যুগান্তর ডেস্ক    |    
প্রকাশ : ২০ আগস্ট, ২০১৬ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
৮ লাখ টন গম আনা হচ্ছে রাশিয়া ইউক্রেন থেকে
ইউক্রেন ও রাশিয়া থেকে প্রায় ৮ লাখ টন গম আমদানি করছে বাংলাদেশ। এ গম আমদানির সময় নির্ধারিত রয়েছে চলতি বছরের মধ্য জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত। গত বছর একই সময়ের মধ্যে ৫ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৬ লাখ টনেরও বেশি গম আমদানি করা হয় বলে বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র জানিয়েছে।
শুক্রবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে বাংলাদেশী শস্য কারখানা মালিকদের আমদানি বর্তমানে বেড়েছে। প্রধান রফতানিকারক দেশ ভারত থেকে জাহাজে পণ্য রফতানি বন্ধের কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে গম রফতানি করে আসছে ভারত। তবে দেশটিতে সম্প্রতি ব্যাপক খরা এবং অনিয়মিত বৃষ্টির কারণে শস্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে দেশটির পণ্য রফতানিতে চাপ বেড়েছে।
উন্নয়ন প্রকল্পে খাদ্যের বিনিময়ে ওএমএস, টিআর ও কাবিখা নামে প্রায় দেড় বছর আগে রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে ২৯ হাজার ১৯৭ টন গম আমদানি করে খাদ্য অধিদফতর। এর মধ্যে খুলনার বয়রা ও মহেশ্বরপাশা খাদ্য গুদামে মজুদ ছিল ২৪ হাজার টন গম। এ গম বিতরণ না করায় বন্ধ থাকে ওএমএস কার্যক্রম। ফলে ধূলিকণায় গমের মান ক্রমেই খারাপ হয়। মজুদ থাকা গমে ধরে পোকা। খাদ্য বিভাগ তখন জানিয়েছিল, গমগুলো দ্রুত বিতরণ করা না গেলে গুদামেই নষ্ট হতে পারে। চলতি বছরের ফেব্র“য়ারিতে মংলা সমুদ্রবন্দরে চার মাস অপেক্ষার পরও ২১ হাজার টন পচা গম খালাস করতে না পেরে সাইপ্রাসের পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি পিনটেল’ ফিরে যায়।



আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত