প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
বর্ষপূর্তিতে শুভেচ্ছা
১৬ বছর অতিক্রম করে ১৭ বছরে পদাপর্ন করেছে লক্ষ পাঠকের প্রিয় দৈনিক যুগান্তর। ১লা ফেব্র“য়ারি যুগান্তরের প্রতিষ্ঠাবাষির্কী উপলক্ষে ফ্যাশন ডিজাইনার.রূপবিশেষজ্ঞ ও রন্ধনশিল্পীরা জানালেন তাদের অনুভূতির কথা

গ্রন্থনা লুবনা আহমেদ ও হাবীবাহ্ নাসরীন



কানিজ আলমাস খান, রূপবিশেষজ্ঞ

সত্যের সন্ধানে নির্ভীক যুগান্তর, সবসময়ই পাঠকের আস্থা অর্জন করে এসেছে। এই অবস্থান অটুট থাকুক। যুগান্তরের নিউজ কিংবা অন্য ফিচারগুলোও বেশ ভালো লাগে। যুগান্তর শুধু ১৭ বছরে কেন শত বছরে পা দিক এই কামনা করি। ঘরেবাইরে ভালো লাগে। আরও ভালো করুক।



বাহার রহমান, ফ্যাশন ডিজাইনার

যুগান্তরকে বর্ষপূতির শুভেচ্ছা। যুগান্তরের আমি নিয়মিত পাঠক। তাদের ফিচার পাতাগুলো বেশ ভালো লাগে। যেহেতু ফ্যাশন নিয়ে কাজ করি- বিশেষ করে ঘরেবাইরে। যুগ থেকে যুগান্তরে আমাদের ফ্যাশন শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, এই কামনাই করি। যুগান্তর এখন যেমন আধুনিক, তেমন করে সবসময় আধুনিক হয়ে চলতে হবে। ঘরেবাইরে এবং যুগান্তরের জন্য শুভকামনা



রাহিমা সুলতানা রিতা, রূপবিশেষজ্ঞ

পাঠকপ্রিয় এই পত্রিকাটি আরও এগিয়ে যাক। যুগান্তর বেশ সময়োপযোগী সংবাদ পরিবেশন করে। এর মাধ্যমে পাঠক অনেককিছুই জানতে ও শিখতে পারে, আত্মোন্নতি করতে পারে। আশা করি ভবিষ্যতে আরও জীবনমুখী ও তথ্যসমৃদ্ধ ফিচার পাব ঘরেবাইরে।



লিপি খন্দকার, রূপবিশেষজ্ঞ

যুগান্তরকে বর্ষপূতির শুভেচ্ছা। ঘরেবাইরে প্রথম থেকেই ভালো করে আসছে। দেশীয় ফ্যাশন থেকে শুরু করে সবকিছুকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকে ঘরেবাইরে। পরামর্শ হিসেবে যেটা বলতে চাই তা হল, যে কোনো ফিচারের ফটোশুট করার অন্তত দুই-এক সপ্তাহ আগে জানালে ভালো হয়। তাহলে আমরা আমাদের সেরা কাজটি দিতে পারি।



শাহীন আহমেদ, ফ্যাশন ডিজাইনার

যুগান্তরের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি। ঘরেবাইরে প্রতিবছর ফ্যাশনসংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে আড্ডার আয়োজন করে। যা আমার কাছে একটি বিশেষত্ব বহন করে। যুগান্তর এভাবেই দেশীয় ফ্যাশনকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ফ্যাশনের উন্নয়নের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকুক। যুগান্তরকে বর্ষপূর্তির শুভেচ্ছা।



আফরোজা পারভিন, রূপবিশেষজ্ঞ

যুগান্তরের সঙ্গে যুক্ত আছি দীর্ঘদিন ধরে। যুগান্তর পরিবারকে তাই আমার নিজের পরিবার বলেই মনে হয়। যুগান্তর বরাবরই ভালো কাজ করে আসছে। দেশীয় ফ্যাশন শিল্পকে প্রাধান্য দিয়ে তারা কাজ করছে, যা অবশ্যই ইতিবাচক। পরামর্শ থাকবে, ঘরেবাইরে যেন প্রিন্টের দিকে আরেকটু নজর দেয়। তাতে করে পাঠকের কাছে এর গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়বে বলে মনে করি।



গুলশান নাসরিন, ইন্টেরিয়র ডিজাইনার

সব বয়সী পাঠকের কাছেই এটি একটি জনপ্রিয় পত্রিকা। আমরা যারা ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল বিষয়ক কাজ করি, তাদের কাজের ক্ষেত্র হিসেবে যুগান্তর ভালো একটি ভূমিকা রাখছে। তবে, ঘরেবাইরেতে যারা বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকেন, তাদের সবার ছবিই ছাপা হয়, শুধু ইন্টেরিয়র ডিজাইনের বেলাতেই অন্যথা ঘটে! এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।



বিপ্লব সাহা, ফ্যাশন ডিজাইনার

আমি আসলে নিজেকে যুগান্তর পরিবারের একজন বলে মনে করি। কারণ, প্রথম থেকেই যুগান্তরের সঙ্গে নানাভাবে যুক্ত আছি। বিশেষ করে যুগান্তর আমাদের দেশীয় ফ্যাশন শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে নানামুখী প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এজন্য ঘরেবাইরেকে আলাদা করে ধন্যবাদ জানাতেই হয়। তবে আমাদের একটা দুঃখও আছে। সেটি হল, ঘরেবাইরের প্রিন্টের মান তুলনামূলক কিছুটা খারাপ। ঘরেবাইরের দিকে একটু সুদৃষ্টি দিলেই এমন সমস্যার সমাধান করা সম্ভব বলে মনে করি। ১৭ বর্ষে পদার্পণে অনেক অনেক শুভেচ্ছা যুগান্তরকে।



শাহিনা আফরিন মৌসুমী, রূপবিশেষজ্ঞ

যুগান্তরের ১৬ বছর পূর্তি ও ১৭ বছরে পদার্পণ করায় আমি আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। যুগান্তরের সঙ্গে আমি দীর্ঘদিন ধরে জড়িত। এর জন্য যুগান্তরকে ধন্যবাদ জানায়। ঘরেবাইরেতে আমাকে লেখার সুযোগ করে দেয়ার জন্য রইল আমার প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। এর মাধ্যমে ঘরে বসে পাঠকদের যে উপকার হচ্ছে সেটা আমার খুব ভালো লাগে। আমি যুগান্তরের সাফল্য কামনা করছি।



শিবানী দে, রূপবিশেষজ্ঞ

যুগান্তর পরিবারকে আমার অভিনন্দন। দীর্ঘদিন ধরে যুগান্তর সফলতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে যুগান্তর সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের সবাইকে জানাচ্ছি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা। আমি যুগান্তরের সফলতা কামনা করছি।



জুলিয়া আজাদ, রূপবিশেষজ্ঞ

যুগান্তর ১৭ বছরে পদার্পণ করেছে, এর জন্য যুগান্তর পরিবারকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। সময়োপযোগী পত্রিকা। এর সঙ্গে কাজ করে আমি খুবই আনন্দিত ও কৃতজ্ঞবোধ করছি। ঘরে বসে নারীরা বিভিন্ন সমস্যার সমাধান খুব সহজে পেয়ে থাকেন। এটা আমার খুব ভালো লাগে। যুগান্তরের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক এ কামনা রছি। ধন্যবাদ যুগান্তর।



আলিয়া ওহাব, রন্ধনশিল্পী

যুগান্তরের প্রতি প্রথমেই রইল আমার আন্তরিক অভিনন্দন। দীর্ঘদিন আমি এ পত্রিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত। ঘরে বসে খুব সহজে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান পেয়ে মানুষ উপকৃত হচ্ছে। লেখার মানও ভালো হচ্ছে। যুগান্তরকে পরিবারের সদস্য বলে মনে করি।



আঞ্জুমান্দ জাহিদ সেতু, রন্ধনশিল্পী

যুগান্তর একটি সময়োপযোগী দৈনিক। যুগ যুগ ধরে আমি যেন এর সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারি তাই কামনা করি। যুগান্তর দীর্ঘদিন তার পাঠক প্রিয়তা ধরে রেখেছে তার কাজের মাধ্যমে। আর যুগান্তরের ঘরে বাইরে ট্যাবলয়েডটি অপরিহার্য অংশ বলে মনে করি আমি। যুগান্তরের নিউজ ও ফিচারপাতা গুলো দৃষ্টিনন্দন।



রওশন আরা, রন্ধনশিল্পী

১৭ বছরে পদার্পণে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল। যুগান্তরের নিয়মিত আয়োজনগুলো ভালো থাকে। দীর্ঘদিন ধরে রান্না বিষয়ে কাজ করে আমি নিজেকে গর্ববোধ করি। এটি একটি সময়োপযোগী পত্রিকা। এর সবকটি আয়োজন চৎমকার। বিশেষ করে সাজঘরের রূপচর্চাবিষয়ক যে বিভাগটি যেভাবে মানুষকে নতুন রূপে পরিচয় করিয়ে দেয় এটা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।



মনিরা মোস্তফা মিতা, রন্ধনশিল্পী

দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আজ যুগান্তর সব ধরনের পাঠকদের কাছে প্রিয়। যারা এর সঙ্গে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন সবার জন্য রইল আমার শুভ কামনা। আমি নিজেকে যুগান্তর পরিবারের একজন মনে করি। যুগান্তর যুগ যুগ পাঠকদের ভালোবাসায় সিক্ত হোক।



কানিজ ফাতেমা রিপা, রন্ধনশিল্পী

যুগান্তরকে আমার অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল। ঘরে বাইরের মাধ্যমে পাঠকদের মাঝে রান্নার রেসিপিগুলো তুলে ধরতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। যুগান্তরের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক এ কামনা করছি।



জিনাত রায়হান সুমি, রন্ধনশিল্পী

যুগান্তরের প্রতি রইল আমার শুভেচ্ছা। এটি একটি সময়োপযোগী পত্রিকা। বিশেষ করে ফ্যাশন ও লাইফস্টাইলবিষয়ক ট্যাবলয়েড ঘরে বাইরের সঙ্গে অনেক দিন ধরে সম্পৃক্ত। আশা করছি যুগান্তরের এ পথচলা অব্যাহত থাকবে। আমি এর সাফল্য কামনা করছি।



আফরোজা খানম মুক্তা, রন্ধনশিল্পী

যুগান্তরকে সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে গর্ববোধ করি। যুগান্তরের মাধ্যমে আমি পাঠকদের সঙ্গে পরিচিতি লাভ করেছি। যুগ যুগ ধরে যুগান্তর যেন পাঠকের অন্তরে বেঁচে থাকে এ কামনা করি।


 


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত