মুসতাক আহমদ ও হাসিব বিন শহিদ    |    
প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
যাত্রাবাড়ী-কাঁচপুর মহাসড়ক
৮ কিলোমিটারে ৬৭ মাদ্রাসা
একই এলাকায় স্কুল-কলেজ ৪২টি * সারা দেশে ২০ হাজার মাদ্রাসায় ১৮ লাখ ছাত্রছাত্রী * সনদের স্বীকৃতি দিতে চায় সরকার
যাত্রাবাড়ী-কাঁচপুর মহাসড়কে ৮ কিলোমিটারের মধ্যে শুধু রাস্তার দু’পাশে ৬৭টি মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে প্রায় ৯৮ শতাংশই কওমি ও হিফজ। এসব প্রতিষ্ঠান ব্যক্তিগত বা বেসরকারিভাবে পরিচালিত হয়। বাকি ২ শতাংশ সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত আলিয়া মাদ্রাসা। একই এলাকায় স্কুল ও কলেজ আছে ৪২টি। স্কুল-কলেজ এবং আলিয়া মাদ্রাসাগুলো সরকারের অনুমোদন পেলেও কওমি মাদ্রাসার কোনো স্বীকৃতি নেই। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত। সরেজমিন ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ যুগান্তরকে বলেন, কওমি মাদ্রাসাগুলো বর্তমানে নিজেদের ব্যবস্থাপনায় চলছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অনেক অধ্যবসায়ের মাধ্যমে সনদ অর্জন করে। তাদের সনদের স্বীকৃতি এবং সমাজের মূল স্রোতে আনা দরকার। এ লক্ষ্যে উদ্যোগ নিয়ে আমরা এগিয়ে আছি। তারা যেভাবে চাইবেন, সেভাবেই হবে। কিন্তু তারা (কওমিপন্থী আলেম) একত্রিত হতে পারছেন না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০১৩ সালে এ সংক্রান্ত একটি উদ্যোগ ছিল। তখন প্রস্তাবিত বোর্ডে সরকারের একজন প্রতিনিধি রাখার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কিন্তু তারা এটি গ্রহণ করেননি। অথচ আইন বোঝে ও সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করবে, বোর্ডে এমন একজন লোক থাকা প্রয়োজন। সরকার সেটাই চেয়েছিল।

কওমি মাদ্রাসার কেন্দ্রীয় শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার (বেফাক) মহাসচিব মাওলানা আবদুল আজিজ জাহনাবাদী যুগান্তরকে বলেন, সামাজিক চাহিদা ও প্রয়োজনের পরিপ্রেক্ষিতে মাদ্রাসাগুলো গড়ে উঠেছে। শুধু যাত্রাবাড়ী-কাঁচপুর এলাকায় নয়, সারা দেশেই কম-বেশি এ ধরনের মাদ্রাসা আছে। সমাজে কোরআন-সুন্নাহর জ্ঞানের আলো জ্বালানোর তাগিদে এসব মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা পায়। এ ক্ষেত্রে কোথাও সাধারণ ব্যক্তি, কোথাও বিশিষ্ট আলেম আবার কোথাও গোটা এলাকার মানুষ উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করেন। এ ধরনের মাদ্রাসার সঠিক কোনো সংখ্যা কারও কাছেই নেই। তবে আমাদের বোর্ডের অধীন ৫ হাজার ৬৯৬টি মাদ্রাসা আছে।’

সংশ্লিষ্টরা বলেন, ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে ওঠা স্কুল-কলেজের মতোই সারা দেশে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এসব কওমি মাদ্রাসা গড়ে উঠছে। এক সময় গ্রামগঞ্জে কওমি মাদ্রাসার বিস্তার ঘটলেও এখন শহরেও এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ছে। কয়েক বছর আগে বেফাক নিয়ন্ত্রিত কিছু মাদ্রাসায় অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস ও গণিতসহ কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়। এর বাইরে এ শিক্ষার কারিকুলামে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি। বিজ্ঞানমনস্ক আধুনিক শিক্ষাধারা থেকে বঞ্চিত এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। স্বীকৃতি না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে যোগদানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সরকারের পক্ষ থেকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য নানাভাবে উদ্যোগ নেয়ার পরও তা সম্ভব হয়নি। বর্তমান সরকার এ লক্ষ্যে ১৭ সদস্যের একটি কমিশন গঠন করে দিয়েছিল। বেফাকের চেয়ারম্যান (হেফাজতে ইসলামের আমীর) ও হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফীকে চেয়ারম্যান করে গঠিত এ কমিশন প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের রিপোর্ট পেশ করে। কমিশনের পক্ষ থেকে কওমি শিক্ষানীতি তৈরি করে দেয়া হয়েছিল। কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার এ সংক্রান্ত একটি আইনের খসড়াও তৈরি করেছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। ফলে যাত্রাবাড়ী-কাঁচপুর মহাসড়কের পাশের মাদ্রাসাগুলোর মতো সারা দেশে গড়ে ওঠা কওমি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সরকারি স্বীকৃতি পাচ্ছে না। অথচ কঠোর অধ্যবসায় ও পরিশ্রম করে এসব মাদ্রাসা থেকে ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষা নিচ্ছে। কিন্তু বহু কষ্টে অর্জিত এ সার্টিফিকেটের সরকারি স্বীকৃতি পাচ্ছে না। ফলে চাকরির সুযোগ খুবই কম।

অবশ্য ভিন্ন কথা বলেছেন বেফাকের মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘মসজিদ-মাদ্রাসার খেদমতের বাইরে টিউশনি, সাধারণ ব্যবসাসহ অন্যান্য পেশায় যায় আমাদের শিক্ষার্থীরা। আমরা শিক্ষার্থীদের ব্যবসার প্রতি বেশি উৎসাহিত করি, যা ইসলামে সবচেয়ে মর্যাদার। অনেকে পরবর্তীকালে দাখিল-আলিম পাস করে সাধারণ শিক্ষায়ও যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কওমি শিক্ষিত ২৫-৩০ জন শিক্ষক আছেন।’

সরেজমিন দেখা যায়, যাত্রাবাড়ী-কাঁচপুর মহাসড়কের পাশে অবস্থিত মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানীনগর মাদ্রাসা। এ ধরনের বড় মাদ্রাসা এ এলাকায় আরও আছে। এসব মাদ্রাসায় শিশু শ্রেণী থেকে শুরু করে তাকমিল বা মাস্টার্স পর্যায়ের পাঠদান করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোতে যাত্রাবাড়ী বা আশপাশের এলাকা নয়, প্রায় সারা দেশের ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষা গ্রহণ করছে। এই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র আবদুল্লাহ আল মামুন এসেছে বৃহত্তর ময়মনসিংহ এলাকা থেকে। সে বলে, তার বাবা একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। টিউশন ফি দিয়ে সে এ প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করে।

জানতে চাইলে মাদানীনগর মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ফয়জুল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, ‘বর্তমানে এ মাদ্রাসায় প্রায় দুই হাজার ৬০০ জন ছাত্র রয়েছে। এর বিপরীতে ৭০ জন শিক্ষক রয়েছেন। ইসলামী বিষয় হিসেবে আরবি, উর্দু, ফারসি, তফসির, হাদিস এখানে পড়ানো হয়। এছাড়া অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত বাংলা, ইংরেজি ও অংক বিষয়ও আছে। রমজানের ঈদের পর বছরে একবার এখানে ভর্তি নেয়া হয়।’

তিনি বলেন, ‘মাদ্রাসাটি বেফাক বোর্ডের অধীভুক্ত। তাকমিল বা মাস্টার্স পরীক্ষা ওই বোর্ডের অধীনে দেন এই মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। এছাড়া আমাদের নিজস্ব বোর্ড আছে। এর নাম তা’লীম বোর্ড মাদারিসে কাওমিয়া আরাবিয়া বাংলাদেশ। ওই বোর্ডের অধীন অন্য পরীক্ষাগুলো চলে।’ তিনি আরও বলেন, নিুবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত সব শ্রেণীর পরিবার থেকে এই মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। শিক্ষার্থীরা তিনবেলা খাবারের জন্য জনপ্রতি আড়াই হাজার টাকা পরিশোধ করে। এই মাদ্রাসা ছাত্র সংগ্রহ করে না। ছাত্ররাই এখানে আসে। প্রয়োজন অনুসারে যাচাই-বাছাই করে কোটা অনুসারে ভর্তি করা হয়। দেশে মাদ্রাসা শিক্ষকের ব্যাপক ঘাটতি আছে। এখানকার শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা শেষে বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক হয়।

সাড়ে চার বছর আগে গঠিত কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী সারা দেশে এ ধরনের মাদ্রাসার সংখ্যা ১৫ হাজার। তবে বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যে এ সংখ্যা আরও বেশি। বর্তমানে সারা দেশে এ ধরনের প্রায় ২০ হাজার মাদ্রাসা আছে। ব্যানবেইসের গত বছরের এক হিসাবে এসব মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রী সংখ্যা বলা হয়েছে ১৪ লাখ। তবে বর্তমানে তা ১৮ লাখ বলে ধারণা পাওয়া গেছে। সবচেয়ে বড় ও কেন্দ্রীয় বোর্ড হচ্ছে ‘বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ’ (বেফাক)। এছাড়া সারা দেশে আরও অন্তত ১৯টি বোর্ড আছে।

বাংলাদেশের কওমি শিক্ষা ব্যবস্থা মূলত ১৮৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ভারতের ‘দারুল উলুম দেওবন্দ’ মাদ্রাসার অনুকরণে বিস্তার লাভ করেছে। ইসলাম ধর্মভিত্তিক এসব শিক্ষাব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। সরকার নিয়ন্ত্রিত আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষার সঙ্গে রয়েছে অনেক পার্থক্য। এসব মাদ্রাসার ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। নেই তদারকির ব্যবস্থা। এমনকি একক কোনো আলেমেরও নিয়ন্ত্রণ নেই। বরং নানা কারণে আলেমদের পারস্পরিক মতানৈক্য আছে। যে কারণে একই ধারার শিক্ষাব্যবস্থা হওয়া সত্ত্বেও সারা দেশে একটি কেন্দ্রীয়সহ অন্তত ১৯টি শিক্ষা বোর্ড গড়ে উঠেছে।

যাত্রাবাড়ী থানার ওসি (তদন্ত) তোফায়েল আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, ‘এ এলাকায় অসংখ্য মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে। তিনটি ভবন পরপর একটি মাদ্রাসা দেখতে পাবেন। আমার ধারণা বাংলাদেশের আর কোনো থানায় এত সংখ্যক মাদ্রাসা নেই। এ মাদ্রাসাগুলোর সঠিক পরিসংখ্যান আমাদের কাছে নেই।’

যাত্রাবাড়ী-কাঁচপুর মহাসড়কে ৬৭ মাদ্রাসা : ৬৭টি মাদ্রাসার মধ্যে ২২টিই হিফজ (কোরআন শরিফ মুখস্থ) মাদ্রাসা। ১০টি আছে মহিলা মাদ্রাসা। অভিভাবকদের আকৃষ্ট করতে একই মাদ্রাসায় হিফজুল কোরআন, নূরানী নাজেরা, কেজি, প্লে-নার্সারি থেকে পঞ্চম, কিতাব বিভাগ ইত্যাদি শ্রেণির পাঠদানের বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছে। আবার কোনো মাদ্রাসা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কোরআন প্রতিযোগিতায় একাধিকবার ১ম স্থান অর্জন করার তথ্যও তুলে ধরেছে।

মাদ্রাসাগুলো হচ্ছে- কুতুবখালী নুরানী ও হাফিজী মাদ্রাসা, মাদ্রাসাতুল ইত্বকান, জহিরুন নেছা মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, জামিয়া ইসলামিয়া আশরাফুল উলুম (ছনটেক) মহিলা মাদ্রাসা ও এতিমখানা। একই এলাকায় একটি ভবনে কাশফুল ইলুম ও মিসবাহুল উলুম ইসলামিয়া নামে দুটি মাদ্রাসা আছে। রায়েরবাগ একটি ভবনের ৫ম তলায় অবস্থিত তাহসীনুল কোরআন ক্যাডেট মাদ্রাসা। নিচের চারটি ফ্লোরে বাসাবাড়ি। দায়ী ইলাল্লাহ বায়তুর রশীদ ক্যাডেট মাদ্রাসা, তামিরুল মিল্লাত মহিলা কামিল মাদ্রাসা, জামিয়া রাশিদিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা, দারুল হুদা ক্যাডেট দাখিল নুরানী হাফিজী মাদ্রাসা, মাহমুদীয়া মহিলা মাদ্রাসা, জামিয়াতুল ইবরাহিম মাদ্রাসা, জামেয়া নুরিয়া মহিলা মাদ্রাসা, জাবালে নূর তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসা, নুরুল কোরআন মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিং, আবদুল আলী দারুস সালাম হিফজুল মাদ্রাসা ও এতিমখানা, দারুল আকরাম তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসা, বায়তুল নাজাত তাহফিজুল কোরআন ক্যাডেট মাদ্রাসা। নর্দমা ও ময়লার খালের ওপর স্থাপিত আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া নূরুল কোরআন মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিং। আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিং, আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা, আহসানিয়া ইসহাকিয়া কওমি মাদ্রাসা। আন নূর তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসা, খাতামুন্নাবিয়্যীন ইন্টারন্যাশনাল তাহফীজুল কোরআন মাদ্রাসা, রহমানিয়া কাসেমুল উলুম মাদ্রাসা। ইব্রাহিমিয়া দারুল সালাম চিটাগাং রোড মহিলা মাদ্রাসা, আহসানিয়া ইসহাকিয়া কওমি মাদ্রাসা, কাসেমুল উলুম মহিলা মাদ্রাসা, জামিয়া মাহমুদিয়া (পুরুষ) মাদ্রাসা, মারকাজুল উলুম ইসলামিয়া, জামিয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসা, মাহাদুশ শায়খ ফুআদ লিদদিরাসাতিল ইসলামিয়া, জামিআ রাহমিয়্যা জমিরিয়্যা মাদ্রাসা, জামিআ ইসলামিয়া আল হেরা মাদ্রাসা। হযরত ওসমান (রা.) তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসা, দারুল হুদা ক্যাডেট দাখিল মাদ্রাসা, জামিয়া ইসলামিয়া দারুল ইহসান মাদ্রাসা, জামিয়া তালিমিয়া মাদ্রাসা, মারকাজুত তাদবীর আল ইসলামী, মাদ্রাসা নূরে মদিনা, হযরত উবাই ইবনে কাব (রা.) ইন্টারন্যাশনাল হিফজুল কোরআন মাদ্রাসা, জামিয়া কোরআনিয়া এমদাদিয়া মাদ্রাসা। দারুত ত্বাকওয়া মহিলা মাদ্রাসা, মাদ্রাসাই আল কারিম, হেফজুল কোরআন ক্যাডেট মাদ্রাসা, খিদমাতুল কোরআন ওয়াসসুন্নাহ ক্যাডেট মাদ্রাসা, মাহদুল কোরআনিল কারিম, মাদ্রাসা আল ইহসান, খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসা। বাইতুর রাসূল তাফিজুল কোরআন ইনস্টিটিউট, মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদ্রাসা, মাদ্রাসা মারকাজুল ফালাহ, আয়েশা সিদ্দিকা নূরানী ট্রেনিং সেন্টার মহিলা মাদ্রাসা, মাদ্রাসা মারকাজুত তাহজিব, জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া, চিটাগংরোড হিরাঝিল মহিলা মাদ্রাসা, মাইতুস সালাহ জামিয়া ইসলামিয়া, দারুস সুন্নাহ মহিলা মাদ্রাসা, তাহসিন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা, বাইতুন নাজাত মাদ্রাসা। মাদ্রাসাতুল সাওতিল কোরআন, জামিয়া আবু বকর সিদ্দিক, জামিয়া ইসলামিয়া বাইতুন নূর, দাওয়াতী ইমলামী মাদানী মারকাজ।





আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত