• বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০
যুগান্তর রিপোর্ট    |    
প্রকাশ : ০৯ আগস্ট, ২০১৬ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় অবস্থান
কূটনৈতিক ও আবাসিক এলাকায় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থাকবে না
কূটনৈতিক ও আবাসিক এলাকা থেকে অবৈধ স্থাপনা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও অননুমোদিত অন্যান্য প্রতিষ্ঠান অপসারণে আবারও দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে কোনো ছাড় না দেয়ার কথা বলেন তিনি। বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন পর্যটনের স্বার্থে এ এলাকায় গেস্টহাউস রাখার দাবি জানালে সেটিও নাকচ করে দেন প্রধানমন্ত্রী। কিছু স্থাপনা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রাখার প্রসঙ্গ তুললে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মূল রাস্তার পাশে হোটেল-রেস্টুরেন্ট থাকলেও অন্য কোথাও রাখার সুযোগ নেই।
বৈঠকে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী কূটনৈতিক এলাকায় অবৈধ স্থাপনা সরানোর বিষয়ে গণপূর্তমন্ত্রীর কাছে জানতে চান। তখন মন্ত্রী বলেন, কিছু কিছু সরছে। তবে এসব এলাকায় স্থাপনা মালিকরা দাবি তুলছেন, কূটনীতিকদের স্বার্থেই কিছু প্রতিষ্ঠান থাকা দরকার। বিশেষ বিবেচনায় কিছু প্রতিষ্ঠান রাখার সুযোগও আছে। এ আলোচনায় অংশ নিয়ে বিমানমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন ওই এলাকার গেস্ট হাউসগুলো না সরানোর অনুরোধ জানান। তিনি পর্যটনের স্বার্থেই ওই এলাকায় এসব দরকার বলেও তুলে ধরেন।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিরাপত্তা দিতে না পারলে পর্যটকরা আসবেন না। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে কোনো ‘কম্প্রোমাইজ’ করা হবে না। মূল রাস্তার পাশে কিছু প্রতিষ্ঠান থাকতে পারে। আইন অনুযায়ী অনুমোদন নিয়ে যেগুলো করা হয়েছে, সেগুলো ছাড়া সবক’টি সরাতে হবে। এ বিষয়ে কোনো আপস চলবে না। তিনি বলেন, সড়কের পাশে হোটেল-রেস্টুরেন্ট থাকতে পারে কিন্তু আবাসিক এলাকায় কোনোভাবেই এসব বা অন্য কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থাকতে পারবে না। তিনি এ প্রশ্নে গণপূর্তমন্ত্রীকে দ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দেন।
এ বৈঠকে পাস হওয়া বিদ্যুৎ আইনের একটি ধারায় ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার না দেয়ার সমালোচনা করা হয়। তখন প্রধানমন্ত্রী ধারাটি বাতিলের নির্দেশ দেন। বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু প্রসঙ্গটি তোলেন। এরপর এটি নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান কথা বলেন। তারা বলেন, বিদ্যুৎ আইনের ৬৯ ধারা বাতিল করতে হবে। এ ধারায় ট্রেড ইউনিয়ন না করার কথা বলা হয়েছে। এর ফলে বহির্বিশ্বে ভুল বার্তা যাবে। এমনিতে ইপিজেড নিয়ে বিভিন্ন কথা শুনতে হয়। তবে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ খান বিপু আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেন, ট্রেড ইউনিয়নের কারণে কাজে জটিলতা হয়। মন্ত্রীদের কথা শোনার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ আইনের ৬৯নং ধারাটি বাদ দেয়ার নির্দেশ দিয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।



আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত