মধুমতি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম, সালাহউদ্দিনের স্ত্রী রেমকিম ও এডিসি রবিউলের ভাই শামসুজ্জামান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসবির অতিরিক্ত আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি শেখ হিমায়েত হোসেন, এপিবিএন’র অতিরিক্ত আইজিপি সিদ্দিকুর রহমান, অতিরিক্ত আইজিপি (ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) ফাতেমা বেগম।



আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত