• বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯
অধ্যাপক ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী    |    
প্রকাশ : ২৪ জুন, ২০১৭ ০৩:৫০:৩৯ প্রিন্ট
শিশুর রক্তস্বল্পতা

অপুষ্টিজনিত কারণে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু অ্যানিমিয়ায় ভোগে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ৬ মাস থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুর হিমোগ্লোবিন মাত্রা যদি ১১ গ্রাম/ডেসি. লিটারের কম থাকে এবং ৬ বছর থেকে ১৪ বছর বয়সীতে রক্তে হিমোগ্লোবিন লেভেল ১২ গ্রাম/ডেসি. লিটারের নিচে থাকে তবে সে অ্যানিমিয়ায় ভুগছে বলে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

শিশুর অসুস্থজনিত রক্তস্বল্পতার জন্য প্রধানত: আয়রন, ফলিক এসিড, ভিটামিন বি ১২, প্রোটিন ও ভিটামিন ই ঘাটতি মুখ্য কারণ।

রোগচিহ্ন
৬ মাস থেকে ৩ বছর বয়সে ও ১১-১৭ বছর বয়সের বা বয়ঃসন্ধিকালের শিশু আয়রন ঘাটতিজনিত রক্ত স্বল্পতায় ভোগে বেশি।

খিটখিটে মেজাজ, ক্ষিদে মন্দা, ফ্যাকাশে ভাব এগুলো হল প্রাথমিক উপসর্গ, পরবর্তীতে সে বুক ধড়পড়, শ্বাসকষ্ট, সামান্যতেই ক্লান্ত হওয়া, খেলাধুলায় হাঁপিয়ে ওঠা ও হার্টফেইলিউরের মতো লক্ষণাদি নিয়ে হাজির হয়।

রোগ প্রতিরোধ
শিশুর প্রথম ০৬ মাস পর্যন্ত মাতৃদুগ্ধ পান, ০৬ মাস বয়স থেকে শিশুকে ঘরে তৈরি পরিপূরক খাবার খাওয়ানো শুরু করা।

যেসব শিশু স্বল্প জন্ম ওজন নিয়ে জন্মায় (জন্ম ওজন ২৫০০ গ্রামের কম) তাদের ০২ মাস বয়স থেকে আয়রন জোগানো।

প্রতি ৩-৪ মাস অন্তর শিশুকে কৃমির ওষুধ খাওয়ানো।

শিশুকে প্রয়োজনানুযায়ী আয়রন টেবলেট ও ফলিক এসিড প্রদান।

শিশুর প্রতিদিনের খাবারে সবুজ শাকসবজি, ফলমূল ও সল্ট ফোরটিফিকেশন, আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা দূরীকরণে সাহায্য করে।

লেখক : বিভাগীয় প্রধান, শিশুস্বাস্থ্য বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত