আশরাফুল আলম পিনটু    |    
প্রকাশ : ২৬ জুলাই, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
শিক্ষণীয় গল্প
হাতির পায়ে দড়ি

একদিন এক লোক রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়লেন একটা হাতি দেখে। হাতিটা বাঁধা ছিল একটা বাড়ির সামনে। লোকটি খুব অবাক হলেন। অত বড় একটা প্রাণীকে সামান্য একটা ছোট দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। তাও আবার শুধু সামনের একটা পা! লোহার কোনো শিকল নয়! নয় কোনো খাঁচা। এটা বোঝাই যায়, হাতিটা যে কোনো সময় পায়ের দড়ি ছিঁড়ে ফেলতে পারে।

পালিয়ে যেতে পারে আটক জীবন থেকে। কিন্তু কী কারণে হাতিটা তা করছে না।

লোকটা কাছেই হাতির মালিককে দেখতে পেলেন। তার কাছে জানতে চাইলেন, পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা না করে হাতিটা কেন ওখানে অমন দাঁড়িয়ে আছে।

হাতির মালিক বললেন, ‘হাতিটা যখন খুব ছোট ছিল কিংবা তরুণ হল তখনও আমরা একই আকারের দড়িতে বেঁধে রাখতাম। এমনকি ওটার এ বয়সেও ওই একই আকারের দড়ি ব্যবহার করি। এটা ওকে বেঁধে রাখার জন্য যথেষ্ট। হাতিটা এ বিশ্বাসে বেড়ে উঠেছে, দড়ি ছিঁড়ে সে পালাতে পারবে না। ওটার বিশ্বাস, এ দড়িই ওকে আটকে রেখেছে। কাজেই হাতিটা কখনই দড়ি ছিঁড়ে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করে না।’

লোকটা চমৎকৃত হলেন। হাতিটা যে কোনো সময় বাঁধন ছিঁড়ে মুক্ত হতে পারে। কিন্তু ওর বিশ্বাস তা হতে দিচ্ছে না। সেই আগের একই জায়গায় অবিচল দাঁড়িয়ে আছে। হাতিটার মতো কিছু মানুষও সারা জীবন একই জায়গায় ঝুলে থাকেন। কারণ তাদের বিশ্বাস, তারা কিছু করতে পারেন না। এর কারণ কি তিনি আগে একবার ব্যর্থ হয়েছিলেন?

নীতিকথা : ব্যর্থতা শিক্ষারই অংশ। জীবন থেকে আমরা লড়াইকে বাদ দিতে পারব না।

মূল গল্প : দ্য এলিফ্যান্ট রোপ


 


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত