যুগান্তর রিপোর্ট    |    
প্রকাশ : ২১ আগস্ট, ২০১৬ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
জুলাই মাসেই ৯১ হাজার পশু আমদানি
ঘনিয়ে আসছে ঈদুল আজহা। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের আশায় পশু কোরবানি দিয়ে থাকেন। এই পশুর বৃহৎ একটি অংশ জোগান দেন দেশীয় খামারিরা। প্রতি বছর কোরবানির ঈদে পশুর চাহিদা রয়েছে ৯৬ লাখ ৩৫ হাজার। এর বিপরীতে দেশে কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে ১ কোটি ৫ লাখ। এছাড়া পার্শ্ববর্তী দুই দেশ ভারত ও মায়ানমার থেকে বিপুল পরিমাণ গরু-মহিষ বৈধ ও অবৈধ পথে আমদানি করা হয়েছে। শুধুমাত্র জুলাই মাসে ৯১ হাজার গরু-মহিষ আমদানি করা হয়েছে। তাই এবার কোরবানির পশুর দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২৪ আগস্ট প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সভায় জানানো হয়েছে, বর্তমানে দেশে চার কোটি ৯০ লাখ গবাদি পশু রয়েছে। গরু ও মহিষের সংখ্যা ২ কোটি ৩৫ লাখ। আর ছাগল ও ভেড়া রয়েছে দুই কোটি ৫৫ লাখ। এর মধ্যে কোরবানিযোগ্য গবাদি পশুর সংখ্যা এক কোটি পাঁচ লাখ। কোরবানিযোগ্যে পশুর মধ্যে গরু ও মহিষের সংখ্যা ৩৩ লাখ এবং ছাগল ও ভেড়া রয়েছে ৭২ লাখ। সভায় আরও জানানো হয়েছে, ২০১৫ সালে দেশে ৯৬ লাখ ৩৫ হাজার পশু কোরবানি দেয়া হয়েছিল।
অন্যদিকে ৭ আগস্ট বিজিবি থেকে এনবিআর পাঠানো এক প্রতিবেদনের তথ্য মতে, জুলাই মাসে বিজিবির ৪ রিজিয়নের ৯টি সেক্টরের ২৫টি চেকপোস্টের মাধ্যমে ৯১ হাজার পশু আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে গরুর সংখ্যা ৮০ হাজার ১৪৭টি। মহিষের সংখ্যা ১০ হাজার ৮৬০টি। ছাগল-দুম্বা-ভেড়া আমদানি হয়েছে ৩১টি। এ থেকে সরকার রাজস্ব পেয়েছে ৪ কোটি ৫৫ লাখ ২১ হাজার ৭০০ টাকা। সবচে বেশি পশু আনা হয়েছে রাজশাহীর সুলতানগঞ্জ চেকপোস্ট দিয়ে।



আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত