• বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯
মোকারম হোসেন    |    
প্রকাশ : ০৮ জুলাই, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
চালতা ফুল

চালতা ফুলের স্থানীয় অন্য কোনো নাম নেই

বৈজ্ঞানিক নাম : Dillenia indica.

ফুল ফোটার মৌসুম : বর্ষাকাল

পরিবার : Dilleniacae

জন্মস্থান : দক্ষিণ এশিয়া

বিস্তৃতি : ঢাকায় রমনা পার্ক, বোটানিক্যাল গার্ডেনসহ প্রায় সারা দেশ

চালতা ফল হিসেবেই আমাদের কাছে বেশি পরিচিত হলেও ফুলের সৌন্দর্য কম নয়। বাহ্যিক সৌন্দর্যের দিক থেকে ততটা বর্ণিল না হলেও গড়নের দিক থেকে ফুলটি রাজসিক। শুধু ফলের উপযোগিতার কারণেই এমন সুন্দর ফুল আমাদের কাছে অনেকটাই উপেক্ষিত। অথচ চারপাশের গাছগাছালির ভেতর আমাদের অজান্তেই ফুলটি তার অপার সৌন্দর্য বিলিয়ে যায়। তাই হঠাৎ এ ফুলের দেখা পাওয়া অনেকটা আবিষ্কারের মতোই।

চালতা মূলত মাঝারি আকৃতির চিরসবুজ বৃক্ষ। এর শাখাপ্রশাখা এলোমেলো, শীর্ষ প্রায় গোলাকৃতি, ছায়াঘন এবং ছড়ানো। বাকল লালচে মৃসণ। পাতা দীর্ঘাকৃতির, দৃঢ়-শিরাবিন্যাসে অত্যন্ত তীক্ষèভাবে চিহ্নিত এবং প্রায় খাঁজকাটা প্রান্ত করাতের দাঁতের মতো ধারালো। পাতার আকৃতি এবং বিন্যাসেও চালতা গাছ রূপসী। বর্ষায় ফোটা এ ফুলের বৃতির রঙ সবুজ, মাংসল ও স্থায়ী। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে এ বৃতিই ফলে রূপান্তরিত হয়। পাপড়ির রঙ দুধ-সাদা এবং স্বল্পস্থায়ী। এ ফুলের পরাগচক্রে ম্লানহলুদ রঙের অসংখ্য পরাগকেশর থাকে। বৃতির সবুজ, দলের শুভ্রতা, পরাগের হলুদ এবং তারকাবৃতির গর্ভমুণ্ড এ ফুলকে বেশ আকর্ষণীয় করে তুলেছে। ফল পাকার মৌসুম শরৎ-হেমন্ত। দেখতে প্রায় গোলাকার। পাকা ফলের রঙ হলদে-সবুজ। খেতে টক-মিষ্টি স্বাদের। শাঁস নানা খাদ্যে ব্যবহার্য। বিশেষত শরবত, জেলি ও চাটনিতে কাজে লাগে। বাকল ও পাতায় আছে ওষুধিগুণ।

লেখক : প্রকৃতিবিষয়ক লেখক, সম্পাদক, তরুপল্লব


 


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত