প্রকাশ : ১৬ জুলাই, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
ফোরজি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের রেভিনিউ শেয়ারিং সংশোধিত

দেশে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা ফোরজি চালু করার জন্য সরকার উদ্যোগ নিলেও অপারেটরদের সঙ্গে গাইডলাইন ও গ্রস রেভিনিউ ইস্যুতে বিষয়টি পিছিয়ে যাচ্ছিল। অবশেষে ফোরজি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের গ্রস রেভিনিউ শেয়ারিং ১৫ শতাংশ থেকে নামিয়ে সংশোধিত ড্রাফট গাইডলাইনে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

এছাড়া আগের গাইডলাইনে বাজারে থাকা মোবাইল অপারেটরের বাইরের একটি নতুন মোবাইল অপারেটরকে লাইসেন্স দেয়ার যে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছিল এখন তার আর কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে এর বাইরে অন্য সব শর্ত অপরিবর্তিত থাকছে। কমিশনের ২০৫তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত কমিশন থেকে ডাক ও টেলিকম বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এখন টেলিকম বিভাগ এটি পর্যালোচনা করে তারপর তা অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠাবে। ডাক ও টেলিকম মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের পরই লাইসেন্সের জন্য নিলাম করবে বিটিআরসি। কমিশন সভার কার্যবিবরণী অনুসারে ফোরজি লাইসেন্সিং গাইডলাইন ১০ এপ্রিল ডাক ও টেলিকম বিভাগে পাঠান হলে পরে ৮ মে টেলিকম বিভাগ গাইডলাইনের ‘কিছু’ বিষয়ের সংশোধন করে বিটিআরসিকে তা আবার মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়। এ অনুরোধের প্রেক্ষাপটে ২৮ ও ২০ মে দু’দিন ধরে চলা কমিশনের সর্বশেষ সভায় রাজস্ব শেয়ারিংয়ের পুনর্বিন্যাস এবং কিছু নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

ফোরজি লাইসেন্সের অন্যসব শর্ত অপরিবর্তিত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, ‘ফোরজি লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের আবেদন ফি হবে ৫ লাখ টাকা। লাইসেন্স একুইজিশন ফি হবে ১৫ কোটি টাকা। বার্ষিক লাইসেন্স ফি হবে সাড়ে ৭ কোটি টাকা। সোস্যাল অবলিগেশন ফান্ডের গ্রস রেভিনিউর ১ শতাংশ কমিশন প্রদান করতে হবে। এছাড়াও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে কমিশনে ১৫০ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি নির্ধারিত সময়ের জন্য জমা প্রদান করতে হবে।’ তবে এই আর্থিক কাঠামো আরও বাস্তবসম্মত করার ওপর জোর দিয়েছে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (অ্যামটব)। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যামটব সেক্রেটারি টিআইএম নুরুল কবির বলেন, ‘সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের যে ভিশন তৈরি করেছে তার সঙ্গে এটি জুতসই হবে না।’ তিনি বলেন, যদি অপারেটররা এত টাকা লাইসেন্সের পেছনেই ব্যয় করে, তাহলে রোলআউট অবলিগেশন এবং কোয়ালিটি অব সার্ভিস নিশ্চিত করতে পারবে না। যে অভিযোগ এখনও আছে যে কল ড্রপ হচ্ছে, মোবাইল ইন্টারনেট তার সঠিক গতিতে গ্রাহককে সন্তুষ্ট করতে পারছে না। সেটি আর কমবে না। তার মতে, ‘সরকারকে এককালীন আয়ের চেয়ে কন্টিনিউ আয়ের দিকে নজর দিতে হবে। গ্রাহক ব্যবহারের ওপর সরকার যে আয় করছে, সেটাই সরকারের জন্য এবং এ শিল্পের জন্য সহায়ক হবে। নইলে বিনিয়োগ এবং সার্ভিস দুটো পরিস্থিতির কোনোটিরই উন্নতি হবে না।’ এ ব্যাপারে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, যেহেতু এখানে আর্থিক বিষয়াদি জড়িত রয়েছে, সে কারণে এতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে। ঠিক কবে নাগাদ ফোরজি সেবার লাইন্সে দেয়া সম্ভব হবে? জানতে চাইলে তারানা বলেন, আমরা যত দ্রুত সম্ভব সেবাটি উন্মুক্ত করতে চাই। প্রিয়টেক। -আইটি ডেস্ক


 


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত