প্রিন্ট সংস্করণ    |    
প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০৯:০৩:৩২ প্রিন্ট
আফগানিস্তানকে অর্থনৈতিক করিডোরে চায় চীন অস্বস্তিতে ভারত
পাকিস্তানের ভেতর দিয়ে চীন যে অর্থনৈতিক করিডোর তৈরি করছে, তাতে এখন তারা আফগানিস্তানকেও অন্তর্ভুক্ত করতে চায়। প্রায় ৫৭০০ কোটি ডলারের এই উচ্চাকাক্সক্ষী পরিকল্পনা চীনের ‘ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড’ মহাপরিকল্পনার অংশ। এর মাধ্যমে চীন এশিয়া, ইউরোপ হয়ে পুরো বিশ্বের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্য পথ তৈরি করতে চায়। 
 
আফগানিস্তানকে এই মহাপরিকল্পনায় যুক্ত করার ব্যাপারে চীন যে প্রচণ্ড আগ্রহী, মঙ্গলবার বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এক ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে তা স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেন, এরকম একটি ‘অর্থনৈতিক করিডোর’ থেকে পুরো অঞ্চল উপকৃত হতে পারে। আফগানিস্তানের জনগণের জীবনমান উন্নয়নের জরুরি তাগিদ আছে। তারা এরকম উদ্যোগে যুক্ত হবে বলে আমরা আশাবাদী। চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর আফগানিস্তান পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা যায় কিনা, সেটা দেখতে আমরা আগ্রহী। তবে এর জন্য তিন দেশের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সমঝোতা হওয়া দরকার।’
 
আফগানিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক মোটেই ভালো নয়। চীন বেশ কিছু দিন ধরে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে। তবে আফগানিস্তান নিয়ে চীনের এই পরিকল্পনার ব্যাপারে সন্দিহান ভারত। 
 
তাদের ধারণা, এর ফলে পুরো অঞ্চলটিই কার্যত চীনের প্রভাব বলয়ে চলে যাবে। চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপেক) চীনের সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রকল্পগুলোর একটি। এর মধ্যে মহাসড়ক, রেলপথ, ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক, জ্বালানি, বন্দর, অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলাসহ বহু প্রকল্প রয়েছে। এই অর্থনৈতিক করিডোরের একটি অংশ ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। চীন থেকে ইতোমধ্যে পাকিস্তানের ভেতর দিয়ে মালামাল পরিবহন করা হয়েছে গোয়াডর বন্দর পর্যন্ত। সেখান থেকে চীনের পণ্য গেছে আফ্রিকায় এবং পশ্চিম এশিয়ায়। 
 
আফগানিস্তানে প্রভাব বিস্তার নিয়ে ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে দ্বন্দ্ব বহুদিনের। তালেবানের পতনের পর থেকে আফগানিস্তানে ব্যাপক প্রভাব বিস্তারে সক্রিয় হয়ে ওঠে ভারত। অন্য দিকে আফগানিস্তানের সরকার প্রায়ই অভিযোগ করে যে তালেবান বিদ্রোহীদের পেছনে প্রধান মদতদাতা হচ্ছে পাকিস্তান।


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত