রাকিব আল হাসান    |    
প্রকাশ : ০৯ জুলাই, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
বিচ্ছুনিউজফোরটুয়েন্টিডটকম , সত্যের ধার ধারে না
ঢাকার রাস্তায় বসেই ‘বাড়িয়ে দাও তোমার হাত’ গানটি লিখেছিলেন অনুপম রায়

ওপার বাংলার বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী অনুপম রায় শুধু কলকাতায়ই বিখ্যাত নন, এ দেশেও সমান জনপ্রিয় তার অনন্য সংগীতের জন্য। ভিন্ন মাত্রার গান ও গানের কথায় তিনি ছুঁয়ে গেছেন কোটি কোটি ভক্তের হৃদয়। তার বিখ্যাত গান একে একে বলেও শেষ করা যাবে না। তবু ‘আমাকে আমার মত থাকতে দাও’, ‘তুমি যাকে ভালোবাসো’, ‘একবার বল’, ‘ক্লাসরুম’, ‘বসন্ত এসে গেছে’, ‘বাড়িয়ে দাও তোমার হাত’ ইত্যাদি অন্যতম।

প্রতিটি গানের পেছনেই থাকে গল্প, থাকে প্রেক্ষাপট। অনুপম রায়ের ও এরকম শ্রোতা প্রিয় সবক’টি গানের পেছনেও রয়েছে নানা গল্প। তবে সবক’টি গল্প প্রত্যাশিত মনে হলেও একটি গানের প্রেক্ষাপটে আমরা ভীষণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছিলাম। ‘বাড়িয়ে দাও তোমার হাত, আমি আবার আংগুল ধরতে চাই’ এ শিরোনামের গানটির প্রেক্ষাপট শুনলে আপনি নিজেও ভীষণ অবাক হবেন, সাথে কিছুটা তাজ্জবও হবেন।

জানা যায় এ গানটি লেখার আগে অনুপম রায় ঢাকায় সফরে এসেছিলেন। সময়টি ছিল এখনকার মতোই কোনো এক বর্ষণমুখর দিন। ভারি বৃষ্টিতে তিনি মৌচাক থেকে মালিবাগের উদ্দেশে রিকশায় করে রওনা হন। একদিকে রাস্তায় হাঁটু সমান পানি অন্যদিকে তীব্র জ্যাম। এমন পরিস্থিতিতে পাশ দিয়ে আরেকটি রিকশায় করে যাচ্ছিলেন এক সুন্দরী রমণী। ঐ সুন্দরীকে দেখা মাত্রই প্রেমে পড়ে যান অনুপম রায়। দীর্ঘক্ষণ দুজনের চোখাচোখি হয়। হঠাৎ ঐ সুন্দরীর রিকশা টান দিলে রিকশার এক চাকা গর্তে পড়ে যায়, তৎক্ষণাৎ সুন্দরীও পানিতে পড়ে যান। তখনই হাত বাড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান অনুপম রায়। সেই অসাধারণ মুহূর্তে পাওয়া ফিলিংস থেকেই গানটির জন্ম। তারপর ক্রমে ক্রমে বিখ্যাত হতে থাকে গানটি!

এ সম্পর্কে অনুপম রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এরপর বিচ্ছু সিস্টেমে আঠার মতো লেগে থাকার পর তিনি জানান, ‘ওই মেয়ের সাথে এখন আর রিলেশন নাই। বাদ দেন। তবে ঢাকায় নাকি আবারও কোমর পানি উঠছে নিয়মিত। নতুন গানের জন্য আবারও ঢাকা যাব ভাবছি...’


 


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত