যুগান্তর রিপোর্ট    |    
প্রকাশ : ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০ প্রিন্ট
নবাবগঞ্জে নূরুল ইসলাম হত্যা
সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি এলাকাবাসীর
নবাবগঞ্জের আগলা এলাকায় মো. নূরুল ইসলাম হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, এ ঘটনায় দায়ের করা মামলা ভিন্নদিকে নেয়ার পাঁয়তারা চলছে। প্রভাবশালী একটি মহল আসামিদের পক্ষ নিয়ে থানা-পুলিশকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। এ পর্যন্ত যে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের কাছ থেকে পুলিশ কিছুই আদায় করতে পারেনি। অথচ এরাই খুনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এদের ফের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার রহস্য বের হয়ে আসবে।
উল্লেখ্য, ১ নভেম্বর নূরুল ইসলামকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর পুলিশ নুরুল ইসলামের মোবাইল ফোনের কললিস্টে হুমায়ুন নামের এক ব্যক্তির নম্বর পায়। এরপর হুমাযূনকে আটক করা হলে সে পুলিশকে জানায়, মাসুদুর রহমান বাবুল (নিহতের ভাই) ও আগলা এলাকার কুখ্যাত সন্ত্রাসী জামাই হারুন ও ধনার অনুরোধে নূরুল ইসলামকে সে হুমকি দেয়। সে আরও জানায়, নূরুল ইসলামকে খুন করার জন্য জামাই হারুন ও ধনাকে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়েছে বাবুল। হুমায়ূনের দেয়া এই তথ্যে পুলিশ জামাই হারুন ও ধনাকে গ্রেফতার করে। কিন্তু গ্রেফতারের পরই এই দু’জনকে ছাড়ানোর জন্য বিভিন্ন মহল থেকে জোর চেষ্টা তদবির শুরু হয়। নূরুল ইসলামের ছেলেদের ওপর চাপ প্রয়োগের পাশাপাশি হুমকিও দেয়া হয়। তবে পুলিশ তাদের না ছেড়ে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চায়। আদালত ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডের পর পুলিশ জানায়, দু’জনের কাছ থেকে কিছুই বের করা সম্ভব হয়নি।
এলাকার মানুষের দাবি দু’জনকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার। তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে হত্যার রহস্য বের হয়ে আসবে।



আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত