যুগান্তর রিপোর্ট    |    
প্রকাশ : ২১ আগস্ট, ২০১৬ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
আফসানার ভাইয়ের প্রশ্ন
আসামি শনাক্ত হলে গ্রেফতার নয় কেন
আফসানা ফেরদৌস হত্যার বিচার দাবিতে ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে তার স্বামীর কুশপুুত্তলিকা দাহ করে -যুগান্তর

ছাত্র ইউনিয়নের কর্মী আফসানা ফেরদৌসের রহস্যজনক মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত আসামিরা শনাক্ত হওয়ার দাবি পুলিশের। তাহলে তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না কেন? এই প্রশ্ন আফসানার বড় ভাই ফজলে রাব্বীর। তিনি বলেন, মিরপুর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার নিজেই বলছেন আসামিরা শনাক্ত হয়েছে। তাহলে তাদের গ্রেফতারে বাধা কোথায়?

এ ঘটনায় অভিযুক্ত তেজগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবীবুর রহমান রবিনের কয়েকজন বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে শনিবার পর্যন্ত এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা হয়নি। গত ১৩ আগস্ট রাতে মিরপুরের সাইক ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজির স্থাপত্যবিদ্যার শিক্ষার্থী আফসানার লাশ মিরপুর আল-হেলাল হাসপাতালে রেখে যায় দুই যুবক। তারা কারা, সেটা নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। অজ্ঞাত হিসেবে তার লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাতে আÍীয়রা খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ ঠাকুরগাঁওয়ে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে দাফন করা হয়। আল-হেলাল হাসপাতালের অস্পষ্ট ফুটেজে দুই যুবকের একজনকে রবিন হিসেবে ধারণা করছে পুলিশ।

জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফজলুল শনিবার যুগান্তরকে বলেন, আমাদের তদন্ত অব্যাহত আছে। এখনও আপনাদের বলার মতো কোনো অগ্রগতি হয়নি। পোস্টমর্টেম ও ভিসেরা রিপোর্ট আসার পর প্রমাণ পাওয়া গেলে মামলায় হত্যার ধারা যুক্ত করা হবে।

জানা গেছে, হাবীবুর রহমান রবিনের বাসা মিরপুরের শেওড়াপাড়ায়। তার বাবা আবদুল হাই একজন ব্যবসায়ী। তিনি বাসার ঠিকানা না দিয়ে বাসা থেকে দূরে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, আফসানার সঙ্গে তার ছেলের সম্পর্ক ছিল। কিছুদিন আগে সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছিল। ছেলের বন্ধুদের কাছে শুনেছেন তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছে। ঘটনার দিনে ফোনে রবিনকে দেখা করতে ডাকে আফসানা। দেখা না করলে আত্মহত্যারও হুমকি দেয়। পরে রবিন মানিকদীর বাসায় গিয়ে আফসানাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। আবেগের বশে তারা পুলিশের জন্য অপেক্ষা না করেই আফসানাকে নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যায়। মেয়েটি মারা গেছে বুঝতে পেরে তারা ভয়ে হাসপাতাল থেকে চলে যায়। আবদুল হাইয়ের দাবি, ওই ঘটনার পর থেকে রবিনের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ নেই। সে কোথায় আছে, সেটাও জানেন না তিনি।

এদিকে তেজগাঁও কলেজে ছাত্রলীগ সভাপতি কামরুজ্জামান জানান, রবিন তাদের সংগঠনের কেউ না। তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থীসংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। কেউ যদি ছাত্রলীগের নেতা পরিচয় দিয়ে থাকে, তাহলে সেটা বের করা প্রায় অসম্ভব।


 


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত