• শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯
আনন্দনগর প্রতিবেদক    |    
প্রকাশ : ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০৭:০৮:৫০ প্রিন্ট
দেশে ফিরে ববিতার এখন মন খারাপ


টানা কয়েক মাস একমাত্র ছেলে অনিকের সঙ্গে থেকে গেল সপ্তাহে দেশে ফিরেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নায়িকা ববিতা। কিন্তু দেশে ফেরার পরই কয়েকটি কারণে মন খারাপ তার।


রাজধানীর গুলশানের নতুন বাসায় একাই থাকেন তিনি। যেহেতু এখন চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন না তিনি তাই বলা যায় অনেকটাই অলস সময় কাটে তার।

তাই দেশে ফিরলেও অনিকের কাছেই চলে যেতে মন চাইছে তার। ববিতা বলেন, ‘ছেলের সঙ্গেই থাকতে এখন বেশি ভালোলাগে আমার।

যেহেতু এখানে একা থাকি এবং অভিনয়ও এখন আর করি না, তাই সময় একেবারেই কাটতে চায় না। বিগত যে কয়েকটি মাস কানাডায় অনিকের কাছে ছিলাম, খুব ভালো ছিলাম আমি।

অনিক আমাকে যথেষ্ট সময় দিয়েছে। আমার টেককেয়ার করেছে। দেশে ফেরার আগে আগামী কয়েক মাস যেন অনিককে রান্না করে না খেতে হয় সেজন্য আমি হালাল মাংস নিজ হাতে ক্রয় করে অনেককিছু রান্না করে ডিপ ফ্রিজে রেখে এসেছি।

আল্লাহ অনিককে সুস্থ রাখুন, ভালো রাখুন এই দোয়া চাই সবার কাছে।’ এদিকে শুধু ছেলের জন্যই মন খারাপ তার এমনটিই শুধু নয়।

তিনদিন আগে ববিতার চাচাতো ভাই মিঠু ইন্তেকাল করেছেন। মিঠুকে ঘিরে ববিতার অনেক স্মৃতি। তাকে অনেক আদর করতেন ববিতা। তার জন্য ভীষণ মন খারাপ ববিতার।

আবার দেশে ফেরার পরপরই তার তেরো বছরের আদরের পোষা কুকুর জারাও মারা গেছে। জারা ববিতাকে খুব ভালোবাসতো। ববিতাও জারাকে খুব আদর করতেন।

দেশের বাইরে থেকে ফিরলেও জারার জন্যও ববিতা উপহার নিয়ে আসতেন। সবমিলিয়েই এবার দেশে ফিরে ববিতার মন খুবই বিষণ্ন।

ববিতা জানান, যেকোনো সময় আবার এই একাকিত্ব ছেড়ে চলে যেতে পারেন একমাত্র ছেলে অনিকের কাছে।

ববিতা অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র নারগিস আক্তার পরিচালিত ‘পুত্র এখন পয়সাওয়ালা’। এতে ববিতার অনবদ্য অভিনয় দর্শককে মুগ্ধ করে।


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত