খুলনা ব্যুরো    |    
প্রকাশ : ১৩ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
এমপি প্রার্থী তাই অন্য কেউ নির্বাচন করতে পারবেন না!
খুলনা সমবায় ভূমি উন্নয়ন ব্যাংকের ত্রিবার্ষিক নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এমপি মিজানুর রহমান মিজান ছাড়া আর কেউ মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি। এ পদে এমপি মিজান প্রার্থী হওয়ায় কাউকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেয়নি ক্ষমতাসীন দলের লোকজন। বৃহস্পতিবার নগরীর ডাকবাংলা মোড়ে ব্যাংকের বাইরে এ ঘটনা ঘটে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এমপি মিজান।
খুলনা সমবায় ভূমি উন্নয়ন ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের ত্রিবার্ষিক নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পাঁচটি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ও খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, ব্যাংকের সদ্যবিদায়ী চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, বলাকা রায়, মোদাচ্ছের আলী ও মুন্সী নুর ইসলাম। মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষদিন ছিল বৃহস্পতিবার। তবে ওই পদে নির্বাচন করতে বাধা দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রার্থীরা। তারা বলেন, মনোনয়নপত্র জমা দিতে গেলে এমপি মিজানের লোকজন তাদের ব্যাংকের বাইরে বাধা দেয়। এ কারণে এমপি মিজান ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি।
মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বলাকা রায় যুগান্তরকে বলেন, গত মেয়াদে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে সরকার মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। এবার চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিতে গেলে ব্যাংকের বাইরে বাধার সম্মুখীন হয়েছি। এমপি মিজানের লোকজন বিশেষ করে সোনা মিয়া ও তার লোকজন মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেননি। বরং এমপির মনোনয়নপত্র জমা দিতে আমাকে বাধ্য করা হয়েছে। মোদাচ্ছের আলী মোবাইল ফোনে বলেন, ‘ভাই বলে কী লাভ। আপনি তো আর প্রতিকার করতে পারবেন না। ক্ষমতাসীন দলের লোকজন আমাকে নমিনেশন পেপার জমা দিতে দেয়নি। এখন জোর যার, মুলুক তার।’ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কমিশনার ও ডুমুরিয়া উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা সেলিম আক্তার বলেন, ‘চেয়ারম্যান পদে পাঁচটি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়। তবে জমা পড়েছে শুধু এমপি মিজানের মনোনয়নপত্রটি। বাধা দেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ব্যাংকের ভেতরে ছিলাম, বাইরে কী হয়েছে, সে বিষয়ে কিছুই জানি না।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এমপি মিজান বলেন, অনেক আগে থেকে ওই ব্যাংকের সদস্য হিসেবে আছি। ওই প্রতিষ্ঠানের কিছু লোক আমাকে ব্যাংকের নির্বাচন করার অনুরোধ করেন। তারা আমার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তবে সেখানে কোনো অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটেনি।



আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত