চবি প্রতিনিধি    |    
প্রকাশ : ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
তরুণ প্রজন্মই সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার
চবির সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ
তরুণ প্রজন্মই সমাজ পরিবর্তনের প্রধান হাতিয়ার উল্লেখ করে তাদের দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর আবদুল হামিদ। রোববার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ সমাবর্তনে তিনি এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, স্বপ্ন না থাকলে সাফল্য আসে না। মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য ছিল সুখী সমৃদ্ধশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা। এ দেশকে এগিয়ে নিতে হলে তরুণ সমাজকে মূল হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতে হবে। দেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যেতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তব্য দেন ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও চবির সাবেক ভিসি অধ্যাপক আবদুল মান্নান।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, দল-মত-পথের পার্থক্য ভুলে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা তরান্বিত করতে হবে। এ সময় তরুণ প্রজন্মের অমিত সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে তাদের তথ্যপ্রযুক্তি ও জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ করার তাগিদ দেন রাষ্ট্রপতি।
গবেষণার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, গবেষণা উচ্চশিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। যে জ্ঞান কল্যাণমুখী নয় সেটা প্রকৃত জ্ঞান হিসেবে বিবেচ্য হয় না। গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করতে, উচ্চশিক্ষার মান বৃদ্ধিতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। দেশে এখন ১২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ইতিহাসে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনেক। এখানকার ডিগ্রিধারীরা গর্বিত। এ সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধে ও চট্টগ্রামের রাজনীতিতে যারা গৌরবময় ভূমিকা রেখেছিলেন তাদের স্মরণ করেন।
অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তব্যে প্রফেসর ইমেরিটাস ড. আনিসুজ্জামান দেশে ধর্মের নামে উগ্র পন্থাসহ কিছু কিছু বিষয় সুস্থ জ্ঞান চর্চ্চার অন্তরায় উল্লেখ করে বলেন, পরমত সহ্য করতে হবে। তিনি পেশি শক্তির বদলে যুক্তির আশ্রয় নেয়ার আহ্বান জানান।
স্বাগত বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী রাষ্ট্রপতিকে পাহাড়ঘেরা ক্যাম্পাসে স্বাগত জানিয়ে বলেন, শহর থেকে দূরে অবস্থিত এ বিশ্ববিদ্যালয়। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
এবারের সমাবর্তনে ২০০৪ সাল থেকে ২০১০ সালের মধ্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস করা ৭ হাজার ১৯৪ শিক্ষার্থীকে সনদ প্রদান করা হয়, যার মধ্যে চ্যান্সেলর পদক পাচ্ছেন নয়জন। এছাড়া ২৫ জন পিএইচডি ও ১৩ জন এমফিল রয়েছেন। এদের মধ্যে কয়েকজনের হাতে সনদ তুলে দেন রাষ্ট্রপতি।



আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত