সিলেট ব্যুরো    |    
প্রকাশ : ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
গোলাপগঞ্জে ১২ ভুয়া প্রকল্পে অর্থ আত্মসাৎ
দুদকের মামলায় আসামি সাবেক মেয়র পাপলু
গোলাপগঞ্জে ১২টি ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে ছয় লাখ ২৯ হাজার ৭৭২ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ জন্য পৌরসভার সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা জাকারিয়া আহমদ পাপলুসহ চারজনের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাৎ, জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেছে দুদক।
বৃহস্পতিবার রাতে দুদক সিলেট অফিসের সহকারী পরিচালক দেবব্রত মণ্ডল বাদী হয়ে গোলাপগঞ্জ থানায় এই মামলা করেন। মামলায় পৌরসভার সাবেক মেয়র জাকারিয়া আহমদ পাপলু, নির্বাহী প্রকৌশলী ও ভারপ্রাপ্ত সচিব যুগেশ্বর চ্যাটার্জি, কার্যসহকারী ছাব্বির আহমদ এবং অফিস সহকারী জহিরুল ইসলাম ওরফে বাবলাকে আসামি করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জাকারিয়া আহমদ পাপলুর মোবাইল ফোনে বারবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও তার উত্তর পাওয়া যায়নি। গোলাপগঞ্জ থানার ওসি একেএম ফজলুল হক শিবলী যুগান্তরকে বলেন, আসামিদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে।
মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০১৫ সালে ১২টি ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে তৎকালীন মেয়র প্রভাব খাটিয়ে প্রকল্পের ৬ লাখ ২৯ হাজার ৭৭২ টাকা আত্মসাৎ টাকা করেছেন। এর আগে তৈরি করা কাগজপত্রের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সিআইডিতে পাঠায় দুদক। জালিয়াতির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর মামলা করা হয়। মেয়র থাকাকালে পাপলুর বিরুদ্ধে ক্ষমতা অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু শাসক দলের নেতা হওয়ার সুবাদে সবকিছু ম্যানেজ হয়ে যায়। ২০১৫ সালের ১১ জুন থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পৃথক তারিখে ১৪টি স্মারকে অফিস আদেশ স্বাক্ষর এবং ১৪টি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। প্রকল্পের বিল বাবদ ৭ লাখ ২৫ হাজার ৪৭৪ টাকা বিল উঠানো হয়। এর মধ্যে আসামিরা ৬ লাখ ২৯ হাজার ৭২২ টাকা আত্মসাৎ করেন। দুদকের সরেজমিন অনুসন্ধানে ১৪টি প্রকল্পের মধ্যে ১২টির এবং মাস্টার রোলে শ্রমিকদের নাম-ঠিকানার কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে পৌরসভার কর্মচারী (সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক) দুলাল আহমদের নামে দুটি প্রকল্প বানিয়ে তার স্বাক্ষর জাল করে অর্থ আত্মসাৎ করেন। দুলাল জানান, তার স্বাক্ষর জাল করে সাবেক মেয়র এই টাকা উত্তোলন করেছেন। তিনি এসবের কিছুই জানেন না। এছাড়া পৌরসভার বিলবোর্ড না লাগিয়ে আসামি সাব্বির আহমদ ৩৯ হাজার ৭২২ টাকা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন না করে আসামি জহিরুল ইসলাম ওরফে বাবলা ১ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তদন্ত সংশ্লিষ্ট দুদকের এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকজন কাউন্সিলর ২০১৬ সালে মেয়রসহ আসামিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেন। এর পরিপ্র্রেক্ষিতে দুদক বিষয়টি আমলে নিয়ে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় মামলা করে।



আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত