• বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০
শেখ মামুনূর রশীদ    |    
প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়
ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ
উজাড় হচ্ছে পাহাড়, বন ও সমতল ভূমি * সরবরাহ সংকটে দ্রব্যমূল্য চড়া * খাবার, ওষুধ, পানি ও চিকিৎসা সংকট * সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা
মিয়ানমারের সেনা নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলমানদের মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। বিশাল জনগোষ্ঠী আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক, সামাজিক, পরিবেশগত, জনস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা এবং ভূরাজনৈতিকসহ নানা বিষয়ে গভীর সংকট মোকাবেলা করতে হচ্ছে। এটা করতে গিয়ে ঝুঁকির মুখে পড়েছে দেশ। এখনই পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারলে এই ঝুঁকির মাত্রা দিন দিন বাড়বে। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরা।
তাদের মতে, দেশে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের বিষয়টি যত বেশি দীর্ঘস্থায়ী হবে, সংকট ততই বাড়বে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে রোহিঙ্গাদের নিজভূমে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রাখতে হবে। এজন্য বিশ্ব সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসতে হবে বলেও মত দেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের ফেরত পাঠাতে বিলম্ব হলে বনভূমি উজাড় হয়ে যাবে। এখনই খাদ্য, পানি ও ওষুধ সংকট তৈরি হয়েছে। দ্রব্যমূল্য বাড়ছে হু-হু করে। নারী ও শিশুদের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। ধীরে ধীরে তারা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। এরপর দেখা দেবে আইনশৃঙ্খলাজনিত সমস্যা।
সংশ্লিষ্টদের মতে, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে গিয়ে কক্সবাজার জেলার উখিয়া এবং টেকনাফের পাহাড় ও সংরক্ষিত বন উজাড় হয়ে যাচ্ছে। এই দুই উপজেলায় বন বিভাগের হিসাবেই প্রায় চার হাজার একর পাহাড় কেটে বসতি স্থাপন করেছে রোহিঙ্গারা। শুধু পরিবেশবাদীদের হিসাব অনুসারেই, পাহাড়ের আশপাশের জায়গা ধরলে রোহিঙ্গাদের বস্তির জায়গার পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার একর। নতুন আসা রোহিঙ্গাদের আবাসনের জন্য আরও নতুন করে দুই হাজার একর জায়গা চাওয়া হয়েছে। সব মিলে রোহিঙ্গাদের আবাসনের জন্য ১৬ হাজার একর জমি চলে যাচ্ছে। এর পুরোটাই বন বিভাগের। এই বিপুল পরিমাণ পাহাড় কাটায় এলাকায় মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো। যে কোনো সময় বড় রকমের পাহাড় ধসের আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তারা। ইতিমধ্যে উখিয়া এবং টেকনাফে পথের দু’পাশের পাহাড়ে রোহিঙ্গাদের ঝুপড়ির সারি দৃশ্যমান হচ্ছে। বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে শত শত বস্তি গড়ে উঠেছে। বালুখালীতে অবিশ্বাস্য দৃশ্যের দেখা মিলেছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বিশাল বালুখালী পাহাড়ের গোড়া থেকে মাথা পর্যন্ত ধাপে ধাপে শুধু নীল-কালো প্লাস্টিক শিটের ছাউনি দেয়া ঝুপড়িঘর। গত বছরই এই বিশাল রোহিঙ্গা বস্তিটি গড়ে তোলা হয়েছে। আগে এখানে রোহিঙ্গার সংখ্যা ছিল ৩২ হাজার ৫২৭ জন, এখন প্রায় চার লাখ। রাবার বাগান, সরকারি খাস, পতিত ও ফসলি জমি সব দখল করে ছোট-বড়-মাঝারি নানারকমের বস্তি বানিয়েছে রোহিঙ্গারা।
সুশাসনের জন্য নাগরিকের-সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার এসব ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বুধবার যুগান্তরকে বলেন, ‘আমরা মানবিক দিক বিবেচনায় নিয়ে অসহায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি। আজ হোক, কাল হোক তাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে হবে। তা না হলে অদূর ভবিষ্যতে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের কারণে দেশে চরম অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হবে, যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। মিয়ানমান সরকারের জন্যও এ ঘটনা কাল হয়ে দাঁড়বে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখনই উখিয়া এবং টেকনাফে খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। সরবরাহের অভাবে বাজার সেখানে খুবই চড়া। দু-তিনগুণ বেশি দাম দিয়ে জিনিসপত্র কিনতে হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়েছে। চুরি-ডাকাতি-রাহাজানি-ছিনতাই বেড়ে গেছে। দুদিন পর সম্পদের জন্য রোহিঙ্গাদের সঙ্গে স্থানীয়দের মারামারি হবে।’ ড. বদিউল আলম মজুমদার আরও বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের আজ হোক, কাল হোক নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে হবে। তা না হলে এ সংকট ভয়াবহ রূপ নেবে।’
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমস্যা-সংকট মানবজীবনের একটি প্রাত্যহিক অনুষঙ্গ। এ মুহূর্তে বাংলাদেশ প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমারের সরকার ও সেনাবাহিনী সৃষ্ট এক গভীর সংকটের মুখোমুখি। নিজ রাষ্ট্রের, নিজ জনসংখ্যার একটি বিশাল অংশকে নির্মমভাবে হত্যা করে এবং আগুনে পুড়িয়ে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার এক মরণ খেলায় মেতে উঠেছে মিয়ানমার সরকার। জীবন বাঁচাতে তাই বাধ্য হয়ে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ধেয়ে আসছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের দিকে। তারা বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদেরও প্রায় এক কোটি মানুষ প্রাণ বাঁচাতে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। কিন্তু দুটোর মধ্যে পার্থক্য আকাশ-পাতাল। আমাদের ছিল চূড়ান্ত অর্থে মুক্তিসংগ্রাম-মুক্তিযুদ্ধ-স্বাধীনতার যুদ্ধ। ছিল সাড়ে সাত কোটি বাঙালির ইস্পাত কঠিন ঐক্য ও জীবনবাজি মনোভাব। ভৌগোলিক অবস্থানও আমাদের অনুকূলে ছিল। ’৭১ সালের শরণার্থীদের আশা-ভরসা ছিল দেশ স্বাধীন হবে, আমরা ফিরে যাব স্বদেশভূমিতে, নিজগৃহে। বাস্তবে হয়েছিলও তাই। কিন্তু রোহিঙ্গা সমস্যা এ রকম নয়। এর মূল অনেক গভীরে। রোহিঙ্গা হত্যা-নির্যাতন-নিধন নতুন কোনো বিষয় নয়। মিয়ানমার সরকার যা মূলত সেনাবাহিনী দ্বারা পরিচালিত তারা আগেও এ অমানবিক কাজটি করেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এ আরাকানি বা রোহিঙ্গাদের আগমন নতুন নয়। ১৭৮৪ সালে বার্মিজরা আরাকান দখল করে এবং রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার শুরু করে। ১৭৯৯ সাল নাগাদ প্রায় ৩৫-৪০ হাজার মানুষ আরাকান থেকে নাফ নদী পেরিয়ে টেকনাফ, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেয়। এরপর থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত কখনও বা ভাগ্যান্বেষণে, কখনও উন্নত জীবনের আশায় এবং বেশির ভাগ সময় বার্মিজদের অত্যাচারে বিক্ষিপ্তভাবে বহু রোহিঙ্গা বাংলাদেশে চলে আসে। তবে ১৯৭৮ সালে বড় দাগে প্রায় দুই-তিন লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
পরবর্তী সময়ে খালেদা জিয়ার আমলে ১৯৯১-১৯৯২ সালে মিয়ানমারের আধাসামরিক বাহিনী নাসাকা ও অন্যান্য বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সম্মিলিত আক্রমণের মুখে আরও প্রায় তিন-চার লাখ রোহিঙ্গা বংলাদেশে প্রবেশ করে। তবে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ শাসনামালে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য কোনো রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ না ঘটলেও নতুন করে রোহিঙ্গা আগমন শুরু হয় ২৫ আগস্ট থেকে। মিয়ানমার সরকার বলছে, চরমপন্থীরা রাখাইন প্রদেশের কয়েকটি তল্লাশি চৌকিতে অতর্কিত হামলা চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হতাহত করে এবং প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমারের সামরিক ও পুলিশ বাহিনী সম্মিলিতভাবে জঙ্গিবিরোধী অভিযানের নামে শুরু করে রোহিঙ্গা নিধন কার্যক্রম।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ইতিহাসের সব বর্বরতাকে হার মানায় এবারের মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর অত্যাচার। শুধু জাতিসংঘের হিসাবে মৃতের সংখা হাজার ছাড়িয়ে গেছে। বেসরকারি হিসাবে যা আরও অনেক বেশি। বাধ্য হয়ে রোহিঙ্গারা প্রাণ বাঁচাতে ছুটে আসে বাংলাদেশের দিকে। মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা লাখো নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে মানবতার স্বার্থে আশ্রয় দেয় বাংলাদেশ। ২৫ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত বেসরকারি তথ্যমতে, বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ছয় লাখ। দীর্ঘ ছয় দশক ধরে নির্যাতন করে মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে পুশইন করছে, যার সংখ্যা বর্তমানে ১০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।
জানতে চাইলে এ প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক ড. তারেক শামসুর রেহমান বুধবার যুগান্তরকে বলেন, ‘আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে- এ অবস্থা কতদিন চলবে, কতদিন মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ এসব উদ্বাস্তু ধারণ করবে? বাংলাদেশেরও সীমাবদ্ধতা আছে। মানবিক কারণে অন্য একটি দেশের নাগরিকদের বছরের পর বছর আরেকটি দেশে আশ্রয় দেয়া সম্ভব নয়।’ তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে হবে। এজন্য মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগে জনমত গড়ে তুলতে হবে। বিশ্ব সম্প্রদায়কে সম্পৃক্ত করতে হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, আগে আশ্রয় নেয়া অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে বিদেশে গিয়ে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য, সৌদি আরব, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন মুসলিম দেশে চাকরি করছে। তাদের কাজকর্মও প্রশংসনীয় নয়। এর দায় পড়ছে বাঙালিদের ওপর। এছাড়া দেশের অভ্যন্তরে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের একটি বড় অংশ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত। মাদক ব্যবসার অন্যতম রুট হচ্ছে টেকনাফ সীমান্ত। এ ব্যবসার সঙ্গে রোহিঙ্গাদের সংশ্লিষ্টতা ব্যাপক। এছাড়া জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও রয়েছে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে। শুধু মানবতার প্রশ্ন দিয়ে আমরা নিজেদের ভবিষ্যৎ বিপন্ন হতে দিতে পারি না।
এ প্রসঙ্গে ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘প্রায় দশ লাখ জনগোষ্ঠীর খাদ্যের চাহিদা মেটানো কঠিন কাজ। মানবিক বিবেচনায় কিছুদিন এ কাজটি করা যায়। কিন্তু বছরের পর বছর অসম্ভব।’ তিনি বলেন, ‘খাবার না পেলে রোহিঙ্গা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বে। ইতিমধ্যে পড়তে শুরু করেছে। বেঁচে থাকার জন্য তারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াবে। এত মানুষ এক জায়গায় আটকে রাখাও সম্ভব নয়। আর এর সুযোগ নেবে নানা অপশক্তি। জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদে রোহিঙ্গাদের ব্যবহারের আশঙ্কা আছে। বিদেশি শক্তিগুলোও তাদের ব্যবহার করবে, যার পরিণাম সুখকর হবে না।’
সূত্র জানায়, উখিয়ার কুতুপালং পাহাড়ের ৭৭ একর জায়গায় ১৯৯১ সালে রোহিঙ্গাদের জন্য করা হয়েছিল সরকার নিবন্ধিত আশ্রয় কেন্দ্র। এই কেন্দ্রের পাশেই টেলিভিশন উপকেন্দ্র। এর কাছে একটি অনিবন্ধিত আশ্রয় কেন্দ্র ছিল। এখন পুরো পাহাড়ই রোহিঙ্গা আশ্রয় কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা এখানে বাস করছে। এখন থাইংখালী পাহাড়ে গাছপালা কেটে সেখানে আরও প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গা ঝুপড়ি বানিয়ে বসবাস শুরু করেছে। টেকনাফ উপজেলায়ও একই অবস্থা। জানা গেছে, পুটিবুনিয়ার একটি পাহাড়ের চারপাশের অধিকাংশই খাসজমি। সেগুলো লিজ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা চাষাবাদ করে আসছেন বহুকাল থেকে। এখানে খুব ভালো সবজির আবাদ হয়। পাহাড় থেকে নেমে আসা খাঁড়ির পানি থেকেই সেচ দেয়া যায়। মুলা, শিম, বরবটি প্রভৃতির চাষ হয়। এখন সেসব জমিতে উঠেছে হাজার হাজার ঝুপড়িঘর। সামান্য জমি এখন অবশিষ্ট আছে। এছাড়া টেকনাফের সরকার-নিবন্ধিত নয়াপাড়া আশ্রয় কেন্দ্র ও অনিবন্ধিত লেদা আশ্রয় কেন্দ্রটিও তৈরি করা হয়েছে দুটি পাহাড় কেটে। মেরিন ড্রাইভের পাশে সংরক্ষিত গর্জনবনেও রয়েছে রোহিঙ্গাদের অবৈধ ২০৮টি পরিবার। এখানে নতুন করে রোহিঙ্গারা আসতে শুরু করেছে। এই সংরক্ষিত গর্জনবনটি ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলার) নির্বাহী পরিচালক রেজওয়ানা হাসান বুধবার যুগান্তরকে বলেন, ‘পাহাড় বনভূমি কেটে রোহিঙ্গারা বসতি গড়ে তুলেছে। এতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। যে কোনো সময় বড় রকম পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যদিও মানবিক দিকের কথা বিবেচনা করেই রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়, তবে মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী শূন্যরেখা বরাবর সরকারি খাসজমিতে তাঁবুর মধ্যে তাদের একত্র করে বসতি করে দেয়া হোক।



আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত