যুগান্তর রিপোর্ট    |    
প্রকাশ : ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১৮:১৫:৩৭ প্রিন্ট
ঢাকায় নেপালি ছাত্রীর গলায় ফাঁস দেয়া লাশ উদ্ধার

রাজধানীর ভাটারা থানাধীন পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজের হোস্টেল থেকে বিনিশা শাহ (২০) নামের এক নেপালি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরে কলেজটির হোস্টেল থেকে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় ওই ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, বিনিশা শাহ পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজের ২২তম ব্যাচের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। মঙ্গলবার তার টার্ম-২ পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা শেষ হওয়ার আধাঘণ্টা আগেই খাতা জমা দিয়ে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে যান এবং হোস্টেল কক্ষে গিয়ে আত্মহত্যা করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ছাত্রীর জন্ম ১৯৯৬ সালে। সে ২ বছর আগে বাংলাদেশে পড়তে আসে। তার বাবার নাম ভাগান সাহু, মা শান্তি দেবি সাহু। নেপালের বিরাট নগরের কাঞ্জন গ্রামে তাদের বসাবস। পুলিশের ধারণা, আত্মহত্যা করে ওই শিক্ষার্থী মারা গেছে।

গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক আহমেদ নেপালি শিক্ষার্থী ও নিহত ছাত্রীর রুমমেটের বরাদ দিয়ে যুগান্তরকে বলেন, মঙ্গলবার তার ট্রার্ম-২ পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের চেষ্টা করলে শিক্ষকরা তাকে ধরে ফেলে, কিন্তু পরীক্ষা দিতে নিষেধ করেনি। বিনিশা নিজেই হল থেকে বেরিয়ে যান। হতাশা থেকেই সে আত্মহত্যা করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এর বাইরে বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। হত্যার অন্য কোনো কারণ থাকলে সেটি তদন্ত করে বের করা সম্ভব হবে।

বিনিশা শাহ’র সহপাঠীরা জানান, শিক্ষক ও কলেজ কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত চাপেই বিনিশা শাহ আত্মহত্যা করেছেন। তারা আরও বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ টার্ম-২ পরীক্ষার আগে প্রবেশপত্র আটকে রেখে দুই লাখ টাকা দাবি করে। পরে যার কাছে যেমন পেরেছে টাকার বিনিময়ে প্রবেশপত্র দেয়া হয়েছে। এছাড়া কলেজ কর্তৃপক্ষ ইচ্ছে করেই টার্ম-২ পরীক্ষা কঠিন করে এবং ফেল করায়। পরে ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে কৃতকার্য করানো হয়।

ডা. রফিকুল হোসেন রুমি যুগান্তরকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যে অভিযোগ করেছে সেটি সত্য নয়। এছাড়া বিষয়টি এ ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত না। তিনি আরও বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে কলেজ চালিয়ে যাচ্ছি অতিরিক্ত ফি নেয়ার কোনো অভিযোগ আমাদের বিরুদ্ধে ছিল না।

তিনি আরও বলেন, ওই শিক্ষার্থী অপমানবোধ থেকে আত্মহত্যা করতে পারে। নেপালিদের অপমানবোধ বেশি।


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত