এমদাদুল ইসলাম    |    
প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০১৬ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
সীমান্ত হাট
প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের কলেবর বৃদ্ধির জন্য দু’দেশের মধ্যকার রেলপথ ও সড়কপথে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে যাতে উভয় দেশই লাভবান হয়, সেই চিন্তা থেকে ব্যাপক কর্মসূচি প্রণয়ন করা হচ্ছে। কিন্তু উভয় দেশের ১৬টি পণ্যের অংশগ্রহণে সীমান্ত হাট প্রকল্প বাংলাদেশের জন্য ততটা লাভজনক হয়নি। পরিদর্শনে দেখা যায়, সীমান্ত হাটে ভারতের বিভিন্ন পণ্য যেভাবে বিক্রি হয়, বাংলাদেশের পণ্যের ক্ষেত্রে সে ধরনের প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায় না। সীমান্ত হাটসংলগ্ন ভারতীয় জনগণের ক্রয়ক্ষমতা খুবই কম। বাংলাদেশেল ক্ষেত্রে ঠিক তার উল্টো। এ হাটের আকৃতি ৭৬ বাই ৭৫ মিটার। সীমান্ত হাট সংলগ্ন এলাকার পণ্যই মূলত এ হাটে বিক্রি করা হয়। বাংলাদেশের বিক্রেতা যদি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫শ’ টাকার পণ্য বিক্রি করে, সেক্ষেত্রে ভারতীয় বিক্রেতা প্রতি হাটে অন্তত ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকার ফল, মশলা ও অন্যান্য পণ্য বিক্রি করে থাকে। এক হিসাবে দেখা গেছে, সীমান্ত হাট দিয়ে ভারতের রফতানি বাংলাদেশের রফতানির প্রায় চারগুণ। কিছু বাংলাদেশী এ হাটে আমদানিকৃত পণ্যও বিক্রি করে, যা মোটেই কাম্য নয়। প্রতি হাটে ৫-৬ লাখ টাকার পণ্য কেনাবেচা হলেও ৮০ ভাগই ভারতীয় ব্যবসায়ীরা করে থাকে। অভ্যন্তরীণ বাজারে যেসব পণ্যের চাহিদা ও উৎপাদন খরচ কম, সেগুলো ভারত সীমান্ত হাটে নিয়ে আসে। অপরদিকে বেশি উৎপাদন খরচসম্পন্ন দ্রব্যাদি বাংলাদেশ বিক্রি করে। এ হাটে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ১০০ ডলারের পণ্য ক্রয় করতে পারে। উভয় দেশের ২৫ জন বিক্রেতা, জিরো পয়েন্ট থেকে ৫ ব্যাসার্ধ এলাকার মধ্যে যাদের বসবাস, অন্যূন ১৬টি পণ্য নিয়ে পরিচয়পত্র দেখিয়ে এ হাটে অংশ নিতে পারে। ৫ সদস্যের কমিটি দ্বারা পরিচালিত এ হাট সাধারণত মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। বাংলাদেশকে এই সীমান্ত হাট প্রকল্প থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা আদায় করে নিতে হবে। ৩ বছর পরপর পরিবর্তনীয় মেমোরেন্ডামের আলোকে সীমান্ত এলাকার প্রান্তিক জনগণকে সরকার ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে ঋণের আওতায় নিয়ে আসতে পারে। সীমান্তসংলগ্ন ভারতীয় অংশে যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি, সেসব পণ্য উৎপাদন, বহুমুখীকরণ ও আকর্ষণীয়করণের ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং সহায়ক শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে সীমান্ত হাটে যাতায়াতকারী বাংলাদেশীদের উৎসাহিত করতে হবে।
ব্যাংকার, ঢাকা



আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত