যুগান্তর ডেস্ক    |    
প্রকাশ : ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
চীনে অবমুক্ত হচ্ছে বরফ ড্রাগন

২০১৮ সালের শুরুতে চীনে দেখা মিলবে এক বিরাটাকার ড্রাগনের। চীনের জিলিন প্রদেশের চাংচুন শহরে ৮০ গজ লম্বা এবং ২০ গজ চওড়া ওই ড্রাগন তার বিশালাকার ধারালো দাঁত এবং সুচালো নখ উঁচিয়ে অপেক্ষা করছে মানুষের সামনে আসার। ভয় পাবেন না। বিশালাকার ওই ড্রাগনটি জীবন্ত নয়। বরফ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এ ড্রাগন। ভাস্কর্যটি তৈরি করেছেন চাংচুনে অনুষ্ঠেয় জেঙ্গুয়াতান ভাসালপ্পেট ইন্টারন্যাশনাল স্কিইং ফেস্টিভ্যালের কর্মকর্তারা।

৪ জানুয়ারি ওই উৎসব শুরু হবে। সেখানেই ওই বরফের ড্রাগন ভাস্কর্য বানানোর কাজ চলছে পুরোদমে। এতে নিয়োজিত রয়েছেন অর্ধশত শিল্পী এবং ভাস্কর। তারা দিনরাত নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে যত শিগগির সম্ভব ড্রাগন ভাস্কর্যটি বানানো শেষ করার চেষ্টায় রয়েছেন। বিশাল এ ভাস্কর্য তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে মই এবং বিশেষ প্রযুক্তির যন্ত্র। কাজ চলছে অত্যন্ত সাবধানে, যাতে ওই ভাস্কর্যের গায়ে কোনো ধরনের খুঁত না থাকে। এটিকে একদম জীবন্ত ড্রাগনের প্রতিরূপে উপস্থাপন করার পরিকল্পনা শিল্পীদের। তারা আশা করছেন, এক সপ্তাহের মধ্যেই পুরো কাজ সম্পন্ন করে ফেলতে পারবেন। বরফের তৈরি ওই বিশালাকার ড্রাগনটি ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে প্রচণ্ড উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শেষপর্যন্ত প্রকৃতি বিরূপ না হলেই হয়। সব ঠিক থাকলে, হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডার মধ্যে দর্শনার্থীদের মনে উষ্ণতার ছোঁয়া লাগাবে বিশাল বপুর বরফের ড্রাগন!

চীনে ড্রাগনকে শক্তি, সৌভাগ্য, প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি এবং তা রোধের প্রতিমূর্তি হিসেবে মনে করা হয়। চীনের সম্রাটরা ড্রাগনের প্রতিমূর্তিকে শক্তি এবং সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতেন। এছাড়াও সফল এবং ধী-সম্পন্ন ব্যক্তিদের ড্রাগনের সঙ্গে তুলনা করা হয় চীনে।




 


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত