কূটনৈতিক রিপোর্টার    |    
প্রকাশ : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
পাকিস্তানের আচরণে ঢাকার কড়া প্রতিবাদ
ইসলামাবাদে নির্দোষ জাহাঙ্গীরকে চোখ বেঁধে ঘুরিয়েছে পাকিস্তানি গোয়েন্দারা * ঢাকায় আবরারের মোটরসাইকেলে দূতাবাসের স্টিকার ছিল না

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের উত্তেজনা ও টানাপোড়েন চলছেই। ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস শাখার কর্মী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন নিখোঁজের ঘটনায় ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার সুজা আলমকে তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে চিঠি দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপক্ষীয়) মিজানুর রহমান নিজ কার্যালয়ে হাইকমিশনারকে ডেকে পাঠান। সেখানে ১ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বৈঠক চলে। আলোচনা শেষে সুজা আলম বলেন, সোমবার ইসলামাবাদে যে ঘটনা ঘটেছে, সে সম্পর্কে আমার কাছে বাংলাদেশের উদ্বেগের বিষয়টি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ইসলামাবাদে খোঁজ নিয়ে তিনি সেখানকার পরিস্থিতি সম্পর্কে বাংলাদেশকে অবহিত করবেন।
এদিকে, মঙ্গলবার বিকালে জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেছেন, পাকিস্তানের সঙ্গে এখনই কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ভাবছে না সরকার। তবে ভবিষ্যতে কী হবে সেটা ভবিষ্যৎই বলে দেবে। তিনি বলেন, যুদ্ধের সময়ও সম্পর্ক বহাল থাকে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে পাকিস্তান। ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের মুখপাত্র আমরিন জান যুগান্তরকে বলেছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য খুবই ইতিবাচক। একটা ঘটনা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ধ্বংস করতে পারে না। আমাদের উভয়পক্ষের উচিত সার্কসহ ইতিবাচক ঘটনার দিকে মনোযোগ দেয়া। তিনি জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাকিস্তান হাইকমিশনারের যে বৈঠক হয়েছে, তা ছিল খুবই ইতিবাচক। সেখানে কোনো তিক্ত কথাবার্তা হয়নি। আমরিন জানান, ইসলামাবাদে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মী জাহাঙ্গীর হোসেন সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। তার কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

অপরদিকে, ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে নিযুক্ত এক কর্মকর্তা মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মী জাহাঙ্গীর হোসেনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় আছেন। শারীরিকভাবেও তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ কারণে তাকে আমরা বিরক্ত করছি না। তিনি এখন বিশ্রামে আছেন। তবে জাহাঙ্গীর আমাদের জানিয়েছেন, তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়নি। তাকে ধরে নিয়ে চোখ বেঁধে রাস্তায় গাড়ি নিয়ে ঘোরানো হয়েছে। নানা রকমের কথাবার্তা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে অপহরণকারীরা। ৬ ঘণ্টা পর তাকে ছেড়ে দিয়েছে। জাহাঙ্গীরের ধারণা পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা তাকে ধরে নিয়েছিল।
সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস শাখার কর্মী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন নিখোঁজ হন। এরপর তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে ইসলামাবাদের স্থানীয় সময় রাত ১২টার দিকে তিনি বাসায় ফেরেন। দাফতরিক কাজ শেষ করে প্রতিদিন জাহাঙ্গীর তার মেয়ে যে কোচিং সেন্টারে পড়ে সেখানে যান। এরপর মেয়েকে নিয়ে বাসায় ফেরেন। কিন্তু সোমবার নির্ধারিত সময়ে তিনি সেখানে না গেলে মেয়ে বাসায় ফোন করে বিষয়টি জানায়। জাহাঙ্গীরের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানায় ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন।
সোমবার রাজধানী গুলশান থেকে আবরার আহমেদ খান নামের পাকিস্তান দূতাবাসের এক কর্মীকে আটকের পর হাইকমিশনের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। তিনি হাইকমিশনের প্রেস সেকশনের সহকারী ব্যক্তিগত সচিব। পুলিশ জানায়, গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় সোমবার দুপুরে আবরার আহমেদ খানকে আটক করে গুলশান থানায় নেয়া হয়েছিল। দেহ তল্লাশি করে তার কাছ থেকে সাড়ে তিন হাজার ভারতীয় রুপি পাওয়া যায়। তিনি যে মোটরসাইকেল ( ঢাকা মেট্রো-হ-৩৯-৮২৪৭) নিয়ে খালেদা জিয়ার বাসার সামনে ঘোরাঘুরি করছিলেন সেটির দূতাবাসের নামে রেজিস্ট্রেশন ছিল না। ছিল না হলুদ নম্বর প্লেট। এমনকি তার নামে মোটরসাইকেলটির ড্রাইভিং লাইসেন্সও ছিল না। আবরার তখন নিজেকে পাকিস্তান হাইকমিশনের একজন কর্মকর্তা বলে পরিচয় দেন। জিজ্ঞাসাবাদে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর বিকালে পাকিস্তান হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের ডেকে তাকে হস্তান্তর করা হয়। ঢাকায় পাকিস্তানের হাইকমিশন আবরারকে আটকের নিন্দা জানিয়ে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে বানোয়াট বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে তলব করে বলা হয় যে, বাংলাদেশ থেকে দুই পাকিস্তানি ফারিনা আরশাদ ও মাযহার খানকে প্রত্যাহার করার পেছনে একটা কারণ ছিল। তাদের বিরুদ্ধে জঙ্গি কার্যক্রমের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশী কূটনীতিক মৌসুমী রহমানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছাড়াই তাকে পাকিস্তান থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। এছাড়া, পাকিস্তান হাইকমিশনের কর্মী আবরার আহমেদ খানের গতিবিধি সন্দেহ হওয়ায় তাকে পুলিশ আটক করে। তার পরিচয় পেয়ে তাকে ছেড়েও দেয়া হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মী জাহাঙ্গীর হোসেনকে নিখোঁজ করে কারা আটকে রেখেছিল সেটা পাকিস্তান জানায়নি। পুরো বিষয়টা খুবই উদ্বেগজনক। এ সময় পাকিস্তানের হাইকমিশনার এ বিষয় সম্পর্কে ইসলামাবাদে খোঁজ নেবেন বলে জানান। সাম্প্রতিক ঘটনা সম্পর্কে প্রতিবাদ সংবলিত একটি কূটনৈতিক পত্র পাকিস্তানের হাইকমিশনারের কাছে তুলে দেয়া হয়। তিনি এই চিঠি ইসলামাবাদে তার দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছে দেবেন।
পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে তলবের বিষয়ে জানতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপক্ষীয়) মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি যুগান্তরকে বলেন, এ বিষয়ে কোনো তথ্য আমি দিতে পারব না। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হবে বলে তিনি জানান। পাকিস্তানের হাইকমিশনার সুজা আলম অবশ্য সাম্প্রতিক ঘটনা প্রবাহের পরও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কার্যক্রম চলমান আছে বলে মন্তব্য করেন। তিনি মঙ্গলবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলবের পর বেরিয়ে যাওয়ার সময় যুগান্তরের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল বাংলাদেশ সফর করছে। বাংলাদেশী ক্রিকেটাররাও পাকিস্তান সুপার লীগে অংশ নেবে। উভয় দেশের মধ্যে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে বৈঠকের দিনক্ষণ ঠিক না হলেও সুবিধাজনক সময়ে তা অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব ঢাকায় আসবেন। এছাড়াও, নভেম্বরে সার্ক সম্মেলন পাকিস্তানে আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। সার্ক সম্মেলনের তারিখ নির্ধারিত হলে প্রথা অনুযায়ী বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।   
যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে পাকিস্তান বিরূপ মন্তব্য করায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। পাকিস্তান এ বিচার নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করে। বাংলাদেশ পাকিস্তানের এমন বিরূপ মন্তব্যকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বলে মনে করে। এ নিয়ে উত্তেজনার একপর্যায়ে জঙ্গি কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠায় ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের কর্মকর্তা ফারিনা আরশাদকে ঢাকা থেকে প্রত্যাহার করতে বলা হয়। তাকে প্রত্যাহার করে নিলেও কোনো অভিযোগ ছাড়াই বাংলাদেশের কূটনীতিক মৌসুমী রহমানকে ইসলামাবাদ থেকে প্রত্যাহার করতে বলে পাকিস্তান। মৌসুমীকে পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে বাংলাদেশ দূতাবাসে বদলি করে বাংলাদেশ। এতেও ঘটনার পরিসমাপ্তি ঘটেনি। ইসলামাবাদ ও করাচিতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে পাকিস্তান। এমন গোয়েন্দা তৎপরতার প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশ। পাল্টাপাল্টি অব্যাহত আছে। ঢাকায় পাকিস্তানের হাইকমিশনের কর্মচারী আবরার আহমেদ খানের গতিবিধি সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ কিছু সময় আটকে রেখে তাকে ছেড়ে দেয়। তার পরপরই পাকিস্তানে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মচারী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন নিখোঁজ হন। তাকেও পরে ছেড়ে দেয়া হলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো যুগান্তরকে নিশ্চিত করে যে, পাকিস্তানের কর্তৃপক্ষ পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে আটক করে কী জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তা জানার জন্য ইসলামাবাদে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সোহরাব হোসেনকে টেলিফোন করা হলেও তিনি টেলিফোন ধরেননি। এ বিষয়ে জানতে করাচিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার নূর ই হেলাল সাইফুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি যুগান্তরকে বলেন, করাচিতে এখন কোনো সমস্যা হচ্ছে না। ইসলামাবাদে জাহাঙ্গীর হোসেনকে ডেকে নিয়ে কী জানতে চেয়েছে সেটা আমার পক্ষে টেলিফোনে বলা নিরাপদ নয়। তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু বলতে রাজি হননি।
সাম্প্রতিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য সরকারের ওপর বিভিন্ন পক্ষ চাপ সৃষ্টি করছে। সরকারের তরফে বলা হচ্ছে, পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কোনো ইচ্ছা নেই। পাকিস্তানের সঙ্গে সরকার কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে চায় না বলে জানিয়েছেন ‘আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলন’-এর আহ্বায়ক ও নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় স্বাধীনতা হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, পাকিস্তান কূটনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণ করছে। আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাই না। আমাদের কাজ হচ্ছে, পাকিস্তানি ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জাগরণ সৃষ্টি করা। এই বিষয়ে সরকারকে সহযোগিতা করা।
মন্ত্রী বলেন, ‘দূতাবাসের একজন লোক ঘুরে বেড়াবে। ভারতীয় রুপি ও দুটি পাসপোর্ট তার কাছে পাওয়া যাবে। এটা অনৈতিক কাজ। এসব কাজ শুধু সন্দেহজনক না, অ্যালার্মিংও। তাই এর বিরুদ্ধে জনগণকে জাগানোর কাজও আমরা করছি।
এদিকে, পাকিস্তান যাতে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। সাবেক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জমির বলেছেন, পাকিস্তানকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানো বন্ধ করতে হবে। তবে এটাও ঠিক যে, বাংলাদেশে কতিপয় রাজনৈতিক দল যারা তাদের মতাবলম্বী, তারা যদি পাকিস্তানকে উৎসাহ দেয় তবে তো তারা এটা করার সুযোগ পাবেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন বলেছেন, পাকিস্তান যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায়। পাকিস্তান যাতে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
 


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত