জাবি প্রতিনিধি    |    
প্রকাশ : ১৩ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
সিনেট নির্বাচনে বঞ্চিত ৩০ আবেদনকারী
আবেদন করা সত্ত্বেও যৌক্তিক কারণ না দেখিয়ে ৩০ রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটকে চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্তি না করার অভিযোগ উঠেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে। আবেদনের সমস্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করেও তাদের নাম গ্র্যাজুয়েটদের তালিকায় প্রকাশ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) প্রশাসন গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট তালিকাভুক্তির বিজ্ঞপ্তি জারি করে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি তালিকাভুক্তির শেষ সময় ছিল।
জাবির গণিত বিভাগের অধ্যাপক মুহম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, ৩০ জানুয়ারি কিছু গ্র্যাজুয়েটের ফরম সংগ্রহ করে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে রশিদ সংগ্রহ করি। আবেদন ফরমগুলো রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট সেলের কাছে যথানিয়মে জমা দিলেও বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটদের তালিকায় এর মধ্যে ৩০ জনের নামই খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে প্রকাশিত তালিকার সংশোধনী ছাড়াই আগামী ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তিনি আরও জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবু বকর সিদ্দিক বরাবর ৩০ গ্র্যাজুয়েটকে তালিকাভুক্ত না করার কারণ ও তাদের অন্তর্ভুক্তির আবেদন জানাই। কিন্তু এ লিখিত অনুরোধের পর গত ১০ অক্টোবর রেজিস্ট্রার এক লিখিত বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সেই ৩০টি ফরম শিক্ষা শাখায় জমা হয়নি এবং তাদের তালিকাভুক্ত করা সম্ভব নয়। তাদের বাদ দেয়ার উপযুক্ত কোনো কারণ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক শরীফ উদ্দিন বলেন, এ ইস্যুর মাধ্যমে নির্বাচন বাতিল করার পাঁয়তারাও হতে পারে। তা না হলে কোনো কারণ ছাড়া কেন ৩০ জনের নাম চূড়ান্ত তালিকায় থাকবে না।
অন্যদিকে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট নির্বাচনে ভোটার হওয়ার আবেদনের শেষ সময় ছিল বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত। এই ৩০ জনের নাম চূড়ান্ত গ্র্যাজুয়েটদের তালিকায় না থাকায় তারা কেউই ভোটার হতে পারছেন না। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) আবু হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না। এটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক আমির হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভালো বলতে পারবেন। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।



আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত